মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

প্রতিদিন সন্ধ্যায় পাখির সঠিকভাবে ঘরে ফেরাকে বলা হয়-

A. মেনোট্যাক্সিস
B. নেমোট্যাক্সিস
C. টেলোট্যাক্সিস
D. জিওট্যাক্সিস 
Poster Download
RUUnit-DSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনপ্রজাতি, জীবগোষ্ঠী, জীব সম্প্রদায় (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. নেমোট্যাক্সিস
Explanation:

Another Explanation (5):

প্রতিদিন সন্ধ্যায় পাখির ঘরে ফেরা: নেমোট্যাক্সিসের একাডেমিক ব্যাখ্যা 🐦🏡

প্রতিদিন সন্ধ্যায় পাখির সঠিকভাবে চেনা পথে ঘরে ফেরা একটি জটিল আচরণ। একে নেমোট্যাক্সিস (Nematotaxis) বলা হয়। নিচে এর একটি বিস্তারিত একাডেমিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

নেমোট্যাক্সিস কি? 🤔

নেমোট্যাক্সিস হলো কোনো প্রাণী বা জীবের (যেমন পাখি) দিক নির্ণয় করে নির্দিষ্ট অভিমুখে (সাধারণত নিজের আবাস) গমন করার সহজাত ক্ষমতা। এক্ষেত্রে, পারিপার্শ্বিক পরিবেশের বিভিন্ন সংকেত (যেমন: গন্ধ, আলো, শব্দ, চৌম্বক ক্ষেত্র) ব্যবহার করে দিক ঠিক করা হয়। পাখির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ তারা দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করে সুনির্দিষ্টভাবে নিজেদের বাসায় ফিরতে পারে।

পাখির নেমোট্যাক্সিসের কারণসমূহ 🧭

পাখির নেমোট্যাক্সিসের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ সম্মিলিতভাবে কাজ করে:

  1. সূর্যের অবস্থান: পাখিরা সূর্যের অবস্থান দেখে দিক নির্ণয় করতে পারে। ☀️
  2. পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র: অনেক পাখি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে দিকনির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করে। 🧲🌍
  3. গন্ধ: কিছু পাখি গন্ধের মাধ্যমে চেনা পরিবেশ খুঁজে নেয়। 👃
  4. ভূ-সংস্থান (Landmark): পরিচিত পাহাড়, নদী বা অন্য কোনো ভূ-চিহ্ন দেখে পাখিরা পথ চেনে। 🏞️
  5. ইনফ্রাসাউন্ড (Infrasound): কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, পাখিরা খুব কম কম্পাঙ্কের শব্দ (যা মানুষ শুনতে পায় না) ব্যবহার করে দিক নির্ণয় করতে পারে। 🔈
  6. জন্মগত প্রবৃত্তি: পাখির মস্তিষ্কে জন্মগতভাবে কিছু দিকনির্দেশক তথ্য সেট করা থাকে। 🧠
  7. শেখা আচরণ: অল্প বয়সে বাবা-মা বা অন্য পাখির কাছ থেকে শেখা পথ চেনার কৌশল। 🐥👨‍👩‍👧‍👦

নেমোট্যাক্সিসের প্রকারভেদ 📊

নেমোট্যাক্সিসকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়:

  • ফটোট্যাক্সিস (Phototaxis): আলোর মাধ্যমে দিক নির্ণয়।
  • জিওট্যাক্সিস (Geotaxis): অভিকর্ষজ বলের মাধ্যমে দিক নির্ণয়।
  • কেমোট্যাক্সিস (Chemotaxis): রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে দিক নির্ণয়।
  • ম্যাগনেটোট্যাক্সিস (Magnetotaxis): চৌম্বক ক্ষেত্রের মাধ্যমে দিক নির্ণয়।

একটি উদাহরণ ছকের সাহায্যে: কবুতরের ঘরে ফেরা 🕊️

বিষয় বর্ণনা
সূর্যের অবস্থান দিনের বেলায় সূর্য কোন দিকে, সেটার ওপর নির্ভর করে দিক ঠিক করে।
চৌম্বক ক্ষেত্র পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়।
ভূ-সংস্থান রাস্তায় পরিচিত কোনো উঁচু বাড়ি বা গাছপালা মনে রাখে।
শেখা আচরণ অন্যান্য কবুতরের কাছ থেকে পথ চেনা শেখে।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় 📌

  • নেমোট্যাক্সিস একটি জটিল প্রক্রিয়া, যা পুরোপুরিভাবে এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে বোধগম্য নয়।
  • বিভিন্ন পাখির ক্ষেত্রে নেমোট্যাক্সিসের কৌশল ভিন্ন হতে পারে।
  • পরিবেশ দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পাখির নেমোট্যাক্সিস ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। 😥

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি নেমোট্যাক্সিস সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পারবে। 😊