রক্তে pH নির্ভর করে যায় উপর-
CUUnit-ASet-1জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্ত ও রক্তরস (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
বাফার
Explanation:
রক্তের পি এইচ বাফার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে।
Another Explanation (5):
রক্তের pH এবং বাফার 🩸
রক্তের pH একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আমাদের শরীরের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। রক্তের স্বাভাবিক pH মাত্রা 7.35 থেকে 7.45 এর মধ্যে থাকে। এই মাত্রা সামান্য পরিবর্তিত হলেই শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। 🤔
pH এর গুরুত্ব
- এনজাইমের কার্যকারিতা: আমাদের শরীরের এনজাইমগুলো একটি নির্দিষ্ট pH মাত্রায় সবচেয়ে ভালো কাজ করে। pH এর পরিবর্তন হলে এনজাইমের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। 📉
- অক্সিজেন পরিবহন: রক্তের pH অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। pH এর পরিবর্তন হলে হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
- কোষের কার্যকারিতা: কোষের স্বাভাবিক কার্যাবলী বজায় রাখার জন্য সঠিক pH অত্যাবশ্যক।
বাফার কি?
বাফার হলো সেই রাসায়নিক পদার্থ যা অ্যাসিড বা ক্ষার যোগ করার পরেও pH এর পরিবর্তন হতে বাধা দেয়। রক্তের বাফার সিস্টেম pH এর স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। 🧪
রক্তের প্রধান বাফার সিস্টেমসমূহ
- কার্বনিক অ্যাসিড-বাইকার্বোনেট বাফার সিস্টেম (Carbonic acid-bicarbonate buffer system): এটি রক্তের প্রধান বাফার সিস্টেম। এই সিস্টেমে কার্বনিক অ্যাসিড (H₂CO₃) এবং বাইকার্বোনেট (HCO₃⁻) আয়ন থাকে।
- CO₂ + H₂O ⇌ H₂CO₃ ⇌ H⁺ + HCO₃⁻
- ফসফেট বাফার সিস্টেম (Phosphate buffer system): এই বাফার সিস্টেমে ডাইহাইড্রোজেন ফসফেট (H₂PO₄⁻) এবং হাইড্রোজেন ফসফেট (HPO₄²⁻) আয়ন থাকে।
- প্রোটিন বাফার সিস্টেম (Protein buffer system): রক্তের প্রোটিনগুলো, যেমন অ্যালবুমিন এবং হিমোগ্লোবিন, বাফার হিসেবে কাজ করে। প্রোটিনের অ্যামিনো অ্যাসিডের সাইড চেইনগুলো অ্যাসিড বা ক্ষার হিসেবে কাজ করতে পারে।
- হিমোগ্লোবিন বাফার সিস্টেম (Hemoglobin buffer system): হিমোগ্লোবিন শুধু অক্সিজেন পরিবহন করে না, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাফার হিসেবেও কাজ করে।
বাফার সিস্টেমের কার্যাবলী
বাফার সিস্টেমগুলো যেভাবে কাজ করে তার একটি উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো:
| অবস্থা | করণীয় | ফলাফল |
|---|---|---|
| রক্তে অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে | বাইকার্বোনেট (HCO₃⁻) অ্যাসিডের সাথে যুক্ত হয়ে কার্বনিক অ্যাসিড (H₂CO₃) তৈরি করে। | pH এর মাত্রা কমে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। 👍 |
| রক্তে ক্ষারের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে | কার্বনিক অ্যাসিড (H₂CO₃) ক্ষারের সাথে যুক্ত হয়ে বাইকার্বোনেট (HCO₃⁻) তৈরি করে। | pH এর মাত্রা বেড়ে য??ওয়া থেকে রক্ষা করে। 👌 |
pH নিয়ন্ত্রণে অন্যান্য অঙ্গের ভূমিকা
- ফুসফুস: কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂) নিঃসরণের মাধ্যমে রক্তের pH নিয়ন্ত্রণ করে। শ্বাস-প্রশ্বাসের হার পরিবর্তন করে CO₂ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 💨
- বৃক্ক (Kidney): বাইকার্বোনেট আয়ন (HCO₃⁻) এর পুনঃশোষণ এবং হাইড্রোজেন আয়ন (H⁺) নিঃসরণের মাধ্যমে pH নিয়ন্ত্রণ করে। 💧
শারীরিক অসুস্থতা 🤒
রক্তের pH স্বাভাবিক না থাকলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা হতে পারে, যেমন:
- অ্যাসিডোসিস (Acidosis): রক্তের pH মাত্রা 7.35 এর নিচে নেমে গেলে।
- অ্যালকালসিস (Alkalosis): রক্তের pH মাত্রা 7.45 এর উপরে উঠে গেলে।
আশা করি, রক্তের pH এবং বাফার নিয়ে এই আলোচনাটি আপনাদের কাজে লাগবে। 😊
Option A Explanation:
- অ্যান্টিজেন (Antigen):
- একটি উপাদান বা পদার্থ যা শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা স্বীকৃতি পায়।
- সাধারণতঃ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, পরজীবী বা অন্যান্য অজৈব বা জৈব পদার্থ হতে পারে।
- অ্যান্টিজেন শরীরের প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া, যেমন অ্যান্টিবডি উৎপাদনে উত্সাহ দেয়।
- এটি স্ব-উৎপন্ন নয়, বরং অন্য কোনও জীব বা উপাদান থেকে শরীরের মধ্যে প্রবেশের ফলে সৃষ্টি হয়।
Option B Explanation:
- বাফার: বাফার হলো একটি দ্রব্য বা সমাধান যা অ্যাসিড বা ক্ষারীয় পদার্থের সাথে মিশ্রিত হলে পিএইচ মান পরিবর্তন কমিয়ে দেয়। এটি রক্তের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি রক্তের পিএইচ স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে, যাতে শারীরিক কার্যক্রম ঠিকভাবে চালু থাকতে পারে।
Option C Explanation:
- রক্তের গ্রুপ: রক্তের গ্রুপ নির্ভর করে রক্তের মধ্যে থাকা অ্যান্টিজেনের উপর। প্রত্যেক ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিজেন উপস্থিত থাকে, যেমন এ, বি, ও। এই অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে রক্তের গ্রুপ নির্ধারিত হয়।
Option D Explanation:
- এন্টিবডি (Antibody):
এটি একটি প্রোটিন যা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা (immune system) দ্বারা উৎপন্ন হয়।
- এন্টিবডি মূলত ক্ষতিকর উপাদান যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা টক্সিনের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- এটি অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের নিষ্ক্রিয় করে বা অন্য উপায়ে ধ্বংস করে দেয়।
- রক্তে এন্টিবডির পরিমাণ বা ধরনের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।