সিনোসাইটিক কোষ একটি–
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ বিভাজনমাইটোসিস বা সমীকরণিক কোষ বিভাজন (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত প্রস্থ পর্দাবিহীন কোষ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: সিনোসাইটিক কোষ হলো একাধিক নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষ, যেখানে কোষ বিভাজনের পর নিউক্লিয়াস বিভক্ত হয় কিন্তু কোষপ্রাচীর বিভাজন হয় না। অপশন বিশ্লেষণ: A. একটি লম্বা কোষ: ভুল, কারণ এটি লম্বা হলেও মূল বৈশিষ্ট্য নিউক্লিয়াস সংখ্যা। B. নিউক্লিয়াসবিহীন কোষ: ভুল, কারণ এটি বিপরীত বৈশিষ্ট্যের। C. একাধিক নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট কোষ: ভুল, কারণ এতে আরও নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য আছে। D. বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত প্রস্থ পর্দাবিহীন কোষ: সঠিক, কারণ এটি বিভাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। নোট: সিনোসাইটিক কোষ ছত্রাক ও কিছু শৈবালের মধ্যে দেখা যায়।
Another Explanation (5): ```html
সিনোসাইটিক কোষের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য
সিনোসাইটিক কোষ হলো একটি বিশেষ ধরনের কোষ যা একাধিক নিউক্লিয়াস সমন্বিত। এই কোষটি সাধারণত প্রস্থ পর্দাবিহীন হয় এবং একাধিক নিউক্লিয়াস থাকার কারণে এটি বেশ ব্যতিক্রমী। নিচে এর বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা করা হলোঃ
সিনোসাইটিক কোষের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ✅ বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত: এই কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে।
- ✅ প্রস্থ পর্দাবিহীন: এর মূল অংশে প্রস্থ পর্দা থাকে না।
- ✅ উৎপত্তি প্রক্রিয়া: সাধারণত বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে কোষের সংযোগ বা বিভাজন ছাড়াই একত্রিত হয়।
- ✅ উদাহরণ: কিছু পেশী কোষ, যেমন হৃদপেশীর কোষ, এই ধরনের হতে পারে।
সিনোসাইটিক কোষের টেবিল:
| বিশেষতা | বর্ণনা |
|---|---|
| নিউক্লিয়াসের সংখ্যা | একাধিক (বহু) |
| প্রস্থ পর্দা | অবস্থিত নয় বা কম |
| উৎপত্তি | প্রাকৃতিক বা বিভাজনবিহীন একত্রিতকরণ |
| উদাহরণ | হৃদপেশীর কোষ, কিছু সরু পেশী কোষ |
সিনোসাইটিক কোষের এই বৈশিষ্ট্যগুলো এর কার্যক্ষমতা ও গঠনগত বৈচিত্র্যতা বোঝায়। এটি মূলত জীবের জৈবিক প্রক্রিয়ায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে। 😊✨
```Option A Explanation:
- একটি লম্বা কোষ সাধারণত দীর্ঘাকৃত বা রঙিন আকারে দেখা যায়, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অবস্থিত হতে পারে।
- এটি প্রায়শই স্নায়ুতন্তু বা নার্ভের কোষ হিসেবে পরিচিত।
- এই ধরনের কোষের দৈর্ঘ্য সাধারণত অন্যান্য কোষের তুলনায় বেশি হয়, যা তাদের কার্যকলাপের জন্য উপযুক্ত।
- এই কোষের ডান বা বাম দিকে এক বা একাধিক ডান্ডা বা আঙ্গুল থাকতে পারে, যা সংকেত বা তথ্য পরিবহন করে।
- এটি শরীরের স্বচ্ছন্দ্য ও কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়ক।
Option B Explanation:
- নিউক্লিয়াসবিহীন কোষ: এই ধরনের কোষে নিউক্লিয়াস বা কোষের কেন্দ্রস্থল থাকে না।
- এটি সাধারণত কিছু প্রকারের প্রোকার্যকারী কোষে দেখা যায়, যেমন রক্তের লোহিত রক্তকণিকা যখন তারা নিউক্লিয়াসহ থাকে, তখন তারা পরে নিউক্লিয়াসহীন হয়ে যায়।
- নিউক্লিয়াসবিহীন কোষের মধ্যে ডিএনএ বা জেনেটিক উপাদান থাকে না, তাই এই কোষগুলো সাধারণত বিভাজন বা নতুন কোষ তৈরিতে সক্ষম নয়।
Option C Explanation:
- একাধিক নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট কোষ: এই ধরণের কোষে একের অধিক নিউক্লিয়াস থাকে।
- এটি সাধারণত বৃহৎ বা জটিল কোষে দেখা যায়, যেমন শরীরের কিছু বিশেষায়িত কোষে।
- নিউক্লিয়াসের সংখ্যাবৃদ্ধি কোষের কার্যকলাপের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান বা জটিলতা নির্দেশ করে।
Option D Explanation:
- বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত: এই ধরনের কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে, যা সাধারণ কোষের তুলনায় অনেক বেশি নিউক্লিয়াস ধারণ করে।
- প্রস্থ পর্দাবিহীন: এই কোষের নিউক্লিয়াসের চারপাশে কোনো পর্দা বা ঝিল্লি থাকে না, ফলে নিউক্লিয়াসটি সরাসরি কোষের সিলেক্টেড অংশের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- উদাহরণ: পেশীর কোষ (Muscle cells) এই ধরনের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে, যেখানে বহু নিউক্লিয়াস থাকে এবং এগুলি সাধারণত পর্দাবিহীন হয়।