রফিক ও শফিক দুই ভাই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। তবে প্রতিবছর ইদে জাকাত দেওয়া নিয়ে দুইজনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। রফিকের মতে জাকাতের টাকায় একাধিক শাড়ি, লুঙ্গি কিনে গরিবদের মাঝে বিতরণ করলে তাদের বস্ত্র চাহিদা লাঘব হবে এবং সে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলেও জনগণও তা অনুসরণ করবে। কিন্তু শফিক চায় এলাকার বস্তিতে কয়েকজন মহিলাকে সেলাই মেশিন কিনে দিলে বরং তারা কিছু আয় রোজগার করতে পারবে। আর এজন্য তিনি সব রকম সামাজিক প্রচারণার বিরোধী।
উদ্দীপকের শফিকের উদ্যোগটি সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য কতটুকু যুক্তিযুক্ত? 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধ অনুসারে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মেঘলা একজন জনপ্রিয় কলেজ শিক্ষক। একদিন তারছাত্রী রাবেয়ার বাবা মারা গেলে তার পরিবারটি একেবারে অসহায় হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় মেঘলা তার সহকর্মীদের সাথে কথা বলে রাবেয়াকে কুটির শিল্পের ব্যবসা করার প্রয়োজনীয় সব উপকরণ কিনে দেন। উদ্দীপকের মেঘলার কাজটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধালোকে কৌন ধরনের কাজ?
- উদ্দীপক ও উক্ত প্রবন্ধ যে দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ-বিষয়বস্তুর দিক থেকেমূলবক্তব্যের দিক থেকেসাংগঠনিক দিক থেকেনিচের কোনটি সঠিক?
- পরস্পর দুই বর্ণের মিলনকে কি বলে?
- কোনগুলো ওষ্ঠ্যদ্বনি?
- "আহবায়ক" শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
- লেখকের মতে, মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথে কেমন পৃথিবী রচনা সম্ভব?
- 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে নিচের হাত বলতে বোঝানো হযেছে-
- আবুল ফজল কত বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছিলেন?
- ‘অক্ষর' শব্দের কোন উচ্চারণটি শুদ্ধ?
- ' সংযম ' শব্দের সঠিক সাদ্ধি বিচ্ছেদ কোনটি
- এ বছরের কালবৈশাখী ঝড়ে বশিরের হালের গরু মারা যায় এবং ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। সবকিছু থাকার পরেও তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে, সে এলাকার চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যায়। চেয়ারম্যান সাহেব সবকিছু শুনে একজোড়া হালের বলদ কিনে দেয় এবং আবার নতুন করে চাষাবাদ শুরু করতে বলে। চেয়ারম্যান সাহেবের কথা মতো কঠোর পরিশ্রম করে মাত্র কয়েক মাসেই তার ঘরে, নতুন ফসল আসে।"পরিশ্রমই মর্যাদাপূর্ণ জীবনের পূর্বশর্ত।"-উদ্দীপক ও 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- জাতিকে কী-হিসেবে গড়ে তুলতে হবে?
- র্যাশনাল শব্দের অর্থ কী?
- নীচের কোনটি বিদেশী শব্দ নয়?
- মানব-কল্যাণ কখন মানব অপমানে পরিণত হয়?
- ’হ্ম’ এর বিশ্লিষ্ট রূপ-
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকটি কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সার্বিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ধনাঢ্য জামাল সাহেব এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষদের প্রচুর দানখয়রাত করেন। ছবি তুলে তিনি এসব দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার করেন। এলাকায় তিনি জনদরদি হিসেবে পরিচিত।জামাল সাহেবের দানখয়রাতকে কি মানব-কল্যাণ বলা হয়? 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- 'ষোড়শ' এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় কীভাবে?