’ধান দিয়ে কি হইবে, মানুষের জান যদি না থাকে।’ ‘লালসালু’ উপন্যাসের উক্তিটি কে করেছেন?
RUUnit-ASet-3বাংলা সাহিত্যউপন্যাসঃ লালসালুউপন্যাসঃ লালসালু (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
রহিমা
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
🌾 লালসালু: রহিমা'র আর্তনাদ 😔
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'লালসালু' উপন্যাসের একটি হৃদয়স্পর্শী উক্তি: "ধান দিয়ে কি হইবে, মানুষের জান যদি না থাকে।" এটি রহিমা নামক চরিত্রটির চরম অসহায়তা ও দুর্ভিক্ষের সময়ে বেঁচে থাকার আকুতি প্রকাশ করে।
উক্তিটির তাৎপর্য:
- 💔 মানবিকতার চরম অবমাননা: উক্তিটি দুর্ভিক্ষের সময় খাদ্যের চেয়ে জীবনের মূল্যকে বড় করে দেখে।
- 😥 সামাজিক বৈষম্য: রহিমা সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে, যারা জীবনধারণের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত।
- 😟 ধর্মীয় ভণ্ডামি: লালসালু উপন্যাসে মজিদ নামক চরিত্রটি ধর্মের অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষের উপর শোষণ চালায়। এই উক্তিটি সেই ভণ্ডামির বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ।
- 🌾 কৃষকের হাহাকার: ধান কৃষকের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু যখন সেই ধান জীবন বাঁচাতে ব্যর্থ হয়, তখন এর চেয়ে মর্মান্তিক আর কিছু হতে পারে না।
রহিমা চরিত্রটি সম্পর্কে কিছু তথ্য:
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| নাম | রহিমা |
| অবস্থান | গ্রামের দরিদ্র নারী |
| গুরুত্ব | সমাজের অবহেলিত মানুষের প্রতিনিধি |
| অনুভূতি | দুঃখ, কষ্ট, হতাশা 😭 |
উক্তিটির প্রেক্ষাপট:
উপন্যাসটি একটি গ্রামীণ সমাজের চিত্র তুলে ধরে, যেখানে দারিদ্র্য, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামি প্রকট। দুর্ভিক্ষের সময় মানুষ যখন খাদ্যের অভাবে ধুঁকছে, তখন রহিমা উপলব্ধি করে যে শুধু ধান দিয়ে জীবন বাঁচানো যায় না, প্রয়োজন মানবিকতা ও সহমর্মিতা। 🤝
আরও কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয়:
- 📚 উপন্যাসের মূল থিম: ধর্মীয় ভণ্ডামি ও সমাজের অন্ধকার দিক উন্মোচন।
- 👤 অন্যান্য চরিত্র: মজিদ, খালেক ব্যাপারী, আমেনা।
- 🌍 সামাজিক বার্তা: কুসংস্কার ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি।
এই উক্তিটি আজও প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মানুষের জীবন সবচেয়ে মূল্যবান এবং খাদ্য, বস্ত্রের পাশাপাশি মানবিক মর্যাদা রক্ষা করাও জরুরি। 🙏
💡 শিক্ষা: আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি মানবিক সমাজ গড়ি, যেখানে কেউ খাদ্যের অভাবে জীবন হারাবে না। 😊
```