প্রতিটি ভাইরাস প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত-
সঠিক উত্তরঃ
A.
Nucleic acid and Capsid
Explanation:
Another Explanation (5):
ভাইরাসের গঠন: নিউক্লিক অ্যাসিড ও ক্যাপসিড 🧬
ভাইরাস🦠 প্রধানত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত: নিউক্লিক অ্যাসিড (Nucleic acid) এবং ক্যাপসিড (Capsid)। এটি ভাইরাসের মূল গঠন এবং কার্যকারিতা নির্ধারণ করে। নিচে এই দুটি অংশ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. নিউক্লিক অ্যাসিড (Nucleic acid) 🧬
- ভাইরাসের কেন্দ্রভাগে অবস্থিত এবং জেনেটিক উপাদান ধারণ করে।
- এটি DNA (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) অথবা RNA (রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) হতে পারে।🦠
- ভাইরাসের প্রকারভেদে DNA এক stranded বা দুই stranded হতে পারে, তেমনি RNA-ও এক stranded বা দুই stranded হতে পারে।
- নিউক্লিক অ্যাসিড ভাইরাসের বংশগতি🦠🧬 নিয়ন্ত্রণ করে এবং নতুন ভাইরাস তৈরিতে সাহায্য করে।
২. ক্যাপসিড (Capsid) 🛡️
- নিউক্লিক অ্যাসিডের চারপাশে প্রোটিন নির্মিত একটি আবরণ।
- ক্যাপসিড ছোট ছোট প্রোটিন ইউনিট দিয়ে তৈরি, যাদের ক্যাপসোমের (Capsomere) বলা হয়।
- এটি নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে এবং ভাইরাসকে🦠কোষের মধ্যে প্রবেশ করতে সাহায্য করে।
- ক্যাপসিডের গঠন বিভিন্ন ভাইরাসের🦠 ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন: হেলিক্যাল (Helical), আইকোসাহেড্রাল (Icosahedral) ইত্যাদি।
নিউক্লিক অ্যাসিড ও ক্যাপসিডের মধ্যে পার্থক্য: 📊
| বৈশিষ্ট্য | নিউক্লিক অ্যাসিড (Nucleic acid) | ক্যাপসিড (Capsid) |
|---|---|---|
| উপাদান | DNA অথবা RNA 🧬 | প্রোটিন 🛡️ |
| অবস্থান | ভাইরাসের কেন্দ্রে 🦠 | নিউক্লিক অ্যাসিডের চারপাশে 🛡️ |
| কাজ | জেনেটিক তথ্য বহন ও বংশগতি🦠🧬 নিয়ন্ত্রণ | নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করা এবং কোষের মধ্যে প্রবেশে সাহায্য করা 🛡️ |
ভাইরাসের গঠন এবং কাজ: একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র 🖼️
ভাইরাসের🦠🧬🛡️ গঠন তার বেঁচে থাকা এবং বংশবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিউক্লিক অ্যাসিড জেনেটিক তথ্য সরবরাহ করে, যা ভাইরাসের🦠🦠🦠 প্রতিলিপি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। ক্যাপসিড সেই জেনেটিক উপাদানকে রক্ষা করে এবং ভাইরাসকে🦠🦠🦠 কোষের মধ্যে প্রবেশ করতে সহায়তা করে।
আশা করি, এই আলোচনা থেকে তোমরা ভাইরাসের🦠🧬🛡️ গঠন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেয়েছ। Happy learning! 😊
Option A Explanation:
- Nucleic acid: এটি ভাইরাসের মূল জৈবিক উপাদান, যা ডিএনএ বা আরএনএ হিসেবে পরিচিত। এটি ভাইরাসের জেনেটিক তথ্য বহন করে এবং ভাইরাসের পুনরুত্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- Capsid: এটি ভাইরাসের আচ্ছাদন বা কেপসিড, যা প্রোটিনের তৈরি। কেপসিড ভাইরাসের জৈবিক উপাদানকে আচ্ছাদিত করে রাখে এবং এটি ভাইরাসের সুরক্ষা প্রদান করে। এটি ভাইরাসের আকার নির্ধারণে সহায়ক এবং জৈবিক ইঙ্গিত সরবরাহ করে যা ভাইরাসের বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation: ```html
- Capsid: এটি ভাইরাসের প্রোটিনের আবরণ, যা ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিডকে সুরক্ষা দেয়। ক্যাপসিডটি বিভিন্ন ধরনের প্রোটিনের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং ভাইরাসের আকার ও আকার নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।
- RNA: রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড, যা ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। এটি ভাইরাসের প্রজনন ও সংক্রমণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ভাইরাসের প্রজনন প্রক্রিয়াকে সক্ষম করে।
Option C Explanation:
নিউক্লিক অ্যাসিড এবং ডিএনএ
- নিউক্লিক অ্যাসিড: এটি জীবের জেনেটিক উপাদান সমূহের মূল অংশ। এটি ডিএনএ (DNA) বা আরএনএ (RNA) হিসেবে থাকতে পারে।
- ডিএনএ (DNA): ডিএনএ হলো ডিঅক্সিরিবোজা নিউক্লিক অ্যাসিড, যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে। এটি প্রজাতির বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ করে এবং জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
- DNA: ডিএনএ (ডিঅক্সিরিবোনিউক্লিক অ্যাসিড) হল জেনেটিক উপাদান যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে। এটি ডাবল হেলিক্স আকারে গঠিত এবং জীবের বৃদ্ধি, বিকাশ ও প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- RNA: আরএনএ (রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড) হল এক ধরনের নিউক্লিক অ্যাসিড যা প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়ক। এটি ডিএনএর অনুলিপি এবং ট্রান্সক্রিপশনের মাধ্যমে জেনেটিক তথ্য স্থানান্তর করে।
- প্রধানত: ভাইরাসের ক্ষেত্রে, DNA বা RNA তার জেনেটিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। কিছু ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান শুধুমাত্র DNA, আবার কিছু শুধুমাত্র RNA হিসেবে থাকে।
- সাধারণ বৈশিষ্ট্য: এই দুই উপাদান জীবের জেনেটিক নির্দেশনা বহন করে এবং ভাইরাসের প্রজনন ও কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য।