‘নূররদীনের কথা মনে পড়ে যায়’ কাব্যনাট্যাংশে জ্যোৎস্নার সাথে কী ঝরে পড়ে?
A. নদীর অশ্রু
B. স্মৃতির দুধ
C. পাহাড়ি ঢর
D. আমার স্বপ্ন
সঠিক উত্তরঃ
B.
স্মৃতির দুধ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘চাষার দুক্ষু’ প্রবন্ধে কোন অঞ্চলকে ধান ও পাটের জন্য বিখ্যাত বলা হয়েছে?
- ’রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটি কোন যুদ্ধের পটভুমিতে রচিত?
- বনচারী বাতাসের তালে কী দোলে?
- ইশান একজন এম.এ পাস যুবক। প্রচলিত ধ্যান-ধারণার সাথে কখনই সে একমত হতে পারে না। তাই তার বন্ধুরা যখন আচার সর্বস্ব ধর্মের আনুষ্ঠানিকতা পালন করে তখন সে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখে। সে নিজের অন্তরধর্ম থেকে অনুভব করেছে সৃষ্টিকর্তা সর্বত্র বিরাজমান। আকাশে খুঁজে তাঁকে পাওয়া যায় না। মানুষের মাঝে তাঁকে খুঁ???তে হবে।"উদ্দীপকের 'ইশানের' তুলনায় 'সাম্যবাদী' কবিতার কবির চেতনা আরও বেশি গভীরে নিহিত।" আলোচনা কর।
- হৈমন্তীর ননদের নাম কী ছিল?
- মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত SIM এর পূর্ণরূপ হলো-
- 'কোহিনুর' দেখতে সকলে কোথায় ভিড় করে?
- জীবন-বন্দনা' কবিতাটি কোন্ ছন্দে রচিত?
- 'একটি তুলসী গাছের কাহিনী' রচনায় গল্প-প্রিয় চরিত্র কোনটি?
- 'এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির কাবা নাই'- ব্যাখ্যা করো।
- জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর বাংলাদেশের কোন শহরে অবস্থিত?
- ‘ইউসুফ জোলেখা’ কাব্যের লেখক কে?
- কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে-
- ‘জাহান্নম হইতে বিদায়’ শওকত ওসমান রচিত একটি-
- সুন্দরীপাড়া গ্রামের আকাশে সূর্যোদয়ে তৈরি হয় অপরূপ একদৃশ্য। গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদী অফুরন্তমমতারসে সিক্ত করে তুলেছে দু'পাড়ের গাঢ় সবুজ প্রকৃতি ওজনজীবনকে।উদ্দীপকের সাথে ‘এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতারকোন ভাবগত সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? নদীর প্রভাবপ্রকৃতির রূপমুগ্ধতানদীকেন্দ্রিক জনজীবননিচের কোনটি সঠিক?
- কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক..... দাঁত ভাল থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এল। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু।উদ্দীপকের নিমগাছটি 'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধের ক্ষেত্রে কতটা প্রাসঙ্গিক আলোচনা করো।
- ওই যে দাঁড়ায়ে নতশিরমুক সবে, ম্লান মুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীরবেদনার করুণ কাহিনী; স্কন্ধে যত চাপে ভারবহি চলে মন্দগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার-তার পরে সন্তানেরে দিয়ে যায় বংশ বংশ ধরি,নাহি ভর্ৎসে অদৃষ্টেরে, নাহি নিন্দে দেবতারে, স্মরি,মানবেরে নাহি দেয় দোষ, নাহি জানে অভিমান,শুধু দুটি অন্নখুঁটি কোনমতে কষ্টক্লিষ্ট প্রাণরেখে দেয় বাঁচাইয়া।উদ্দীপকে 'ঐকতান' কবিতার ভাবার্থ পরিপূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়েছে কিনা আলোচনা কর।
- রেদওয়ান তরুণ প্রতিভাবান কবি-সাহিত্যিক হিসেবে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছে। যদিও আর্থিক অনটনের মধ্য দিয়ে সে জীবন-যাপন করছে, তবু সে কখনো নিজেকে দরিদ্র মনে করে না। কেননা সে জানে, তার চিন্তা-চেতনার রাজ্যে সে নিজেই সম্রাট । আপন চেতনালোকে সে লালন করে ভিন্ন এক পৃথিবী; যেখানে রূপ-সৌন্দর্য ও মাধুর্যে সে হয় অভিভূত। আর সেই রূপ- সৌন্দর্য এবং মাধুর্যেই তরুণ কবি রেদওয়ান সৃষ্টি করে তার প্রতিটি কবিতা।"উদ্দীপকটিতে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে তা 'লোক-লোকান্তর' কবিতার সার্বিক বিষয় নয়"- যুক্তিপূর্ণ মতামত দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
- ‘মায়াবী প্রহর’ নাটকটি কার রচনা?
- আমার চেতনা যেন একটি ___ সত্যিকার পাখি । শূন্যস্থানে কী বসবে?