মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

রাজা মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা রাণী মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যার কত গুণ?

A. অর্ধেক
B. সমান
C. দ্বিগুণ
D. তিন গুণ
Poster Download
NITORজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর আচরণসহজাত আচরন (Topic Practice)NITOR - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. অর্ধেক
Explanation:

মৌচাকে তিন ধরনের মৌমাছি থাকে-- রানী, কর্মী ও স্ত্রী মৌমাছি।পুরুষ মৌমাছির ক্রোমোসোম(CHROMOSOME) সংখ্যা ১৬! ইস্ত্রী মৌমাছির CHROMOSOME সংখ্যা ৩২ মৌমাছি ফুল ও ফল থেকে মধু সংগ্রহ করে এবং মৌচাকে জমিয়ে রাখে, এই মধুতে আছে বিভিন্ন ঔষধের ও রোগ নিরাময়ের উপকরন।

Another Explanation (5):

রাজা ও রাণী মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা 🧬🐝

প্রশ্নটি হলো: রাজা মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা রাণী মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যার কত গুণ? উত্তর: অর্ধেক। নিচে এর একটি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ক্রোমোসোম এবং মৌমাছি: মূল ধারণা

  • ক্রোমোসোম: ক্রোমোসোম হলো বংশগতির ধারক ও বাহক। জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো এই ক্রোমোসোমের মাধ্যমেই এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে যায়।
  • মৌমাছি: মৌমাছি একটি সামাজিক কীট। এদের মধ্যে লিঙ্গ নির্ধারণ প্রক্রিয়া বেশ জটিল। রাণী মৌমাছি ও কর্মী মৌমাছি ডিপ্লয়েড (Diploid) এবং পুরুষ মৌমাছি বা ড্রোন হ্যাপ্লয়েড (Haploid) হয়।

রাজা ও রাণী মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যার তুলনা 👑👸

মৌমাছির লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি 'হ্যাপ্লো-ডিপ্লয়েড' (Haplodiploidy) নামে পরিচিত।

মৌমাছির প্রকারভেদ ক্রোমোসোম সংখ্যা বৈশিষ্ট্য
রাণী মৌমাছি (Queen Bee) ৩২ (ডিপ্লয়েড বা 2n) ফার্টিলাইজড ডিম থেকে জন্ম নেয়। নিষিক্ত ডিম থেকে স্ত্রী মৌমাছি (রাণী বা কর্মী) তৈরি হয়।
পুরুষ মৌমাছি/ড্রোন (Drone Bee) ১৬ (হ্যাপ্লয়েড বা n) নিষিক্ত ডিম ছাড়াই জন্ম নেয়। এরা অনিষিক্ত ডিম থেকে তৈরি হয়।

ব্যাখ্যা 🧐

যেহেতু রাণী মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা ৩২ এবং পুরুষ মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা ১৬, তাই বলাই যায় যে পুরুষ মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা রাণী মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক। গাণিতিকভাবে:

পুরুষ মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা / রাণী মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা = ১৬ / ৩২ = ১/২

হ্যাপ্লো-ডিপ্লয়েড পদ্ধতির সুবিধা 🧬➕➖

  • পুরুষ মৌমাছি সরাসরি মায়ের জিন পায়, ফলে দ্রুত বংশবৃদ্ধি সম্ভব হয়।
  • স্ত্রী মৌমাছ??? (কর্মী) রাণীর চেয়ে বেশি সম্পর্কিত, তাই কলোনির প্রতি তাদের আনুগত্য বেশি থাকে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ❗

এই হ্যাপ্লো-ডিপ্লয়েড পদ্ধতি মৌমাছির সামাজিক কাঠামো এবং বংশবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি তাদের জীবনচক্রের একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ।

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি রাজা ও রাণী মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করেছে। 😊

তথ্যসূত্র: বায়োলজি পাঠ্যবই এবং বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল 📚🔬

Option A Explanation: ```html
  • প্রজনন প্রক্রিয়ার মধ্যে মূল কারণ হলো যেসব প্রজনন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
  • অর্ধেক অপশনের মানে হলো একটি পরিমাণের অর্ধেক অংশ বা ভাগ।
  • এটি সাধারণত গণনায় ব্যবহৃত হয় যখন কোনও সম্পদ বা সংখ্যা অর্ধেকের মতো ভাগ করা হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনও সংখ্যার অর্ধেক নেওয়া হয়, তাহলে সেটি মূল সংখ্যার 50% বা একভাগ।
```
Option B Explanation:
  • প্রজনন প্রক্রিয়ার মধ্যে, দ্বিগুণ ক্রোমোসোম সংখ্যা সাধারণত প্রজননকারক রাণী মৌমাছির হয়, যা পুরুষ মৌমাছির তুলনায় বেশি।
  • তবে, মৌমাছির ক্ষেত্রে, রাণী মৌমাছির এবং রাজা মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা সমান হয়, কারণ তারা উভয়ই মূলত দ্বিগুণ ক্রোমোসোমের সাথে জন্মগ্রহণ করে।
  • এটি একটি বিশেষ জেনেটিক বৈশিষ্ট্য, যেখানে মৌমাছির সিস্টেমে পুরুষরা অর্ধেক ক্রোমোসোমের হয় এবং রাণী ও রাজারা দ্বিগুণ ক্রোমোসোম সম্পন্ন হয়।
  • অতএব, এই বৈশিষ্ট্য অনুসারে, রাণী মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা রাজার তুলনায় সমান থাকে।
Option C Explanation:
  1. প্রজননে মৌমাছির রাণী ও ডিমের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
  2. রাণী মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা সাধারণত ডিমের সংখ্যার দ্বিগুণ।
  3. মৌমাছির মধ্যে জেনেটিক বৈচিত্র্য ও বৈচিত্র্য বজায় রাখতে এই পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।
  4. ক্রোমোসোমের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার ফলে জেনেটিক উপাদান বেশি হয়, যা প্রজননে সহায়ক।
Option D Explanation:
  1. রাজা মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা সাধারণত রাণী মৌমাছির চেয়ে কম।
  2. তাদের ক্রোমোসোম সংখ্যার সম্পর্ক নির্ভর করে প্রজনন পদ্ধতির উপর।
  3. রাজা মৌমাছি সাধারণত ডিপ্লয়েড হয় না, বরং হোয়াইট বা অর্ধ-ডিপ্লয়েড হয়।
  4. এটি সাধারণত এক গুণ বা তার বেশি হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে তিন গুণ পর্যন্ত হতে পারে।
  5. তাই, ঘটে যেতে পারে যে রাজা মৌমাছির ক্রোমোসোম সংখ্যা রাণী মৌমাছির চেয়ে তিন গুণ বেশি।