মাইক্রো সেফারির জন্য দায়ী ভাইরাস
সঠিক উত্তরঃ
C.
Zika
Explanation:
ভাইরাস
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
ইবোলা ভাইরাস
ইবোলা ভাইরাস একসূত্রক RNA দ্বারা গঠিত। Ebola ভাইরাসের আক্রমণে দেহের কোষ ফেটে যায়।
জিকা ভাইরাস
জিকা একটি ফ্ল্যাভিভাইরাস যা Flaviviridae গোত্রের RNA ভাইরাস। বর্তমানে Aedes aegypti, A. albopictus মশকীর মাধ্যমে ছড়ায়। গর্ভবতী নারীদের দেহে জিকার সংক্রমণ হলে নবজাতক শিশু অপেক্ষাকৃত ছোট আর অপরিণত মস্তিষ্ক নিয়ে জন্মায়। চিকিৎসকের ভাষায় এ ত্রুটিকে মাইক্রোসেফালি বলা হয়।
নিপা ভাইরাস
নিপা ভাইরাস Paramyxoviridae পরিবারভুক্ত একটি RNA ভাইরাস যার গণ নাম Henipavirus। শ্বসন জটিলতায় মানুষ ও গৃহপালিত পশুপাখির মৃত্যু ঘটে।
SARS
COVID-19
চিকুনগুনিয়া
এটি এক প্রকার RNA ভাইরাসজনিত জ্বর। এ ভাইরাস a গোত্রভুক্ত। Aedes aegypti, A. albopictus মশকী দ্বারা ভারতীয় উপমহাদেশে এ রোগ ছড়ায়।
Option A Explanation:
- Ebola: ইবোলা ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগের কারণ যা প্রধানত মানবদেহে রক্তপ্রবাহ এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে।
- এটি একটি রেনোভাইরাস পরিবারের ভাইরাস, যা মূলত অরণ্য অঞ্চলের প্রাণীদের মধ্যে থাকতে দেখা যায়।
- ইবোলা সংক্রমণ সাধারণত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে শরীরের তরল মাধ্যমে, যেমন রক্ত, লালা, ঘাম, বা খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে।
- রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে জ্বর, ক্লান্তি, পেশী ব্যাথা, গলা ব্যাথা, বমি বমি ভাব, ডায়েরিয়া এবং হেমরেজিক ঘটনা অন্তর্ভুক্ত।
- প্রতিরোধে কোভিড-১৯ এর মত ভাইরাসের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সংক্রমণ রোধে সচেতনতা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- নিপাহ ভাইরাস: এটি একটি রেসোভার-ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস, যা প্রথম ভারতের নেপালে শনাক্ত হয়।
- প্রধান লক্ষণ: এটি সাধারণত জ্বর, মাথাব্যথা, গা-ব্যথা, ক্লান্তি, এবং চোখে লালভাবের মতো লক্ষণ দেখা দেয়।
- প্রাণীর সংস্পর্শ: মূলত বাদুড় (বাট) এই ভাইরাসের মূল সংক্রমণের উৎস, এবং এটি জনসংখ্যার মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে।
- মানুষের মধ্যে সংক্রমণ: সংক্রমণ হতে পারে সরাসরি জৈব পদার্থে স্পর্শ বা সংক্রমিত প্রাণীর নিঃসৃত থেকে।
- উপসর্গ ও জটিলতা: এটি নিউরোলজিক্যাল সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে যেমন মেনজাইটিস, এনসেফালাইটিস, এবং কখনো কখনো মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
- প্রতিরোধ ও চিকিৎসা: এখনও কোনও নির্দিষ্ট ভ্যাকসিন বা চিকিৎসা নেই; তবে রোগের দ্রুত নির্ণয় ও চিকিৎসা জরুরি।
Option C Explanation:
- Zika Virus: Zika ভাইরাস একটি এডেনো ভাইরাস যা মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
- প্রধানত: এটি মানুষের মধ্যে জ্বর, চোখে লালভাব, মাথা ব্যথা, ব্যথা ও গাঁটে ব্যথা, এবং চামড়ায় র্যাশ সৃষ্টি করে।
- বেশ কিছু ক্ষেত্রে, Zika ভাইরাসের সংক্রমণ মস্তিষ্কের বিকৃতি, বিশেষ করে স্নায়ুর ক্ষতি বা মাইক্রো সেফালির কারণ হতে পারে, যেখানে মাথার আকার ছোট হয়ে যায় বা মাথার বিকৃতি দেখা দেয়।
- এটি গর্ভবতী মহিলাদের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এটি গর্ভের শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
- নিয়মিত সতর্কতা এবং মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে Zika ভাইরাসের সংক্রমণ কমানো যায়।
Option D Explanation:
- অ্যাডিনো ভাইরাস: এটি একটি ডাবল স্ট্র্যান্ড ডিএনএ ভাইরাস যা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ সৃষ্টি করতে পারে।
- সংক্রমণের ধরণ: সাধারণত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, চোখের সংক্রমণ, গলব্লাডার সংক্রমণ এবং কখনো কখনো স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা সৃষ্টি করে।
- মাইক্রো সেফারির সাথে সম্পর্ক: অ্যাডিনো ভাইরাস মূলত শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে সহায়ক হতে পারে, যা শিশুদের মধ্যে সাধারণ।
- উপসর্গ: জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা, চোখের লালভাব, ডায়রিয়া ইত্যাদি হতে পারে।
- প্রতিরোধ: ব্যক্তিগত হাইজিন বজায় রাখা ও সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ।