বাড়িতে দুই বউ থাকার পরও বজলু চৌকিদার গত মাসে প্রথম স্ত্রীর অর্ধেক বয়সী আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। এ অল্প বয়স্কা বউকে বজলু কারো সামনে আসতে দেয় না। এর অন্যথা হলে বউকে কড়া শাসন করে। একদিন পাশের বাড়ির ছেলের সাথে কথা বলার অপরাধে ছোট বউকে শীতের রাতে ঘরের বাইরে বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় প্রথম বউ খুব কষ্ট পায়। সারা রাত সে ঘুমায় না, আবার কম বয়সী মেয়েটাকে ঘরে ডেকে নেবে এমন সাহসও পায় না।
উদ্দীপকের আলোকে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্র বিশ্লেষণ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- আরিফার বাবা মারা যাওয়ার পরে মায়ের স্নেহে চরম দারিদ্র্য সে লালিত-পালিত হয়। মা নিতান্তই বাধ্য হয়ে মধ্য বয়সি একজন লোকের সাথে আরিফার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়িতে আরিফা গিয়ে দেখে তার স্বামী মহশিনের আরেকজন স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। আরিফাকে কেন্দ্র করে সংসারে নতুন অশান্তি তৈরি হয়। বড়ো বউ কথায় কথায় আরিফার গায়ে হাত তোলে এবং সংসারের যাবতীয় কাজ তাকে দ্বারা করিয়ে নেয়। উপরন্তু বড়ো বউ আরিফার বিষয়ে স্বামীর কান ভারী করে। ফলে তার উপরে নেমে আসে অমানসিক নির্যাতন। আবার আরিফার স্বামী মহশিন চোরা কারবারির সাথে যুক্ত আছে, যে বিষয়টি আরিফা পুলিশকে জানিয়ে দেয়।উদ্দীপকে বর্ণিত বড়ো বউ এর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত রহিমা চরিত্রের তুলনা করো।
- দিন কাটিয়া যায়। জীবন অতিবাহিত হয়। ঋতু চক্রে পাক খায়। পদ্মার ভাঙন ধরা তীরে মাটি ধসিতে থাকে, পদ্মার বুকে জল ভেদ করিয়া জাগিয়া উঠে চর। অর্ধ শতাব্দীর বিস্তীর্ণ চর পদ্মার জলে আবার বিলীন হইয়া যায়। জেলেপাড়ার শিশুর ক্রন্দন কোনদিন বন্ধ হয় না। ক্ষুধা-তৃষ্ণার দেবতা, হাসি-কান্নার দেবতা,অন্ধকার আত্মার দেবতা ইহাদের পুজো কোনদিন সাঙ্গ হয় না।"উদ্দীপকটি 'লালসালু' উপন্যাসের। মন্তব্যটির মূল্যায়ন কর।
- কোনটি উপন্যাস নয়?
- করিম মুন্সীর স্ত্রী মোমেনা বেশ সহজ-সরল। স্বামীর প্রতিতার বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতা প্রবল। সাধারণ মানুষেরসারল্য ও খোদাভীতিকে পুঁজি করে তার স্বামী তাবিজ বিক্রিকরে এবং পানি পড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে।উদ্দীপকের মোমেনা 'লালসালু' উপন্যাসের 'কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- চোখে তার তেমনি শিকারির সূচাগ্র একাগ্রতা'- বুঝিয়ে লেখো।
- 'দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা' কথাটি কখন ও কোন প্রসঙ্গে করা হয়েছে।
- করিমন বাতের ব্যথায় জর্জরিত । ছোটো ছেলে কাদেরকেপাশের গ্রামের পিরের কাছে পাঠায় পানিপড়া আনতে ।লোক-বিশ্বাস কার্মেল পিরের পানি পড়ায় সর্বরোগেরঅবসান ঘটে.উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন দিকটি ফুটেউঠেছে?কুসংস্কার অন্ধবিশ্বাস পিরভক্তি নিচের কোনটি সঠিক?
