বিভিন্ন মুখের কোটি অশ্বারোহী এসে
খুরে খুরে ক্ষতময় করে গেছে সহনীয়া মাটি,
লালসার লালামাখা ক্রোধে বন্দুক কামান কত
অসুর গর্জনে চিরেছে আকাশ পরিপাটি,
বিদীর্ণ বুকনীল বর্ণ হয়ে গেছে তুমি, বাংলাভূমি।
'লালসার লালা মাখা ক্রোধে কীভাবে আমাদের হাজার বছরের ইতিহাসের পরিচয় খুঁজে পাওয়া যায়? উদ্দীপক ও 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার প্রেক্ষাপটে আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত ?
- ইদানীং সম্ভ্রান্ত পরিবারগুলো গৃহকর্মীর ওপর অমানবিকপাশবিক নির্যাতন করে থাকে। উদ্দীপকটিতে ফুটে ওঠা ভাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণচরণ কোনটি?
- নিতি নবরূপে ভরে মন জীবনের আশ্বাসে।প্রকৃতার্থে কবিতায় কবি জীবনের আশ্বাস খুঁজেছেন-কিংবদন্তির কথায়পূর্বপুরুষের কথায়সত্যশব্দের কথায়নিচের কোনটি সঠিক?
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেন বাঙালি জাতিকে মুক্তির কবিতা শোনালেন। বাঙালি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, শোষণ বঞ্চনার কথা তুলেধরে তিনি বলেন, 'বাঙলার ইতিহাস এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।' তিনি এক পর্যায়ে বাঙালি জাতিকে প্রতিবাদী আর সংগ্রামী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছে, রক্ত আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশা-আল্লাহ।' প্রধানত,- বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা।উদ্দীপকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বিচার করো।
- সুখ-সমৃদ্ধিতে ঐশ্বর্যময় এবং প্রাণৈশ্বর্যে ভরপুর এই সুন্দর দেশটি বগীর আক্রমণ থেকে শুরু করে বারবার শত্রুর লোলুপ দৃষ্টিতে পড়েছে। বিপর্যস্ত হয়েছে এ দেশের সহজ-সরল মানুষের জনজীবন, অর্থনৈতিক বুনিয়াদ এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। কিন্তু কোনো শত্রুর কাছে পরাভব মানেনি এ দেশের গণমানুষ। তাই তো যুগে যুগে আমরা দেখি, নূরলদীন-তিতুমীর-হাজী শরিয়তউল্লাহ-সূর্য সেন-প্রীতিলতা-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিস্ময়কর শক্তি-সাহস এবং শৌর্যবীর্য। হাজার বছর ধরে এ দেশের মানুষের রয়েছে রক্তে রঞ্জিত গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্য।"উদ্দীপকের এ দেশের হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিক্রমা 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার চৈতন্যগত দিকের সঙ্গে অভিন্ন।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- ‘সাতনরী হার’ কাব্যগ্রন্হটি কোন কবির রচনা?
- "পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করি নাকো আমি উদ্যাত কোনো খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসিমুখে বাজায়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস;আপস করিনি কখনোই আমি-এই হলো ইতিহাস।"উদ্দীপকে বর্ণিত সংগ্রামী চেতনা 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার ভাবসত্যকে কতোটা ধারণ করতে পেরেছে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- যে কবিতা শুনতে জানে না সে আজন্ম কী থেকে যাবে?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া?
- 'ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়'- বলতে কবি কী বুঝাতে চেয়েছেন?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় 'আজন্ম ক্রীতদাস' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'গর্ভবতী বোনের মৃত্যুর কথা বলছি'- এরপরের চরণ কোনটি?
- ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায়— যে গাভিরপরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে কী করে?
- কোনটি শওকত ওসমানের রচনা?
- কবির মতে কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কী?
- "আমি কিংবদন্তির কথা বলছি।" এখানে ’কিংবদন্তি' শব্দবন্ধটি কিসের প্রতীক?
- "তাঁর পিঠে রক্তজবার মত ক্ষত ছিল।"- বুঝিয়ে লেখো।
- "তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল"- ব্যাখ্যা করো।
- আমি যে এসেছি জয় বাংলার বজ্রকণ্ঠ থেকেআমি যে এসেছি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকেএসেছি আমার পিছনে হাজার চরণচিহ্ন ফেলেশুধাও আমাকে এতদূর তুমি কোন প্রেরণায় এলে?"উদ্দীপকের আলোকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূলভাব আলোচনা করো।