মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

আলোর বিভিন্ন তীব্রতায় চোখের পিউপিলকে নিয়ন্ত্রণ করে কে?

A. কর্ণিয়া
B. কনজাংক্টিভা
C. রেটিনা
D. আইরিশ
Poster Download
JUUnit-DSet-3জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণমানব সংবেদী অঙ্গ - চোখ (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. আইরিশ
Explanation: চোখের পিউপিল নিয়ন্ত্রণে আইরিশ গুরুত্বপূর্ণ। অপশন বিশ্লেষণ: A: কর্ণিয়া চোখের সম্মুখ পৃষ্ঠ, পিউপিল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা নেই। B: কনজাংক্টিভা চোখের আবরণ, নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে না। C: রেটিনা আলোক সংবেদনশীল কোষ ধারণ করে। D: সঠিক উত্তর, কারণ আইরিশ পিউপিল সংকোচন ও প্রশস্ত করে। নোট: আইরিশ আলোর তীব্রতা অনুযায়ী পিউপিলের আকার নিয়ন্ত্রণ করে এবং আলো প্রবেশের পরিমাণ ঠিক করে।
Another Explanation (5): আলোর বিভিন্ন তীব্রতায় চোখের পিউপিলকে নিয়ন্ত্রণ করে আইরিশ। নিচে এর একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: আলোর তীব্রতা এবং পিউপিলের আকার 👁️‍🗨️ পিউপিল হলো চোখের মণির কেন্দ্রে অবস্থিত একটি ছিদ্র। এটি আলো প্রবেশ করতে দেয় এবং রেটিনার উপর আলো ফেলতে সাহায্য করে। পিউপিলের আকার পরিবর্তন হওয়ার মাধ্যমে চোখের মধ্যে প্রবেশ করা আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত হয়। এই কাজটি করে আইরিশ। আইরিশের গঠন 🧬 আইরিশ হলো পিউপিলের চারপাশের রঙিন অংশ। এটি মূলত দুটি স্তরের পেশী দিয়ে গঠিত: * স্ফিংটার পিউপিলি (Sphincter pupillae): এই বৃত্তাকার পেশীটি সংকুচিত হলে পিউপিলের আকার ছোট হয়ে যায় (মায়োসিস)। ⬇️ * ডাইলেটর পিউপিলি (Dilator pupillae): এই রেডিয়াল পেশীটি সংকুচিত হলে পিউপিলের আকার বড় হয়ে যায় (মিডриаসিস)। ⬆️ আলোর তীব্রতার সাথে পিউপিলের পরিবর্তন 🔆 আলোর তীব্রতা বাড়লে: * উজ্জ্বল আলোতে 💡 স্ফিংটার পিউপিলি পেশী সংকুচিত হয়। * ফলে পিউপিলের আকার ছোট হয়ে যায়। 🤏 * চোখের মধ্যে কম আলো প্রবেশ করে। * রেটিনা অতিরিক্ত আলো থেকে রক্ষা পায়।🛡️ আলোর তীব্রতা কমলে: * কম আলোতে 🔦 ডাইলেটর পিউপিলি পেশী সংকুচিত হয়। * ফলে পিউপিলের আকার বড় হয়ে যায়। 😮 * চোখের মধ্যে বেশি আলো প্রবেশ করে। * দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয়। নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া ⚙️ * আলোর তীব্রতা পরিবর্তনের সংকেত অপটিক নার্ভের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছায়। 🧠 * মস্তিষ্কের ইডিংগার-ওয়েস্টফাল নিউক্লিয়াস (Edinger-Westphal nucleus) থেকে প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভ ফাইবার সিলিয়ারি গ্যাংলিওন (ciliary ganglion) হয়ে স্ফিংটার পিউপিলি পেশীকে সংকুচিত করার নির্দেশ দেয়। * অন্যদিকে, সিম্প্যাথেটিক নার্ভ ফাইবার ডাইলেটর পিউপিলি পেশীকে সংকুচিত করার নির্দেশ দেয়। * এভাবে আইরিশ আলোর তীব্রতার ওপর নির্ভর করে পিউপিলের আকার নিয়ন্ত্রণ করে। পিউপিল রিফ্লেক্সের গুরুত্ব 🌟 পিউপিল রিফ্লেক্স (Pupillary light reflex) একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। এটি নিম্নলিখিত কারণে গুরুত্বপূর্ণ: * দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখা। 