- শনির হাওরের পারে গোটা কয়েক বাড়ি নিয়ে গিয়াসের গ্রাম। ঘর হতে দু'পা ফেলতেই হাও???ের শুরু, শেষটা চোখে আন্দাজ করা যায় না। ধান আর মাছ নিয়ে তাদের জীবন। বানের পানিতে ধান তলিয়ে গেলে তারা চোখে অন্ধকার দেখে। অসুখ-বিসুখে ওপাড়ার পিরের পানি আর তেল পড়াই তাদের ভরসা। গত বছর গিয়াস তার নিঃসন্তান স্ত্রীকে নিয়ে শহরে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিল। বেপর্দাভাবে স্ত্রীকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ায় পিরের বাড়িতে ডাক পড়ল গিয়াসের। তখন আতরের সুবাস আর আগরের ধোঁয়ায় পির সাহেবের মুখ দেখাই যাচ্ছিল না। যেনো অদৃশ্য কণ্ঠের ঘোষণা হলো গিয়াসকে গ্রাম ছাড়তে হবে। পিরের ঘোষণাপত্র তার সাগরেদরা তা বাস্তবায়ন করল।'উদ্দীপকের জনজীবন এবং মহব্বতনগর গ্রামের জনজীবনের চিত্র একই রকম।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও 'কারা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করেছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের ছোটো পুত্রবধূ 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে কীভাবে তুলনীয় বুঝিয়ে লেখো।
- “লালসালু” উপন্যাসে 'নলি' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- নয়ন গ্রামবাসীকে গণশিক্ষা দেওয়ার জন্য একতাবদ্ধ করে। কিন্তু মৌলবি সাহেব এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা ধূলিসাৎ করে দেয়।মৌলবির কর্মকান্ড 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের যে দিকটা ইঙ্গিত করে-ধর্মীয় গোঁড়ামিআধিপত্য রক্ষার চেষ্টাপশ্চাৎপদতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'প্রশ্নটি এইরকম যে মজিদের ইচ্ছা হয় একটা হুঙ্কার ছাড়ে।' মজিদের এই ক্ষোভ যার আচরণের প্রতিক্রিয়ায়-
- মজিদকে দেখে প্রথম জমিলার কী মনে হয়েছিল?
- ভণ্ড-প্রতারক হলেও মজিদ- আত্মপ্রতিষ্ঠায় আত্মপ্রত্যয়ীশিকড়সন্ধানী অস্তিত্ববাদী জীবন-সিদ্ধান্তে সাহসী নিচের কোনটি সঠিক?
- 'কোটরাগত নিমীলিত সে চোখে একটুও কম্পন নেই।'- উক্তিটিতে ফুটে উঠেছে-
- মহব্বতনগরের নতুন পীরের, আগমনকে তুলনা করা হয়েছে-
- ‘জয়গুন’ কোন উপন্যাসের চরিত্র?
- নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে ধলেশ্বরী গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরা। জীবিকা নির্বাহের আশায় তাদের অনেকেই ছুটেছে দূরদূরান্তে। অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও তারা ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর। ভাগ্য-বিরন্বিত এমনই এক যুবক ইদ্রিসের ঠাঁই হয় শহরের বস্তিতে। রিকশা চালানো দিয়ে জীবিকা শুরু করলেও অবৈধ ব্যাবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব-প্রতিপত্তিসহ এখন সে অভিজাত এলাকার বাসিন্দা।"উদ্দীপকের ইদ্রিস ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ উভয়ের মধ্যেই অস্তিত্ববাদী চেতনা প্রতিফলিত।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- তপু ভাগ্যান্বেষণে ঘুরতে ঘুরতে এসে হাজির হয় রাজধানী ঢাকায়। মিটফোর্ডে এক ফুটপাতে হোটেলে খেতে গিয়ে দেখতে পায় পাশের নর্দমায় অনেকগুলো ঔষধ পড়ে আছে। হোটেল বয়ের কাছে জানতে পারে এগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ কোম্পানি ফেলে গেছে। তার মাথায় বিদ্যুৎ খেলে যায়। সে ঐ ঔষধগুলো কুড়িয়ে নতুন প্যাকেটে মুড়ে কম দামে বিক্রি করতে থাকে। সাধারণ মানুষ কম দামে পেয়ে সরল বিশ্বাসে তার দোকান থেকে ঔষধ কিনে প্রতারিত হতে থাকে। আর তপু অল্পদিনে ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বনে যায়।উদ্দীপকের তপুর মাঝে ফুটে উঠেছে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চরিত্র- ব্যাখ্যা করো।
- গ্রামে পীর সাহেবের প্রভাব ছিল ব্যাপক। তিনি হুজুর কেল্লা নামে পরিচিত। ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায় জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ' বলিত। এই 'ফানাফিল্লাহ'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম' পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন। তাই জযবার সময় একখণ্ড কালো মখমল দিয়া পীর সাহেবের চোখ-মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাঁহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল। কিন্তু এমদাদ শিক্ষিত যুবক। সে সমাজের মানুষের এমন প্রশ্নহীন আনুগত্যে অবাক হয়ে যেত।পীর সাহেবকে 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে তুলনা করা যায়? কেন?
- 'কিন্তু মানুষের ফোড়া হইলে সে ফোড়া ধারালো ছুরি দিয়া কাটিয়ে হয়।' কে, কোন প্রসঙ্গে বলেছে?
- "লালসালু" উপন্যাসে ‘দেশটা কেমন মরার দেশ।’ কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?
- মানুষ বেঁচে থাকার জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করে। জীবনের শেষ ক্ষুদ্র অবলম্বনকেও বিসর্জন দিয়ে বাঁচতে চায়। কোনো প্রাণীই এর ব্যতিক্রম নয়। যেমন বাঘের ক্ষুধা সহ্যের মাত্রা অতিক্রম করলে আপন ছানাদের খেয়েও জীবন বাঁচায়।উদ্দীপকে 'লালসালু' উপন্যাসের বিশেষ কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- আটোয়ারী থানার 'বার আউলিয়া' নামক স্থানে বারোটি মাজার আছে। সেখানে বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ব্যবসা বাণিজ্য। নানারকম ব্যবসার মাঝে কিছু অসাধু ব্যক্তি ধর্মকে আশ্রয় করে মানুষ ঠকানোর কাজ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে নেয়।"ধর্ম কখনো কখনো একশ্রেণির ব্যক্তির ব্যবসার উপজীব্য হয়ে উঠেছে।" উদ্দীপকের কাহিনি ও পরিণতির চেয়ে উপন্যাসের কাহিনি ও পরিণতি অধিকতর বৈচিত্র্যময়- বিষয়টি তোমার মতামতসহ আলোচনা করো।
- কদম আলি একসময় 'মাল্টিপারপাস জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। চটকদার বিজ্ঞাপন আর লোভাতুর প্রচারণায় অল্প সময়ে সে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। অধিক মুনাফা লাভেল আশায় এলাকার অশিক্ষিত-অল্পশিক্ষিত খেটে খাওয়া মানুষ তার প্রতিষ্ঠানে অর্থলগ্নি করতে থাকে বছরের পর বছর যায়; কিন্তু জমাকারীরা লাভের মুখ দেখে না। নিকট অতীতে কদম আলির আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকলেও এখন সে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক। এলাকার এক শিক্ষিত তরুণ সাগর এক যুগ পর গ্রামে এসে দেখে কদম আলি সহজ- সরল মানুষকে কীভাবে প্রতারিত করে যাচ্ছে। সে দেরি না করে এলাকার উদীয়মান তরুণদের সুসংগঠিত করে কদম আলির প্রচারণা বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনে। প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে' কদম আলিকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।"উদ্দীপকের কদম আলি ও 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ একই মুদ্রার এপিঠ- ওপিঠ।"- বিশ্লেষণ করো।
- আটোয়ারী থানার 'বার আউলিয়া' নামক স্থানে বারোটি মাজার আছে। সেখানে বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ব্যবসা বাণিজ্য। নানারকম ব্যবসার মাঝে কিছু অসাধু ব্যক্তি ধর্মকে আশ্রয় করে মানুষ ঠকানোর কাজ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে নেয়।উদ্দীপকের 'অসাধু ব্যক্তি' লালসালুর কোন চরিত্রটিকে ইঙ্গিত করে, বর্ণনা করো।
- শামসুজ্জামানের বাবা অনাথ হাবিবকে লালনপালন করেন।শামসুজ্জামানের সঙ্গে তার চাচা মোতালেবের বিরোধবাধলে অর্থের লোভে মোতালেবের নির্দেশে হাবিবশামসুজ্জামানকে হত্যা করে ।সাদৃশ্যের কারণ হলো, উভয়ই- কৃতঘ্নক্ষমতালোভীঅর্থলোভীনিচের কোনটি সঠিক?
