"অপরিচিতা" গল্পের নায়িকার নাম কী?
A. মৃন্ময়ী
B. শশীমুখী
C. ইন্দ্রাণী
D. কল্যাণী
সঠিক উত্তরঃ
D.
কল্যাণী
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'ঠাট্টার সম্পর্কটাকে স্থায়ী করিবার ইচ্ছা আমার নাই।' উক্তিটি-
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?
- রতন' কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের চরিত্র
- 'অপরিচিতা' গল্পে রেলকর্মচারী কতটি টিকিট বেঞ্চেঝুলিয়েছিল?
- "মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে" - উক্তিটি কার?
- "ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯" কবিতায় 'কৃষ্ণচূড়া ' কিসের প্রতীক?
- "অপরিচিতা গল্পটি" কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরবাড়ি বাংলাদেশের-
- কোনটি সমষ্টিবোধক শব্দ নয়?
- এম.এ. পাস রফিক বন্ধুদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথাবার্তা বলার সময় বলে নিজের পায়ে না দাঁড়িয়ে বিয়ে নয়। কিন্তু পিতৃহীন রফিক চাচার সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে না। পর সম্পদ লোভী চাচার আদেশে তাকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। নিজের মতামত প্রকাশের মানসিক দৃঢ়তা না থাকার কারণে বিয়ে বাড়ীতে যৌতুকের মালামাল নিয়ে লোভী চাচার প্রশ্নের কারণে বিয়ে ভেঙ্গে যায়। রফিকও চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিয়ে বাড়ী থেকে অসহায়ের মত চলে আসে।দৃঢ়তার অভাবে রফিক নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে চাচার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে এ সিদ্ধান্তের সাথে তুমি কি একমত?
- 'বিদ্রোহী' কবিতায় কবি কার হাতের বাঁশরী?
- 'থাকিবার মধ্যে ভিতরে আছেন মা এবং ??াইরে আছেনমামা।'— অনুপমের এ উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে তার-অপারগতাপরনির্ভরতাব্যক্তিত্বহীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- বিবাহ ভাঙার পর হতে কল্যাণী কোন ব্রত গ্রহণ করেছে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'স্ত্রীর পত্র' গল্পের মেজো বউ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ জানিয়ে সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। সে সমাজের শৃঙ্খল ও সংসারের জাল ছিন্ন করেছে। মেজো বউয়ের শেষ কথা ছিল'- তোমাদের গালিকে 'আমি আর ভয় করিনে। আমার সম্মুখে আজ নীল সমুদ্র, আমার মাথার উপরে আষাঢ়ের মেঘপুঞ্জ।উদ্দীপকের মেজো বউ 'অপরিচিতা' গল্পের যে দিকটি তুলে ধরেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক কোনটি?
- অতুলনীয় মাতৃস্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃস্নেহের প্রাবাল্যে মানুষ আপনাকে হারাইয়া আসল শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না- দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।"উদ্দীপকের ইতিবাচক মর্মার্থ উপলব্ধির মানসিকতাই 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের পরিবর্তিত জীবনভাবনার উপায় হিসেবে কাজ করেছে।"- মন্তব্যটির সার্থকতা বিচার করো।
- ‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি-
- 'অপরিচিতা' গল্পের বিয়ের অনুষ্ঠানে কন্যার গয়না মাপার ঘটনায় কিসের প্রকাশ ঘটেছে?
- বাংলাদেশের অনেক পরিবার যৌতুকের জন্য পুত্রবধূকেনির্যাতন করে। এম??ই নির্যাতনের শিকার মমতা। মমতাতার স্বামী ও স্বামীর পরিবারের সকলকে বোঝানোর চেষ্টাকরে কিন্তু স্বামীর পরিবারের লোকজন তো দূরের কথাতার স্বামীই কিছু বুঝতে চায় না। তাই মমতা বাধ্য হয়েস্বামী-সংসার ত্যাগ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েশিক্ষক হিসেবে চাকুরি গ্রহণ করে। উদ্দীপকের মমতা তোমার পঠিত কোন চরিত্রেরপ্রতিনিধিত্ব করে?
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষ তুলে ধরেছেন সুচারুরূপে। এ নাটকে তিনি দেখিয়েছেন ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়। অন্তত তাঁর নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজজীবনের মধ্যে বিকাশ ও প্রতিষ্ঠা। উল্লিখিত সাদৃশ্য বিবেচনার ভিত্তি হলো - নারী ব্যক্তিত্বের উন্মেষনারীর আত্মোপলব্ধি ও আত্মপ্রতিষ্ঠানারীর প্রতি পুরুষশাসিত সমাজের বৈষম্যনিচের কোনটি সঠিক?
- অনুপমের বিয়ে সম্বন্ধে মামা আর কথা তোলেননি কেন?
- 'অপরিচিতা' গল্পের নায়কের বন্ধুর নাম কী?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপরিচিতা গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশ হয়?
