কোষ বিভাজনের ------ উপ-পর্যায়ে কায়াজমা তৈরি হয়।
GSTUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ বিভাজনমায়োসিস বা হ্রাসমূলক কোষ বিভাজন (Topic Practice)GST - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
প্যাকাইটিন
Explanation:

Another Explanation (5):
কোষ বিভাজনের উপ-পর্যায়ে কায়াজমা তৈরি হয়
প্রশ্নঃ কোষ বিভাজনের ------ উপ-পর্যায়ে কায়াজমা তৈরি হয়।
উত্তর: প্যাকাইটিন
প্যাকাইটিন (Prophase) কোষ বিভাজনের প্রথম পর্যায় যা অতি গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্যায়ে কায়াজমা (Cytoplasm) থেকে নিউক্লিয়ার উপাদানের মধ্যে বিভাজন শুরু হয়।
ব্যাখ্যা:
কোষ বিভাজনের সময়, কায়াজমা তৈরি হয় যখন নিউক্লিয়ার উপাদান (নিউক্লিয়ার ম্যাট্রিক্স ও নিউক্লিয়ার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ) বিভক্ত হয়।
উপ-পর্যায় ও প্রক্রিয়া:
- প্রোফেজ: নিউক্লিয়ার উপাদানের বিভাজন শুরু হয়।
- মেটাফেজ: কায়াজমার বিভাজন সম্পন্ন হয় এবং স্পিন্ডল ফাইবার গঠিত হয়।
- অ্যানাফেজ: নিউক্লিয়ার উপাদান দুটি ভাগ হয়ে যায়।
- টেলোফেজ: কায়াজমা ও নিউক্লিয়ার উপাদান সম্পূর্ণ বিভক্ত হয়।
টেবিল: কোষ বিভাজনের পর্যায়সমূহ ও কায়াজমা তৈরি
| পর্যায় | বর্ণনা | কায়াজমা তৈরি |
|---|---|---|
| প্রোফেজ | নিউক্লিয়ার উপাদানের বিভাজন শুরু হয়। | হ্যাঁ |
| মেটাফেজ | স্পিন্ডল ফাইবার গঠিত হয়, ক্রোমোসোমসমূহ স্পিন্ডল ফাইবারের সাথে সংযুক্ত। | আংশিক |
| অ্যানাফেজ | ক্রোমোসোমসমূহ দ্বিগুণ হয়ে যায়। | হ্যাঁ |
| টেলোফেজ | নতুন নিউক্লিয়ার উপাদান ও কায়াজমা গঠিত হয়। | হ্যাঁ |
সুতরাং, কোষ বিভাজনের প্যাকাইটিন পর্যায়ে কায়াজমা তৈরি হয়। 🧬✨
Option A Explanation:
- ডিপ্লোটিন হলো কোষের মাইটোসিসের প্রথম পর্যায় যা কনডেন্সড ক্রোমাটিন থেকে ক্রমশ খুলে যায় এবং নিউক্লিয়ার মধ্যে ক্রোমোসোমের গঠন শুরু হয়।
- এই পর্যায়ে, ক্রোমোসোমগুলি দৃশ্যমান হয় এবং তাদের মধ্যে কক্ষপথে বিভাজনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
- ডিপ্লোটিনে, নিউক্লিয়ার প্রাচীর ভেঙে যায় এবং ক্রোমাটিনের গঠন পরিবর্তিত হয়, ফলে ক্রোমোসোমগুলি স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
- এটি মাইটোসিস বা মাইওসিসের প্রথম ধাপ, যেখানে ক্রোমোসোমের সংখ্যা দ্বিগুণ হয় এবং তারা বিভাজনের জন্য প্রস্তুত হয়।
Option B Explanation:
- প্যাকাইটিন (Pachytene): এই ধাপে ক্রসিংওভার ঘটে, যেখানে হোমোলগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে গুরুতর সমান্তরাল বিন্যাসের সাথে জেনেটিক উপাদানের বিনিময় হয়।
Option C Explanation:
জাইগোটিন
- জাইগোটিন হলো একধরনের প্রোটিন যা সাধারণতঃ অণু বা ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রোটিনের একটি ধরণ যা এনজাইম বা অন্যান্য প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে জৈব রিঅ্যাকশনের জন্য সাহায্য করে।
- জাইগোটিনের গঠন সাধারণতঃ গ্লাইকোপ্রোটিন বা গ্লাইকোলিপিডের মতো হয়, যেখানে কার্বোহাইড্রেট চেইনের সাথে যোগ থাকে।
- এটি জীববৈচিত্র্য ও রোগপ্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেমনঃ ভ্যাকসিন আবিষ্কারে।
- জাইগোটিনের ব্যবহার চিকিৎসা ও গবেষণায় বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিজেনের বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ে সহায়ক।
Option D Explanation:
- লেপ্টোটিন: লেপ্টোটিন একটি প্রোটিন যা সাধারণত শারীরিক কোষের ঝিল্লিতে অবস্থিত।
- এটি বিভিন্ন ধরনের অ্যাক্টিভেশনের জন্য দায়ী, যেমন সিগন্যাল ট্রান্সডাকশন, কোষের বৃদ্ধি, বিভাজন, ও ডিএনএ রিপ্লিকেশনের নিয়ন্ত্রণ।
- লেপ্টোটিনের ভূমিকা মূলত কোষের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সংকেত প্রক্রিয়াকরণে গুরুত্বপূর্ণ।
- এই প্রোটিনের বিভিন্ন ধরনের আছে, যা বিভিন্ন সেল টাইপে বিভিন্ন কার্যকলাপ সম্পাদন করে।