সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মারা যান?
A. ১৮
B. ২১
C. ২০
D. ২৩
E. ২২
সঠিক উত্তরঃ
B.
২১
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কোন কাব্যগ্রন্থের কবিতা?
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ 'আকাল' সম্পাদনা করেন কে?
- ব্যাখ্যা করো: 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা।'
- এক সময়ে শহরের পাড়ায় পাড়ায় ছিল মাঠ। খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে কেটে যেত পলাশ ও কাজলের শৈশব কৈশোরের দূরন্ত দিনগুলো। লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের সুযোগ ছিল বরে তারা অসৎ সঙ্গে পড়ে বিপথে, যাননি। আজ বৃদ্ধ বয়সেও তাদের বন্ধুত্ব অটুট। একসঙ্গে প্রাতভ্রমণের সময়ে বিশ্রাম নেওয়া এবং খবরের কাগজ পড়া তাদের নিত্যদিনের অভ্যাস। একদিন 'খবরের একটি শিরোনামে দুজনারই চোখ আটকে যায়- 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ নগরবাসী।'উদ্দীপকের 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডব'- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি নির্দেশ করে? বর্ণনা করো।
- “আঠারো বছর বয়স" কবিতাটি কোন ছন্দে লিখিত?
- রাশেদ গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিতোলায় শ্রমিকনেতা জামালকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করাহয়। দারুণ অর্থকষ্টে পতিত হলেও জামাল হাল ছাড়ে না।দৃঢ় আত্মপ্রত্যায়ের সাথে শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্বারআন্দোলন গড়ে তোলে ।উদ্দীপকের শেষ লাইনের সঙ্গে নিচের কোন লাইনটিরভাবগত সাদৃশ্য রয়েছে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন সংঘের পক্ষে 'আকাল' কাব্যগ্রন্থ সম্পাদনা করেন?
- আমি গাই তারি গান-
- মালিহা আর নীলা সহপাঠী। দুজনই লেখাপাড়ায় বেশ ভালো। স্কুলজীবন পার হতে না হতেই নীলা মিশে যায় কিছু বখাটে বন্ধুর সাথে। এখানে তার শিক্ষাজীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। তার নাম শুনলে মেয়েরা আঁতকে ওঠে। অপরদিকে মালিহা কলেজ পেরিয়ে মেডিকেল কলেজে পড়ে। বাংলাদেশের অবহেলিত নারীদের অধিকার আদায়ে সে এখন কাজ করে। আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়। সংগঠিত করে সহপাঠী মেয়ে বন্ধুদের, আর প্রতিজ্ঞা করে জীবন দিয়ে হলেও নারীদের যথাযথ অধিকার প্রতিষ্ঠা করবেই।'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'-উক্তিটি উদ্দীপকের নীলার ক্ষেত্রে কীভাবে প্রযোজ্য? বুঝিয়ে দাও।
- আঠারো বছর বয়স ভয়ংকর কেন?
- বহুতল ভবন দয়াল টাওয়ারে আগুন লাগার পর কালো ধোঁয়ায় চারদিকে ছেয়ে যায়। উৎসুক মানুষের ভিড়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সগুলো ঠিকমতো চলাচল করতে পারছিল না। ঠিক তখনই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। হাতে হাত ধরে যান চলাচল ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছিল তারা।'আত্মত্যাগ ও মানবতা তারুণ্যের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।' উদ্দীপকে ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে মন্তব্যটি পর্যালোচনা করো।
- আঠারো বছর বয়সে কি উঁকি দেয়?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- ব্যাখ্যা করো।
- উড়ছে, উড়ছে অবিরামআমাদের হৃদয়ের রৌদ্র ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠেআমাদের চৈতন্যের মোর্চায়।…………….…………….…………….……………আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।উদ্দীপকের সাথে 'ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯' কবিতার চেতনাগত সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- 'আঠারো বছর বয়স' পথে-প্রান্তরে বহু কী ছোটায়?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- কিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।মানুষের হাতে অবাক সূর্যোদয়,যায় পুড়ে যায় মর্ত্যের অমানিশাশঙ্কার সংশয়।"উদ্দীপকের 'শঙ্কার সংশয়' যদি নেতিবাচক হতো তাহলে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কবির আশঙ্কাও উন্মোচিত হতো।"-মন্তব্যটির যৌক্তিকতা বিচার করো।
- ‘আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তরুণেরা শপথেরকোলাহলে কী সঁপে দেয়?
- 'আঠারাে বছর বয়স' কবিতার মূলসুর-
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- আঠারো বছর বয়স' কবিতার লেখকের নাম কী ?
