ব্যাকটেরিয়ার কোষগুলো -
সঠিক উত্তরঃ
B.
প্রোক্যারিওটিক
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: ব্যাকটেরিয়ার কোষ কোন ধরনের তা নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। ব্যাকটেরিয়া প্রোক্যারিওটিক কোষ যা নিউক্লিয়াসবিহীন এবং সরল গঠনবিশিষ্ট। অপশন বিশ্লেষণ: A. ইউক্যারিওটিক: ভুল, কারণ ইউক্যারিওটিক কোষের নিউক্লিয়াস এবং ঝিল্লিযুক্ত অঙ্গাণু থাকে। B. প্রোক্যারিওটিক: সঠিক, ব্যাকটেরিয়া নিউক্লিয়াসবিহীন প্রোক্যারিওটিক কোষ। C. মেজোক্যারিওটিক: ভুল, এটি কোনো স্বীকৃত কোষ প্রকার নয়। D. উল্লিখিত সবকয়টিতে: ভুল, কারণ ব্যাকটেরিয়া শুধুমাত্র প্রোক্যারিওটিক। নোট: প্রোক্যারিওটিক কোষগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নিউক্লিয়াসের অনুপস্থিতি এবং সহজ গঠনবিশিষ্ট DNA।
Another Explanation (5):
প্রশ্ন: ব্যাকটেরিয়ার কোষগুলো কি ধরনের?
ব্যাকটেরিয়া হলো একপ্রকার প্রোক্যারিওটিক কোষযুক্ত জীব। প্রোক্যারিওটিক কোষের বৈশিষ্ট্যগুলি নিম্নরূপ:
- 🧫 নির্দিষ্ট নিউক্লিয়াসের অভাব: ব্যাকটেরিয়ার কোষে একটি স্বতন্ত্র পরিপক্ব নিউক্লিয়াস থাকে না। এর পরিবর্তে, ডিএনএ সরাসরি কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থান করে।
- 🧫 সাধারণত ছোট আকারের: তাদের কোষের আকার সাধারণত খুবই ছোট, যা আধুনিক জীবের মধ্যে দ্রুত গতি ও বিস্তার সহজ করে তোলে।
- 🧫 অঙ্গপ্রতিম (অর্গানেলসের অভাব): ব্যাকটেরিয়ার কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, গুলজি অ্যাপারেটাসহ অন্যান্য জৈবিক অঙ্গপ্রতিম (অর্গানেলস) পাওয়া যায় না।
- 🧫 অতিসংবেদনশীল এবং সহজে বিকাশশীল: তারা বিভিন্ন পরিবেশে দ্রুত বেঁচে থাকতে সক্ষম।
সারাংশ
| বৈশিষ্ট্য | ব্যাকটেরিয়া |
|---|---|
| নিউক্লিয়াস | অস্তিত্ব নেই (প্রোক্যারিওটিক) |
| অঙ্গপ্রতিম | অস্তিত্ব নেই |
| আকার | ছোট |
| অভ্যন্তরীণ সংরচনা | সরল, জটিল নয় |
| উদাহরণ | ইশিয়োব্যাকটেরিয়া, স্টাফিলোকোকাস ইত্যাদি |
সুতরাং, ব্যাকটেরিয়ার কোষগুলো প্রোক্যারিওটিক। এটি তাদের মৌলিক বৈশিষ্ট্য ও অন্যান্য জীবের থেকে আলাদা করে তোলে। 🧬
Option A Explanation:
- ইউক্যারিওটিক কোষ: এই কোষগুলোতে একটি পরিপক্ব নীলনকশা বা নিউক্লিয়াস থাকে, যেখানে ডিএনএ (DNA) সংরক্ষিত হয়।
- গঠন: এদের কোষের ভেতরে বিভিন্ন অঙ্গাণু (অর্গানেল) থাকে, যেমন মাইটোকন্ড্রিয়া, গুল্জি অ্যাপারেটাস, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি।
- আকার: ইউক্যারিওটিক কোষ সাধারণত প্রোক্যারিওটিক কোষের তুলনায় বড় হয়।
- উদাহরণ: প্রাণী, উদ্ভিদ, ছত্রাক ও প্রোটিস্টের কোষগুলো ইউক্যারিওটিক।
- সাধারণ বৈশিষ্ট্য: জটিল গঠন ?? অঙ্গাণু সমৃদ্ধ, যা জটিল কার্যাবলী সম্পাদনে সক্ষম।
Option B Explanation:
- প্রোক্যারিওটিক কোষ: এটি এমন কোষ যা কোনও নিউক্লিয়াস বা পার্শ্বকোষীয় অঙ্গানু (অর্গানেল) ছাড়াই থাকে।
- গবেষণায়: প্রোক্যারিওটিক কোষের মধ্যে সাধারণত ব্যাকটেরিয়া ও আকারনামা শামুকের মতো অণুজীব থাকে।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: এদের জিনের অবস্থান সাধারণত সোজাসুজি সিলিন্ডার বা বলাকারভাবে মূল কোষের মধ্যে থাকে, কারণ এদের কোনও নিউক্লিয়াস নেই।
- সাইজ: সাধারণত এদের কোষের আকার ছোট, প্রায় ১-১০ মাইক্রোমিটার।
- উপকারিতা ও প্রভাব: অনেক প্রোক্যারিওটিক অণুজীব পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেমন পরিবেশের নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যচক্রে অংশগ্রহণ, এবং কিছু ক্ষেত্রে রোগের কারণ।
Option C Explanation:
- মেজোক্যারিওটিক হলো কোষের একটি ধরণ যা বৃহৎ আকারের এবং সাধারণত অনেক বেশি জটিল গঠন ও কার্যক্ষমতা সহ থাকে।
- এটি সাধারণত অনেক ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্গবিশিষ্ট কোষের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন কিছু উদ্ভিদ, প্রাণী ও ফাঙ্গাসের কোষ।
- মেজোক্যারিওটিক কোষের মধ্যে নিউক্লিয়াস (পরমাণু) স্পষ্টভাবে নির্দিষ্ট এবং আলাদা থাকে, যা ইউক্যারিওটিক কোষের বৈশিষ্ট্য।
- অর্থাৎ, মেজোক্যারিওটিক কোষের আকার বড়, গঠন জটিল এবং বিভিন্ন ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা উপাদান ধারণ করে থাকে।
Option D Explanation:
- ইউক্যারিওটিক: এই কোষগুলোতে ন núcleo বা কেন্দ্রকোষ থাকে, যেখানে ডিএনএ সংগঠিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, প্রাণী, উদ্ভিদ, ফাঙ্গি ইত্যাদি।
- প্রোক্যারিওটিক: এই কোষগুলোতে কেন্দ্রকোষ বা নিউক্লিয়াস থাকে না, এবং ডিএনএ সাধারণত সাইটোপ্লাজমের মধ্যে মুক্ত অবস্থায় থাকে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যাকটেরিয়া ও আর্কিয়া।
- মেজোক্যারিওটিক: এই কোষগুলো মধ্যম ধরনের হয়, যেখানে কিছু কাঠামো বা নিউক্লিয়াস থাকে কিন্তু পুরোপুরি ইউক্যারিওটিক নয়। এটি সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার কিছু বিশেষ ধরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।