প্রচুর কুসুম থাকে যে ডিম্বাণুতে -
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রমানব জীবনের ধারাবাহিকতাগ্যামেট সৃষ্টি ও নিষেক (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
মেগালেসিথাল ডিম্বাণু
Explanation:

Another Explanation (5):
মেগালেসিথাল ডিম্বাণু: একটি একাডেমিক আলোচনা 🥚
মেগালেসিথাল ডিম্বাণু (Megalecithal egg) হলো সেই ডিম্বাণু, যাতে কুসুমের (Yolk) পরিমাণ অত্যাধিক বেশি থাকে। এই কুসুম ডিমের মধ্যে থাকা ভ্রূণের (Embryo) খাদ্য সরবরাহ করে। 🐣
বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- প্রচুর কুসুম: এই ডিম্বাণুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কুসুমের প্রাচুর্য। কুসুম প্রায় পুরো ডিমের অংশ জুড়ে থাকে। 🟡
- মেরু বিভাজন (Polarity): কুসুমের আধিক্যের কারণে ডিম্বাণুতে সুস্পষ্ট মেরু বিভাজন দেখা যায়। ডিমের একটি অংশ কুসুমবিহীন বা স্বল্প কুসুমযুক্ত থাকে, যেখানে নিউক্লিয়াস (Nucleus)অবস্থিত। 🧭
- ক্লিভেজ (Cleavage): কুসুমের কারণে ক্লিভেজ সম্পূর্ণভাবে নাও হতে পারে। সাধারণত মেরোব্লাস্টিক ক্লিভেজ (Meroblastic cleavage) দেখা যায়, যেখানে ডিমের শুধুমাত্র কুসুমবিহীন অংশটি বিভাজিত হয়। ➗
- উদাহরণ: পাখি, সরীসৃপ, এবং কিছু মাছের ডিম মেগালেসিথাল হয়ে থাকে। 🐦 🐍 🐟
মেগালেসিথাল ডিমের সুবিধা: 👍
- ভ্রূণের বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে।
- বহির্জাগতিক প্রতিকূলতা থেকে ভ্রূণকে রক্ষা করে। 🛡️
- লার্ভা দশার প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে, যা সরাসরি উন্নত দশার জন্ম দেয়।
বিভিন্ন প্রাণীর ডিমে কুসুমের পরিমাণ:
| প্রাণীর শ্রেণী | ডিমের প্রকার | কুসুমের পরিমাণ |
|---|---|---|
| পাখি (Birds) | মেগালেসিথাল (Megalecithal) | অত্যধিক (Very High) |
| সরীসৃপ (Reptiles) | মেগালেসিথাল (Megalecithal) | অত্যধিক (Very High) |
| হাঙ্গর (Shark) | মেগালেসিথাল (Megalecithal) | মাঝারি থেকে বেশি (Moderate to High) |
| স্তন্যপায়ী (Placental Mammals) | অলিগোলেসিথাল (Oligolecithal) | খুব কম (Very Low) |
মেগালেসিথাল ডিম্বাণু প্রাণীদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোজন, যা তাদের সফল প্রজননে সহায়তা করে। 🧬
আরও জানতে: 📚 ডিম্বাণু - উইকিপিডিয়া
আশা করি, এই আলোচনাটি মেগালেসিথাল ডিম্বাণু সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊
Option A Explanation:
- অ্যালেসিথাল ডিম্বাণু: এটি এমন একটি ডিম্বাণু যার মধ্যে প্রচুর সংখ্যক কুসুম বা কণিকা থাকে। সাধারণত, এই ধরনের ডিম্বাণু বিভিন্ন প্রজনন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যেখানে একাধিক কুসুম একসঙ্গে বিদ্যমান থাকে।
Option B Explanation:
মাইক্রোলেসিথাল ডিম্বাণু
- অর্থ: "মাইক্রোলেসিথাল ডিম্বাণু" বলতে বোঝানো হয় ছোট আকারের লেসিথাল ডিম্বাণু।
- বৈশিষ্ট্য: এই ধরনের ডিম্বাণু তুলনামূলকভাবে ছোট আকারের হয় এবং সাধারণত অপ্রচলিত বা আনুপযুক্ত পরিবেশে জন্মে।
- উৎপত্তি: কিছু প্রজাতির মধ্যে এই ধরণের ডিম্বাণু পাওয়া যায়, যেখানে ডিম্বাণুতে প্রচুর কুসুম বা খাদ্যভাণ্ডার থাকে না।
- প্রয়োজনীয়তা: এই ডিম্বাণু সাধারণত কম পরিমাণে কুসুম বা খাদ্যভাণ্ডার ধারণ করে, যা অপ্রচলিত বা বিশেষ ধরণের পরিবেশে জীবের বিকাশের জন্য উপযুক্ত।
- উপসংহার: এই ধরনের ডিম্বাণু সাধারণত ছোট আকারের হয় এবং তাদের মধ্যে কুসুমের পরিমাণ খুবই কম বা অপ্রচলিত।
Option C Explanation:
- মেসোলেসিথাল ডিম্বাণু হলো সেই ধরণের ডিম্বাণু যা মাঝারি ধরনের কুসুম বা গ্রানুলার উপাদান দ্বারা পরিপূর্ণ।
- এটি সাধারণত জীবের বিভিন্ন ধরণের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে দেখা যায়, যেখানে ডিম্বাণুর মধ্যে কুসুমের পরিমাণ মাঝারি হয়।
- এটি বিভিন্ন দেহের অঙ্গের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন হয় এবং সাধারণত বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিম্বাণু প্রস্তুত হয়।
- অন্য ধরণের ডিম্বাণুর তুলনায়, মেসোলেসিথাল ডিম্বাণুয়েকটি বিশেষ ধরনের কুসুমের সমন্বয়ে গঠিত, যা নির্দিষ্ট কার্যাবলী সম্পাদনে সহায়ক।
Option D Explanation:
- মেগালেসিথাল ডিম্বাণু হল একটি বৃহৎ আকারের ডিম্বাণু যা সাধারণত অন্যান্য ডিম্বাণু অপেক্ষা বড় হয়।
- এটি মূলতঃ কিছু স্তন্যপায়ী প্রাণীর ডিম্বাণু বা বিশেষ পরিস্থিতিতে দেখা যায়।
- এই ধরনের ডিম্বাণুর মধ্যে প্রচুর কুসুম বা ভ্যাকুয়াল স্থান থাকে, যা ডিম্বাণুর আকারে বৃদ্ধি করে।
- অন্য কথায়, এটি একটি বৃহৎ ও বিস্তৃত ডিম্বাণু, যার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের উপাদান বা কুসুম থাকতে পারে।
- উপযুক্ত পরিবেশে, এই ডিম্বাণু থেকে উন্নয়ন বা নিষেক সম্ভব হয়।
Option E Explanation:
- টেলোলেসিথাল ডিম্বাণু: এটি ডিম্বাণুর এক ধরনের শ্রেণীবিভাগ, যেখানে ডিম্বাণুর শেষ অংশে অনেক বেশি কুসুম বা অণ্ডকোষের উপস্থিতি থাকে। এই ডিম্বাণুগুলির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এদের মধ্যে প্রচুর কুসুম বা কনডেনসেশন দেখা যায়, যা সাধারণত বিভিন্ন জীবের ডিম্বাণুর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।