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি।'- চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- আমরা নূতন যৌবনের দূতআমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুত।আমরা বেড়াভাঙি।আমরা অশোকবনেররাঙা নেশায় রাঙি।ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই-আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের 'আমরা করি ভুল' পংক্তির সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বিষয়ের সঙ্গতি রয়েছে? বর্ণনা কর।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'- ব্যাখ্যা কর।
- যেন গতিহীন, প্রাণহীন, সৃজনবিরাগী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রতিটি প্রাত্যহিক আজ। এ দেশের তরুপসমাজ এক অনিবার্য স্থবিরতায় ক্রমে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। মোবাইল ও মাদক তাদের এই অধঃপাতের প্রধান দুটি কারণ বলে মনে হয়। মানবজীবনে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য যে আত্মমর্যাদা, ব্যক্তিত্ব, স্বনির্ভরতা, দুরন্ত গতিবেগ, সৃজন, নির্ভীকতা, পরোপকার, অসাম্প্রদায়িকতা, সংস্কৃতিবোধ ও স্বদেশপ্রেম তা থেকে এ দেশের যুবসমাজ নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। পক্ষান্তরে গেমিং, টিকটক করা বা দেখা, অনলাইন আসক্তি এবং নানা রকম নেশা গ্রহণে তারা এখন ডুবে আছে। আসুন এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজি।উদ্দীপকের বর্তমান যুবসমাজ এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
- 'সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে'-এখানে তরুণদের কোন বিশেষ দিকটির প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে? বুঝিয়ে বলো।
- আঠারো বছর বয়স বেদনায় থরো থরো কাঁপে কেন?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- নিশান নামের ছেলেটির সম্ভাবনাময় জীবন আজ মাদকের নীল ছোবলে বিধ্বস্ত। নিশানের স্বপ্ন ছিল একদিন সে চিত্রশিল্পী হয়ে উঠবে। অথচ রংতুলির বদলে আজ তার আঙুলের ফাঁকে সিগারেট। এতদিনের স্বপ্নের ভুবন দুঃস্বপ্নের কালো ছায়ার অতল গহ্বরে বিলীন।"আঠারো বছর বয়স কবিতায় প্রাণশক্তির যে উদবোধন কবি প্রত্যাশা করেছেন তা উদ্দীপকে রূপায়িত নিশান চরিত্রের মাঝে অনুপস্থিত।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।'-উক্তিটির অর্থ কী? ব্যাখ্যা করো।
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যরে মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদায়ী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।উদ্দীপকের বক্তব্যের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য নির্দেশ করো।
- "আঠারো বছর বয়স" কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই যাহার শক্তি অপরমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়; বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।উদ্দীপকের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্যমূলক আলোচনা করো।
- বহুতল ভবন দয়াল টাওয়ারে আগুন লাগার পর কালো ধোঁয়ায় চারদিকে ছেয়ে যায়। উৎসুক মানুষের ভিড়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্সগুলো ঠিকমতো চলাচল করতে পারছিল না। ঠিক তখনই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। হাতে হাত ধরে যান চলাচল ও অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছিল তারা।উদ্দীপকে বর্ণিত শিক্ষার্থীদের চরিত্রে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত কোন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করে বলেছেন, 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং হুড়াইতে ছড়াইতে আহার অন্ত'। কারণ, তাঁর কাছে যৌবন হলো অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক। যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে। সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ওম ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে। 'সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে' উদ্দীপকের এই উক্তির আলোকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি” বলতে বোঝায় ব্যক্তির -চিন্তা-চেতনার উন্মেষপরনির্ভরতা ত্যাগ করাআত্ম-প্রত্যয়ী হয়ে ওঠানিচের কোনটি সঠিক?
- 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- কোনটি কবির প্রত্যাশার মধ্যে পড়ে না ?
- মচমইল বাজারে প্রকাশ্যে তিনজন সন্ত্রাসী আক্রমণ করে তালেব মাস্টারকে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মোটরসাইকেলযোগে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এমন সময় ঘটনাস্থলে এসে পড়ে সাহসী এক তরুণ ফিরোজ। সে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে এবং একজনকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়। ফিরে এসে দেখে মাস্টার তখনও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসছে না, পুলিশি ঝামেলার ভয়ে। ফিরোজ কোনো কিছু না ভেবেই মাস্টার মশাইকে নিয়ে যায় মেডিকেলে।উদ্দীপকের ফিরোজের মানসিকতার যে দিকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মধ্যে বিদ্যমান তা ব্যাখ্যা করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম কোন জেলায়?