মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

জীবদেহে পাইরুভিক এসিড ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরিত হয়-

A. দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে 
B. কোষে খাদ্য ঘাটতি হলে 
C. কোষ অক্সিজেনের অভাব হলে 
D. জীব ঘুমিয়ে থাকলে 
Poster Download
RUUnit-CSet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ শারীরতত্ত্বঅবাত শ্বসন (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. কোষ অক্সিজেনের অভাব হলে 
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

পাইরুভিক অ্যাসিডের ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তর: একটি ব্যাখ্যা 🧪

জীবদেহে, বিশেষ করে পেশী কোষে, পাইরুভিক অ্যাসিড ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হওয়ার ঘটনাটি ঘটে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া যা কোষের শক্তি উৎপাদনের সাথে জড়িত। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

কখন ঘটে? ⏰

  • কোষে অক্সিজেনের অভাব হলে (যেমন: অতিরিক্ত শারীরিক exertion বা ব্যায়ামের সময়)।
  • যখন গ্লাইকোলাইসিস (glycolysis) প্রক্রিয়ার গতি খুব বেড়ে যায়।
  • মাইটোকন্ড্রিয়া (mitochondria)-র কার্যকারিতা কমে গেলে।

কেন ঘটে? 🤔

মূল কারণ হলো NAD+ (নিকোটিনামাইড অ্যাডেনিন ডাইনিউক্লিওটাইড) এর অভাব। গ্লাইকোলাইসিস চলাকালীন NAD+ NADH-এ রূপান্তরিত হয়। এই NAD+ পুনরায় ব্যবহার করার জন্য ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরি হয়।

প্রক্রিয়াটি যেভাবে ঘটে: 🔄

  1. গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ ভেঙে পাইরুভেট (pyruvate) উৎপন্ন হয়।
  2. অক্সিজেনের অভাবে, পাইরুভেট ল্যাকটেট ডিহাইড্রোজিনেজ (lactate dehydrogenase) নামক একটি এনজাইমের মাধ্যমে ল্যাকটেটে রূপান্তরিত হয়। এই সময়ে NADH, NAD+-এ জারিত হয়।
  3. ল্যাকটেট কোষ থেকে রক্তে চলে যায় এবং লিভারে (liver) গিয়ে গ্লুকোনিওজেনেসিস (gluconeogenesis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরায় গ্লুকোজে রূপান্তরিত হতে পারে।

বিক্রিয়াটির সমীকরণ: ⚖️

পাইরুভেট + NADH + H+ <=> ল্যাকটেট + NAD+

গুরুত্ব 🌟

  • অক্সিজেনের অভাবের সময় ATP (এডিনোসিন ট্রাইফসফেট) সরবরাহ করে।
  • গ্লাইকোলাইসিস চালিয়ে যেতে NAD+ সরবরাহ করে।

অতিরিক্ত তথ্য ℹ️

ল্যাকটিক অ্যাসিড জমা হওয়ার কারণে পেশীতে ক্লান্তি (muscle fatigue) এবং ব্যথা হতে পারে। তবে, এটি দ্রুত শরীর থেকে অপসারিতও হয়ে যায়।

ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরির কারণ এবং প্রভাব 📊

কারণ প্রভাব
অতিরিক্ত ব্যায়াম 🏋️‍♀️ পেশীতে ব্যথা ও ক্লান্তি 😫
অক্সিজেনের অভাব 🫁 অস্থায়ীভাবে শক্তি উৎপাদন ⚡
কিছু রোগ 🤒 ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিস (Lactic acidosis) 🤕

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি পাইরুভিক অ্যাসিডের ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তর সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊

```
Option A Explanation:
  • দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়।
  • এই পরিস্থিতিতে, গ্লুকোজের দ্রুত ভেঙে যাওয়া শুরু হয়, যা মূলত গ্লাইকোলিসিসের মাধ্যমে ঘটে।
  • গ্লাইকোলিসিস প্রক্রিয়ায়, পিরুভিক এসিডের পরিবর্তে ল্যাকটিক এসিড উৎপন্ন হয়, কারণ অক্সিজেনের অভাবে সেলগুলো এভাবে ক্ষুদ্র রাসায়নিক পরিবর্তন করে।
  • এটি সাধারনত অ্যানারোবিক গ্লাইকোলিসিসের ফলস্বরূপ হয়, যেখানে অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ল্যাকটিক এসিডের উৎপাদন বেড়ে যায়।
  • অতএব, দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে কোষে ল্যাকটিক এসিডের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, যা শরীরের বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত।
Option B Explanation:
  • কোষে খাদ্য ঘাটতি হলে – যখন কোষে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য বা গ্লুকোজ উপলব্ধ থাকে না, তখন শরীরের কোষগুলি তাদের শক্তি উৎপাদনের জন্য বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করে। এই পরিস্থিতিতে, গ্লুকোজের অভাবে, গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাইরুভিক এসিড (Pyruvic acid) ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরিত হয়।
  • প্রক্রিয়ার কারণ: এই রূপান্তরটি অক্সিজেনের অভাবে কোষে শক্তি উৎপাদনের একটি অপ্রতুল মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যাতে কোষের জীবনীশক্তি বজায় থাকে।
  • প্রক্রিয়ার ফলাফল: ল্যাকটিক এসিডের বৃদ্ধি পেলে দেহে অস্থিরতা বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে, যা সাধারণত অ্যানারোবিক গ্লাইকোলাইসিসের ফলাফল।
Option C Explanation:
  • অক্সিজেনের অভাব: যখন দেহের কোষে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাওয়া যায় না, তখন তারা শক্তি উৎপাদনের জন্য অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করে।
  • গ্লুকোজের অপ্রতুলতা: অক্সিজেনের অভাবে গ্লুকোজের সম্পূর্ণ বিপাক সম্ভব হয় না, ফলে ল্যাকটিক অ্যাসিডের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
  • এনজাইমের পরিবর্তন: ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরিতে সহায়ক এনজাইম সক্রিয় হয়, যা গ্লুকোজের অর্ধপরিবাহিত রূপান্তরকে উৎসাহিত করে।
  • অর্থাৎ: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, দেহ দ্রুত শক্তি উৎপাদন করতে পারে, যদিও এটি অস্থায়ী এবং ল্যাকটিক অ্যাসিডের বৃদ্ধি দ্বারা পেটের অসুবিধা হতে পারে।
Option D Explanation:
  1. শ্রান্তি বা বিশ্রামকালীন সময়ে: যখন একজন ব্যক্তি ঘুমিয়ে থাকেন, তখন শারীরিক কার্যকলাপ কমে যায়। এর ফলে, কোষের জন্য অক্সিজেনের চাহিদা কমে যায়।
  2. উজ্জ্বলতা ও শক্তির অভাব: ঘুমের সময় শরীরে শক্তির অভাব হয়, যা কার্যকলাপ কমানোর জন্য দায়ী। এই সময়ে, শারীরিক প্রক্রিয়াগুলিতে পরিবর্তন আসে।
  3. অক্সিজেনের অভাবের জন্য: ঘুমের সময় দেহে রক্তপ্রবাহ ধীর হয়ে যায়, ফলে কোষে অক্সিজেনের সরবরাহ কমতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, শরীরের অপ্রয়োজনীয় কার্যকলাপ বন্ধ করে দেয়।
  4. প্রক্রিয়াজাতকরণ ধীরগতি: ঘুমের সময় জীবাণু বা অন্যান্য বিপরীতপ্রতিক্রিয়া কমে যায়, যাতে কোষের মধ্যে প্যাথোজেন বা ক্ষতিকারক উপাদানের ক্ষতি কম হয়।