"হে বঙ্গ, ভান্ডারে তব বিবিধ রতন; ......... পর ধন লোভে মত্ত, করিণু ভ্রমণ পরদেশে, ভিক্ষা বৃত্তি কুক্ষণে আচারি।"- এই কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
MEDICALবাংলা সাহিত্যবিভীষণী প্রিত মেঘনাদবিভীষণী প্রিত মেঘনাদ (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Explanation:
মাইকেল মধুসূদন দত্তের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উক্তিঃ
- হে বঙ্গ, ভান্ডারে তব বিবিধ রতন; ......... পর ধন লোভে মত্ত, করিণু ভ্রমণ পরদেশে, ভিক্ষা বৃত্তি কুক্ষণে আচারি।
- জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে?
- সতত হে নদ, তুমি পড় মোর মনে
সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে
- সেই ধন্য নরকুলে লোকে যারে নাহি ভুলে,
মনের মন্দিরে নিত্য সেবে সর্বজন।
Another Explanation (5): ```html
হে বঙ্গ, ভান্ডারে তব বিবিধ রতন
উপরের কবিতাংশটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কর্তৃক রচিত। এটি তাঁর বিখ্যাত বঙ্গভাষা নামক কবিতার অংশ। কবিতাটি মাতৃভাষার প্রতি কবির গভীর অনুরাগ এবং বিদেশমুখিতার জন্য অনুতাপ প্রকাশ করে।
কবিতাংশের মর্মার্থ
- বঙ্গ ভান্ডার: বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রত্নসমৃদ্ধ। 💎
- পর ধন লোভে মত্ত: কবি বিদেশি সংস্কৃতির মোহে আকৃষ্ট হয়েছিলেন। 😒
- ভ্রমণ পরদেশে: তিনি জ্ঞান ও খ্যাতির আশায় বিদেশ ভ্রমণ করেন। ✈️
- ভিক্ষাবৃত্তি: নিজ ভাষায় চর্চা না করে, ভিন্ন ভাষায় সাহিত্যচর্চা যেন ভিক্ষাবৃত্তির শামিল। 😔
- কুক্ষণে আচারি: সেই ভুল কাজটি তিনি খারাপ সময়ে করেছিলেন। 😟
মাইকেল মধুসূদন দত্ত সম্পর্কে কিছু তথ্য
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| জন্ম | ২৫ জানুয়ারি, ১৮২৪ 🎂 |
| মৃত্যু | ২৯ জুন, ১৮৭৩ 💀 |
| উল্লেখযোগ্য কাজ | মেঘনাদবধ কাব্য, তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য, ব্রজাঙ্গনা কাব্য, কৃষ্ণকুমারী নাটক 🎭 |
| বিশেষত্ব | অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক ✍️ |
কবিতার মূলভাব
এই কবিতাটি মূলত মাতৃভাষার গুরুত্ব এবং নিজ সংস্কৃতিকে লালন করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। কবি উপলব্ধি করেছেন যে, বিদেশি ভাষার প্রতি আকর্ষণ থাকলেও, নিজের ভাষার ভান্ডার অফুরন্ত এবং সেখানেই প্রকৃত মুক্তি নিহিত। 💖🇮🇳
কবিতাটি আমাদের দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে সম্মানের সাথে গ্রহণ করতে উৎসাহিত করে। 🙏
আরও কিছু ইমোজি: 🌟✨🔥❤️🧡💛💚💙💜🖤🤍🤎
```