- গৌরী ও সঞ্জয় অনেক দিন ধরে একই অফিসে চাকরি করছে কিন্তু সহকর্মীরা জানে না দুজনার অন্তরে গভীর ক্ষত। গৌরীকে নিজে পছন্দ করে বিয়ে করতে চেয়েছিল সঞ্জয়। বছর পাঁচেক আগে লোক খাওয়ানো নিয়ে বিয়ে ভেঙেছে তাদের। পিতৃহীন সঞ্জয় কাকার আশ্রয়ে মানুষ তাই তার দোষ জেনেও প্রতিবাদ করতে পারেনি। একদিন গৌরীর কাছে নিজের অসহায় অবস্থার কথা তুলে ধরে সঞ্জয়। বলে, তার জন্য সে সারা জীবন অপেক্ষা করবে। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে গৌরী বলে, 'কী দরকার, এই তো বেশ আছি।'"এই তো বেশ আছি!'-গৌরীর এই উক্তিতে 'অপরিচিতা' গল্পের পরিণতি প্রতিফলিত হয়েছে"- উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- ’অপরিচিতা’ গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- অনুপমের বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পরে মামা মামলাকরার পরিকল্পনা করেছিলেন কীসের জন্য?বিবাহের চুক্তিভঙ্গেআর্থিক ক্ষতি পোষাতেমানহানির দাবিতেনিচের কোনটি সঠিক?
- কারো ঘর ভাঙে ঝড়েকারো সংসার পুড়ে যায় যৌতুকের আগুনে।কেউ করে হায় হায়, বাপ-মা কাঁদেমেয়েকে বিয়ে দিতে হয়-পড়ে যৌতুকের ফাঁদে।করবে না বিয়ে সোনালি নিজেকে করে পণ্যএটা তার পণ সোনালি জীবনের জন্য।'উদ্দীপকের 'সোনালি' 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রকে ইঙ্গিত করে? বর্ণনা করো।
- ‘আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়’-পরের লাইনটি কী?
- প্রজাপতির দুই পক্ষ। বরপক্ষ এবং কন্যাপক্ষ। বরপক্ষ কন্যাপক্ষের কাছে নগদ পঞ্চাশ হাজার। টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার চেয়ে বসল। নিত্যানন্দ রায় কোনো কিছু বিবেচনা না না করে তাতেই মেয়ের বিয়ে দিতে সম্মত হয়ে গেল। তার মতে, এমন শিক্ষিত। ছেলে আর বনেদি পরিবার কিছুতেই হাতছাড়া করা যায় না। তার ইচ্ছায় যথারীতি আশীর্বাদ পর্ব শেষে শুভ বিবাহের দিন ধার্য হয়ে গেল। নিত্যানন্দ অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিয়ের যাবতীয় আয়োজন সম্পন্ন করার পরও নিতান্ত এক তুচ্ছ কারণে বিয়ের আসরেই এই বিয়ে ভেঙে যায়।তুমি কি মনে করো যৌতুক প্রথাই বিয়ে ভেঙে যাওয়ার একমাত্র কারণ? উদ্দীপক ও 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে বিচার করো।
- ২০১৪ সালে সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশের কত বছর পূর্ণ হয়?
- রবীন্দ্রনাথের 'মুক্তধারা':
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতি স্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনায়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পুরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে যে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয় মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়ে যায়।"উদ্দীপকে বর্ণিত মাতৃস্নেহের আধিক্যে অনুপম চরিত্রের বিকাশ ব্যাহত হয়েছে ঠিকই কিন্তু গল্পের পরিণতিতে বৃত্তভাঙা ভিন্ন এক ব্যক্তি হিসেবে তাকে পাওয়া যায়।"-মন্তব্যটি তোমার মতামতসহ যাচাই করো।
- ‘রক্তকরবী’ নাটকটি কার রচনা?
- পণপ্রথা বলতে কী বোঝো?
- “সমাজে প্রচলিত বিধিনিষেধ মেনে চলা বাঞ্চনীয়।” এ বাক্যে “বিধিনিষেধ” কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- ঞ্চ বিশ্লষণ করলে পাওয়া যায়
- 'সিলেটে বহু চা-বাগান আছে।' এ বাক্যের নেতিবাচক রূপ কোনটি?
- “সংস্কৃতির কথা” গ্রন্থের লেখক কে?
- পড়াশোনা শেষ করে সবিতা এখন গ্রামের একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। বছর কয়েক আগে শহরের এক ধনী ব্যবসায়ীর ছেলের সঙ্গে তার বিবাহ স্থির হয়। পাত্রপক্ষ বিয়েতে মোটা অঙ্কের যৌতুক দাবি করলে তার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। সবিতা নিজেই যৌতুককে প্রত্যাখ্যান করে বিয়ে না করার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। পিতা-মাতা ও সহকর্মীদের অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি তার চিন্তা-চেতনায় কোনো পরিবর্তন আনেননি। তিনি, ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণ। মায়ের মতো ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখেন সবাইকে। তিনি বলেন, 'দেশকে মাতৃজ্ঞানে সেবা করা, দেশকে ভালোবাসা প্রত্যেকের কর্তব্য।' পরহিতে জীবন উৎসর্গ করাই তার ধর্ম।উদ্দীপকের 'সবিতা' ও 'অপরিচিতা' গল্পের 'কল্যাণী' উভয়েই যৌতুকের শিকার।"- মন্তব্যটি -বিশ্লেষণ করো।
- 'ঘরে - বাইরে' গ্ৰন্থের রচয়িতা -