ইথোলজির জনক কে ?
সঠিক উত্তরঃ
B.
নিকো টিনবার্জেন
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
ইথোলজি: আচরণবিদ্যার জনক এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনা 🐾
ইথোলজি (Ethology) হলো প্রাণীদের আচরণ নিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা। এই বিদ্যায় প্রাণীরা তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে কীভাবে আচরণ করে, তার জৈবিক এবং বিবর্তনীয় ব্যাখ্যা খোঁজা হয়।
ইথোলজির জনক: নিকো টিনবার্জেন 👨🔬
নিকোলাস "নিকো" টিনবার্জেন (Nikolaas "Niko" Tinbergen) ছিলেন একজন ডাচ প্রাণীবিজ্ঞানী ও পক্ষীবিদ। তাকে আচরণবিদ্যার (Ethology) অন্যতম জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৭৩ সালে তিনি কার্ল ফন ফ্রিশ এবং কনরাড লোরেন্জের সাথে যৌথভাবে ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।🏆
নিকো টিনবার্জেনের অবদান 📝
- আচরণ অধ্যয়নের চারটি প্রশ্ন (Four Questions of Ethology) প্রণয়ন করেন।
- প্রাণীদের সহজাত আচরণ (Innate behaviour) এবং শেখা আচরণের (Learned behaviour) মধ্যে পার্থক্য করেন।
- বিভিন্ন প্রাণীর আচরণ নিয়ে বিস্তৃত গবেষণা করেন, বিশেষ করে মাছ, পাখি ও কীটপতঙ্গ। 🐦 🐟 🦋
- আচরণের বিবর্তনীয় তাৎপর্য (Evolutionary significance) ব্যাখ্যা করেন।
আচরণের চারটি প্রশ্ন 🤔
- কারণ (Causation): আচরণের পেছনের তাৎক্ষণিক কারণগুলো কী?
- বিকাশ (Development): কীভাবে একটি আচরণ জীবনের শুরুতে বিকশিত হয়?
- কাজ (Function): কীভাবে আচরণ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য সহায়ক?
- বিবর্তন (Evolution): কীভাবে একটি আচরণ সময়ের সাথে বিবর্তিত হয়েছে?
ইথোলজির গুরুত্বপূর্ণ ধারণা 💡
| ধারণা | ব্যাখ্যা |
|---|---|
| ইনস্টিংক্ট (Instinct) | জন্মগত বা সহজাত আচরণ, যা শেখা লাগে না। 🐣 |
| লার্নিং (Learning) | অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অর্জিত আচরণ। 📚 |
| ইম্প্রিন্টিং (Imprinting) | জীবনের শুরুতে হওয়া বিশেষ ধরনের শিক্ষা, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়। 🐥❤️ |
| টেরিটরিয়ালিটি (Territoriality) | কোনো প্রাণী কর্তৃক তার আবাসস্থল রক্ষা করার প্রবণতা। 🦁👑 |
| সোশ্যাল বিহেভিয়ার (Social Behaviour) | একই প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যেকার আচরণ। 🐜🤝🐜 |
ইথোলজি আমাদের প্রাণীদের আচরণ বুঝতে এবং তাদের সংরক্ষণে সাহায্য করে। 🌍🌱
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া
আশা করি, এই আলোচনাটি ইথোলজি এবং নিকো টিনবার্জেন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করেছে। 😊
```Option A Explanation:
কোনরাড লরেঞ্জ সম্পর্কে তথ্য
- জন্ম ও মৃত্যু: ১৮৭৩ সালে জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- পেশা: তিনি একজন মনোভাব বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক।
- মূল অবদান: তিনি শারীরিক বিকাশ ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া বোঝার জন্য গবেষণা করেছেন।
- সর্বাধিক পরিচিত: তিনি "প্রাকৃতিক নির্বাচনের" তত্ত্বের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- অন্য কিছু: তিনি জার্মানির বিখ্যাত দার্শনিক ও বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত।
Option B Explanation:
- নাইকো টিনবার্জেন (Niko Tinbergen) একজন ডাচ জীববিজ্ঞানী ও অ্যানিমাল জনিত গবেষক ছিলেন।
- তিনি মূলত আচরণবিজ্ঞান (Ethology) এর জনক হিসেবে স্বীকৃত।
- তার কাজের মাধ্যমে তিনি প্রাণীর স্বভাব, আচরণ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে তাদের ক্রিয়াকলাপের বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- টিনবার্জেন তার গবেষণার জন্য ১৯৭৩ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যা তার জীবনের অন্যতম মহান সাফল্য।
- তার গবেষণার মাধ্যমে প্রাণীর আচরণের কারণ ও কার্যপ্রণালী বোঝার ক্ষেত্রটি ব্যাপকভাবে উন্নত হয়।
Option C Explanation:
- নাম: আই. পি. প্যাভলভ (Ivan Pavlov)
- পেশা: রাশিয়ার মনোবিজ্ঞানী এবং শারীরবিজ্ঞানী
- প্রসিদ্ধি: ক্লাসিক্যাল শিখন বা প্রতিক্রিয়ামূলক শিখনের গবেষণার জন্য বিশ্ববিখ্যাত
- মূল গবেষণা: তিনি শারীরবিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞানকে একত্রিত করে মানুষের এবং প্রাণীর স্বভাবজাত প্রতিক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন
- প্রসিদ্ধ গবেষণা পদ্ধতি: তিনি বিভিন্ন উদাহরণ ব্যবহার করে দেখিয়েছেন কিভাবে একটি নির্দিষ্ট সংকেত বা শব্দের সাথে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া যুক্ত করা যায়, যা পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে
- উপলব্ধি: প্যাভলভের গবেষণাগুলি আধুনিক মনোবিজ্ঞান এবং আচরণবিজ্ঞান ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে
Option D Explanation:
- কার্ল ভন ফ্রিস (Carl von Fritsch) একজন জার্মান মনোবিজ্ঞানী ও গবেষক ছিলেন।
- তিনি মূলত মনোবিজ্ঞান, বিশেষ করে আচরণবিজ্ঞান ও নিউরোলোজির ক্ষেত্রে অবদান রাখেন।
- তার গবেষণাগুলি মূলত নিউরোইমেজিং ও মস্তিষ্কের কার্যপ্রণালী বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- তবে, ইথোলজির (অর্থাৎ, অ্যালকোহলের গবেষণা) জনক হিসেবে তিনি পরিচিত নন।