👀 * রেটিনার ক্ষতি থেকে রক্ষা করা। 🤕 * স্নায়বিক রোগ নির্ণয় করা। 👨‍⚕️ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পিউপিলের আকার পরিবর্তন 🚦 | পরিস্থিতি | পিউপিলের আকার | কারণ | | --------------------- | ------------- | -------------------------------------------------------------------------------------------------- | | উজ্জ্বল আলো | ছোট | রেটিনাকে অতিরিক্ত আলো থেকে রক্ষা করা | | কম আলো | বড় | বেশি আলো প্রবেশ করিয়ে দৃষ্টিশক্তি বাড়ানো | | আবেগ (যেমন ভয়) | বড় | সিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমের কারণে ডাইলেটর পিউপিলি পেশী সংকুচিত হয় | | কিছু ঔষধের প্রভাব | পরিবর্তনশীল | কিছু ঔষধ পিউপিলের আকার পরিবর্তন করতে পারে (যেমন, অ্যাট্রোপিন পিউপিলকে প্রসারিত করে) | | স্নায়বিক সমস্যা | অস্বাভাবিক | মস্তিষ্কের কিছু অংশের ক্ষতি হলে পিউপিল রিফ্লেক্স প্রভাবিত হতে পারে | সারণী: বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পিউপিলের আকার সুতরাং, আইরিশ পেশী এবং স্নায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে আলোর বিভিন্ন তীব্রতায় পিউপিলের আকার পরিবর্তন করে এবং দৃষ্টি প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে। ✅
Option A Explanation:
  • কর্ণিয়া: কর্ণিয়া হলো চোখের মূল বাহিরের অংশ, যা চোখের সামনের দিকের স্বচ্ছ, কাচের মতো জ্যামিতিক অংশ।
  • এটি চোখের আলোকসংবেদী অংশের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আলো প্রবেশের প্রথম স্তর।
  • কর্ণিয়া আলোককে ফোকাস করে এবং চোখের অভ্যন্তরে আলো পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত করে।
  • এটি একটি স্বচ্ছ টিস্যু, যা আবরণে সুরক্ষা দেয় এবং আলোর প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে।
Option B Explanation:
  • কনজাংক্টিভা: এটি চোখের অতিরিক্ত স্তর বা আবরণ যা চোখের আগার অংশে অবস্থিত।
  • মূলত এটি চোখের উপরের স্তর হিসেবে কাজ করে এবং চোখকে আর্দ্র ও সুরক্ষিত রাখে।
  • কনজাংক্টিভা চোখের বাহ্যিক অংশের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং চোখের ভিতরের অংশের সাথে সম্পর্কিত নয়।
  • এটি চোখের আঘাত বা সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা প্রদান করে।
Option C Explanation:
  • রেটিনা: চোখের ভেতরের পিছনের মুখস্থ অংশ, যা আলোকসংবেদনশীল কোষ দ্বারা গঠিত।
  • এটি আলোর সংকেতকে নিউরোনাল সংকেতে রূপান্তর করে, যা ব্রেইনে পাঠানো হয়।
  • রেটিনা বিভিন্ন ধরণের রিসেপ্টর কোষ দ্বারা গঠিত, যেমন রোড ও কোণার কোষ, যা আলোর পরিমাণ ও রঙের পার্থক্য বুঝতে সহায়ক।
  • এটি চোখের আলোকসংবेदनশীল অংশ হিসেবে কাজ করে এবং দৃষ্টির মূল কেন্দ্র।
Option D Explanation:
  • আইরিশ (Iris): আইরিশ হলো চোখের অঙ্গের একটি অংশ যা চোখের পৃষ্ঠের উপরে অবস্থিত এবং এটি রঙিন অংশ। এটি মূলত রঙ নির্ধারণ করে এবং চোখের আলো প্রবেশের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।