‘রক্তে আমার অনাদি অস্থি’ কবিতায় কয়টি নদীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে?
A. পাঁচটি
B. ছয়টি
C. সাতটি
D. আটটি
সঠিক উত্তরঃ
B.
ছয়টি
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়। উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি'কবিতার বৈসাদৃশ্য হলো-শব্দ প্রয়োগেছন্দ ব্যবহারেচিত্রকল্প ব্যবহারেনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘আত্মীয়সভা' কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
- বাংলাদেশের কুটির শিল্পকে সমৃদ্ধ করেছে নকশী কাঁথা। গ্রামের মেয়েরা সূচ-সুতার সাহায্যে অপূর্ব নকশা তোলে কাপড়ে। এই নকশী কাঁথা নিয়ে কাব্য রচিত হয়েছে। বিদেশে রপ্তানি হয় নকশী কাঁথা। এভাবে দরিদ্র মেয়েরা স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। শহরেও কুটির শিল্পের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এটি এখন একটি লাভজনক ব্যবসা। এর ফলে আমাদের লোকশিল্প তার হারানো গৌরব ফিরে পাচ্ছে।উদ্দীপকের অন্তর্নিহিত তাৎপর্যটি 'চাষার দুক্ষু' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'ফরাসি অধিকৃত' বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
- "স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;পড়ি কি ভূতলে শশী খান গড়াগড়িধূলায়?” – বাক্যটিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- প্রাচীন গ্রীসের স্থাপাত্য কলায় নন্দিত শহর কোনটি?
- বড়ো বয়সের মেয়ের সঙ্গে বাবা যে আমার বিবাহ দিলেন' তাহার কারণ --
- চার্বাক ছিলেন একজন—
- 'নকশি কাঁথার মাঠ', 'সোজন বাদিয়ার ঘাট', 'রঙিলা নায়ের মাঝি',‘রাখালি', 'বালুচর' ইত্যাদি জনপ্রিয় কাব্যের রচয়িতা কবিজসীমউদ্দীন কবিতায় নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করেছেন গ্রামেরঅবহেলিত মানুষের প্রাত্যহিক জীবন । উদ্দীপকটির কবি জসীমউদ্দীন 'ঐকতান' কবিতার আলোকেকোন ধরনের কবি?
- 'জীবন বন্দনা' কবিতার মূল ভাব-
- 'ঐকতান' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- শাক্যমুনি কে?
- ‘তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্যজাতির রোগ-দরিদ্রের ক্ষুধা কেহ বুঝে না’-কোন রচনা থেকে নেওয়া?
- ‘বটতলার উপন্যাস’ গ্রন্হের লেখকের নাম কী?
- বাংলার নিসর্গ প্রকৃতি এর মাঠ-ঘাট, মানুষ অতুলনীয় এবং বিশেষ আবেদনময়। যে জন এই নিসর্গ প্রকৃতি থেকে নগরের আহ্বানে সেখানে স্থায়ী বসতি গড়েন, তাকেও তার এক কালের পল্লি প্রকৃতি বারবার আকর্ষণ করে; ষড়ঋতু তার মনে আবেগের রংধনু তোলে। এর শাশ্বত কারণ হলো, মানুষ স্বভাবতই তার নিজ ভূমের প্রতি ঋণী।"প্রকৃতির চিত্র উপস্থাপনে উদ্দীপকের সাথে- জীবনানন্দ দাশ সমান পারঙ্গম।" উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
- রোকেয়ার মতে, নারী শিক্ষার লক্ষ্য কোনটি?
- ‘চাষার দুক্ষু’ গল্পে চাষীর উদরে অন্ন নেই কেন?
- নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই। প্রকৃতির যে ধর্ম মানুষের সে ধর্ম; পার্থক্য কেবল তরুলতা ও জীবজন্তুর বৃদ্ধির ওপর তাদের নিজেদের কোন হাত নেই, মানুষের বৃদ্ধির ওপর তার নিজের হাত রয়েছে। আর এখানেই মানুষের মর্যাদা। মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও। মানুষকে আত্মা সৃষ্টি করে নিতে হয়, তা তৈরি পাওয়া যায় না।উদ্দীপকটির সাথে 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের বিষয়গত অনৈক্য রয়েছে। আলোচনা কর।
- নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন কে?
- ‘কিত্তনখোলা’ নাটকটির রচয়িতা কে?