কোনটি ভাইরাস ঘটিত রোগ?
DU.7ClgScienceজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)DU.7Clg - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
ডেঙ্গু
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
ডেঙ্গু: একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ 🦟
ডেঙ্গু একটি এডিস মশা 🦟🦟 দ্বারা ছড়ানো ভাইরাসজনিত রোগ। এটি ডেঙ্গু ভাইরাস (DENV) দ্বারা সংক্রমিত হয়। এই ভাইরাস চার ধরনের হয়ে থাকে: DENV-1, DENV-2, DENV-3 এবং DENV-4।
ডেঙ্গুর কারণ 🦠
- এডিস মশার কামড় 🦟
- ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ 🩸
- অঙ্গ প্রতিস্থাপন (খুব বিরল)
ডেঙ্গুর লক্ষণসমূহ 🤒
- জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট পর্যন্ত) 🔥
- তীব্র মাথাব্যথা 🤕
- চোখের পিছনে ব্যথা 👀
- মাংসপেশী ও হাড়ে ব্যথা 🦴
- ত্বকে ফুসকুড়ি 🔴
- নাক বা মাড়ি থেকে রক্তপাত 🩸
- বমি বমি ভাব বা বমি 🤮
ডেঙ্গু রোগের পর্যায় 📊
| পর্যায় | সময়কাল | লক্ষণ |
|---|---|---|
| জ্বর পর্যায় | ২-৭ দিন | উচ্চ জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা 🤒 |
| সংকটকাল | ২৪-৪৮ ঘন্টা | জ্বর কমে যাওয়া, পেটে ব্যথা, ক্রমাগত বমি 🤢, রক্তপাত🩸 |
| আরোগ্য পর্যায় | ২-৩ দিন | শারীরিক দুর্বলতা, ত্বকে চুলকানি 😌 |
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় 🛡️
- ঘরবাড়ি ও আশেপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা 🧹
- জমে থাকা পানি সরিয়ে ফেলা (যেমন: টব, টায়ার, বালতি) 🪣
- মশার কামড় থেকে বাঁচতে লম্বা হাতাযুক্ত পোশাক পরিধান করা 👚
- মশারী ব্যবহার করা 🛌
- প্রয়োজনে মশা তাড়ানোর স্প্রে ব্যবহার করা 🦟🚫
চিকিৎসা 🩺
ডেঙ্গুর কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। लक्षणों के आधार पर চিকিৎসা করা হয়। প্রচুর পরিমাণে তরল পান করা এবং বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। गंभीर ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয় 💊🚫।
সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন! 😊
```Option A Explanation:
- কলেরা: এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ভাইরাসের পরিবর্তে ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae দ্বারা সৃষ্ট।
- প্রধান লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে দ্রুত ডিহাইড্রেশন, জলজুলুস, এবং গুরুতর জলশোষণজনিত সমস্যা।
- সাধারণত দূষিত পানি ও খাবার থেকে ছড়ায়।
- উপশমের জন্য rehydration therapy, অ্যান্টিবায়োটিক্স, এবং পরিষ্কার পানি ব্য???হারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
Option B Explanation:
- প্রকার: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
- প্রধান কারণ: Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়া
- প্রভাবিত অঙ্গ: ফুসফুস প্রধানত, তবে অন্য অঙ্গগুলোও হতে পারে
- লক্ষণ: দীর্ঘস্থায়ী কাশি, কাশির রক্ত, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, জ্বর ও রাতের ঘাম
- চিকিৎসা: এন্টিবায়োটিকের মাধ্যমে পুরো কোর্স সম্পন্ন করা জরুরি
- প্রতিরোধ: টিকা (BCG) ব্যবস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধি
Option C Explanation:
- ডিপথেরিয়া ভ্যাক্সিন প্রোটিন ভিত্তিক ভ্যাক্সিন, যা ক্লোনিং বা প্রোটিন সংযোজনের মাধ্যমে তৈরি হয়।
- এটি জীবাণুর নিষ্ক্রিয় বা মৃত অংশ থেকে নয়, বরং ডিপথেরিয়া টক্সয়েড (অর্থাৎ বিষাক্ত উপাদান) থেকে প্রস্তুত করা হয়।
- সাধারণত, ডিপথেরিয়া টক্সয়েডের জন্য টক্সয়েড ভ্যাক্সিন বলে পরিচিত, যা রোগের জীবাণু নয়, বরং তার বিষাক্ত পদার্থের অপ্রাণিত বা নিষ্ক্রিয় অংশ।
- এটি মানবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি করে, যা ডিপথেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- অতএব, ডিপথেরিয়া ভ্যাক্সিন জীবাণুর নিষ্ক্রিয় বিষাক্ত পদার্থ থেকে উৎপন্ন হয়।
Option D Explanation:
- প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
- কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
- প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
- প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
- চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।