- “শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের চেয়ে আগাছা বেশি"- এই উক্তিটি করা হয়েছে-
- 'রুঠাজমি' কী?
- মজিদ ক্রোধে কেমন করে?
- “তোমার দাড়ি কই মিঞা”- উক্তিটি কাকে উদ্দেশ্যকরে বলা?
- মির্জা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুর পর বড়ো ছেলে হুমায়ুন অল্প বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। দুঃখের বিষয় এই যে, সিংহাসনে আরাহণের পরপরই নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তথাপি সাহসিকতার সঙ্গে তরুণ হুমায়ুন তাঁর শাসনককার্য চালিয়ে যান। হুমায়ুন তার অন্যান্য ভাইসহ আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে অসহযোগিতা পাওয়া সত্ত্বেও শক্ত হতে সবকিছু ধরে রাখতে সক্ষম হন।'আংশিক সাদৃশ্য থাকলেও হুমায়ুন ও সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক নয়।'- বিশ্লেষণ করো।
- ওনারে কন, খোদায় জানি আমার মওত দেয়।'- কে কার উদ্দেশ্যে উক্তিটি করে?
- দিনমজুর আবুল মিয়ার একমাত্র মেয়ে শাহানা। এখন সে বারো বছরের কিশোরী। চেহারাটা একটু রোগা বলে বয়সটা তার ঠিক কতো তা বোঝা যায় না। শাহানা খুব চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা। সে উচ্ছল ও হাস্যমুখর। হঠাৎ রইচ ঘটক পাশের গ্রামের রহম আলী নামে এক মধ্যবয়সী পাত্রের প্রস্তাব নিয়ে আসে। শাহানার পিতা অভাবের কথা ভেবে শাহানার বিয়ের এ প্রস্তাবে রাজি হয়। শাহানার দু'চোখে বিস্ময় ও ক্ষোভ। শাহানার স্বপ্নগুলো, রহম আলীর আচরণে ও রূঢ়তায় বিচূর্ণ হয়ে যায়।"উদ্দীপকের শাহানা ও 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার ভাগ্য একই সূত্রে গাঁথা।"- এ মন্তব্য কতটা গ্রহণযোগ্য? মূল্যায়ন করো।
- "এখন সে ঝড়ের মুখে উড়ে চলা পাতা নয়, সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ"- কেন?
- মাঠে পাকা ধান দেখে যাদের মনে ভক্তিভাব জেগে ওঠে মজিদের দৃষ্টিতে তারা কিসের পূজারী ?
- ‘তার আনুগত্য ধ্রুবতারার মতো অনড়, তার বিশ্বাস পবর্তের মতো অটল' এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
- 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসটি কার লেখা ?
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।'উদ্দীপকের হনুফা আর 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা একে অপরের পরিপূরক।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- কৃষক কোন মাসে ধান কেটেছিলেন?