0.10 molL-1 দ্রবণ থেকে নির্দিষ্ট আয়তনের 0.01 molL-1 দ্রবণ তৈরিতে নিম্মের কোন সেটটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত?
DUUnit-Aরসায়ন প্রথম পত্রল্যাবরেটরির নিরাপদ ব্যবহারআয়তনিক বিশ্লেষণে ব্যবহৃত কাঁচের যন্ত্রপাতি (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
Pipette and volumetric flask
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
0.10 molL-1 দ্রবণ থেকে 0.01 molL-1 দ্রবণ তৈরি: পিপেট ও ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্ক কেন সেরা? 🤔
নির্দিষ্ট আয়তনের 0.10 molL-1 দ্রবণকে পাতলা করে 0.01 molL-1 দ্রবণ তৈরি করার জন্য অনেক পদ্ধতি থাকলেও, পিপেট (Pipette) এবং ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্ক (Volumetric Flask) ব্যবহারের সেটটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। এর কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
পিপেট ও ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্ক ব্যবহারের সুবিধা: 👍
- নির্ভুলতা (Accuracy): পিপেট এবং ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্ক উভয়ই অত্যন্ত নির্ভুলভাবে তরল পরিমাপ করতে পারে। ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্ক একটি নির্দিষ্ট আয়তন ধারণ করার জন্য ক্যালিব্রেট করা হয়, যা খুবই সামান্য ত্রুটি দেয়। পিপেটও খুব সূক্ষ্মভাবে দ্রবণ তুলতে পারে।
- যথার্থতা (Precision): এই দুটি যন্ত্রের নকশা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে, বারবার একই কাজ করলে প্রায় একই ফলাফল পাওয়া যায়।
- দূষণমুক্ত (Contamination-free): নমুনা সরাসরি স্থানান্তরের সুযোগ থাকায় দূষণের সম্ভাবনা কম থাকে।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার সুবিধা: ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্কে দ্রবণ প্রস্তুত করে সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো যায়। 🧪
- সহজলভ্যতা ও সাশ্রয়ী: এই উপকরণগুলো প্রায় সকল ল্যাবে পাওয়া যায় এবং তুলনামূলকভাবে এদের দামও কম। 💰
অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় শ্রেষ্ঠত্ব: 🏆
মাপার চোঙ (Measuring Cylinder) বা বুরেট (Burette) ব্যবহার করে দ্রবণ dilution করা গেলেও কিছু অসুবিধা থাকে:
- মাপার চোঙের তুলনায় ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্কের দাগাঙ্কন (Calibration) অনেক বেশি সূক্ষ্ম।
- বুরেট ব্যবহার সময়সাপেক্ষ এবং জটিল।
পদ্ধতি: ⚙️
ধাপগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- প্রথমে, একটি পিপেটের সাহায্যে 0.10 molL-1 দ্রবণের নির্দিষ্ট পরিমাণ (যেমন: 10 mL) নিতে হবে।
- তারপর, সেই দ্রবণটিকে একটি ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্কে (যেমন: 100 mL) স্থানান্তর করতে হবে।
- ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্কে বিশুদ্ধ দ্রাবক (যেমন: পানি) যোগ করে ধীরে ধীরে 100 mL পর্যন্ত পূরণ করতে হবে এবং ভালোভাবে ঝাঁকাতে হবে।
গণনা: 🧮
যদি 10 mL 0.10 molL-1 দ্রবণকে 100 mL করা হয়, তাহলে নতুন দ্রবণের ঘনমাত্রা হবে:
M1V1 = M2V2
(0.10 molL-1) * (10 mL) = M2 * (100 mL)
M2 = 0.01 molL-1
সতর্কতা: ⚠️
- পিপেট ব্যবহারের আগে ভালোভাবে দেখে নিতে হবে যেন কোনো ফাটল না থাকে।
- ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্কের মুখ ছিপি দিয়ে ভালো করে বন্ধ করতে হবে।
- দ্রবণ মেশানোর সময় পর্যাপ্তভাবে ঝাঁকাতে হবে।
সংক্ষেপে: 📝
পিপেট ও ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্কের সমন্বিত ব্যবহার একটি নির???ভরযোগ্য এবং নির্ভুল পদ্ধতি। সঠিক কৌশল অবলম্বন করে খুব সহজেই পাতলা দ্রবণ তৈরি করা সম্ভব। 🎉
| যন্ত্র | সুবিধা | অসুবিধা |
|---|---|---|
| পিপেট | নির্ভুলভাবে তরল পরিমাপ করা যায় | ভঙ্গুর |
| ভলিউমেট্রিক ফ্লাস্ক | নির্দিষ্ট আয়তনের দ্রবণ তৈরি করা যায় | অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা যায় না |
| মাপার চোঙ | দ্রুত তরল পরিমাপ করা যায় | নির্ভুলতা কম |
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊
```