মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোন পদার্থটি হাঁপানি রোগ সৃষ্টি করে?

A. KOH
B. NH4OH
C. H2SO4
D. HCl
Poster Download
RUUnit-DSet-2রসায়ন প্রথম পত্রল্যাবরেটরির নিরাপদ ব্যবহারল্যাবরেটরি, যন্ত্রপাতি ও গ্লাসসামগ্রী পরিষ্কার কৌশল (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. NH4OH
Explanation:

Another Explanation (5):

হাঁপানি রোগ সৃষ্টিকারী পদার্থ: অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH) এর ভূমিকা

অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), যা সাধারণত অ্যামোনিয়া দ্রবণ নামে পরিচিত, হাঁপানি রোগের কারণ হতে পারে এমন একটি উত্তেজক পদার্থ। এটি সরাসরি হাঁপানি সৃষ্টি না করলেও, সংবেদনশীল ব্যক্তিদের মধ্যে হাঁপানির লক্ষণগুলিকে ট্রিগার করতে পারে।

অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড এবং হাঁপানি: একটি সম্পর্ক 🧐

অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড নিম্নলিখিত উপায়ে হাঁপানি রোগীদের প্রভাবিত করতে পারে:

  1. শ্বাসনালীতে জ্বালা সৃষ্টি: NH4OH একটি ক্ষারীয় পদার্থ। এটি শ্বাসনালীর সংবেদনশীল ঝিল্লিকে বিরক্ত করে, যার ফলে প্রদাহ (inflammation) হতে পারে। প্রদাহের কারণে শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে। 😤
  2. শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি: অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তীব্র গন্ধ হাঁপানি রোগীদের শ্বাসকষ্টের সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
  3. কাশি ও শ্বাসরোধ: এটি কাশি এবং শ্বাসরোধের মতো উপসর্গগুলির সৃষ্টি করতে পারে, যা হাঁপানি অ্যাটাকের লক্ষণ। 🤧
  4. ফুসফুসের কার্যকারিতা হ্রাস: দীর্ঘমেয়াদী exposure ফুসফুসের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।

কোথায় পাওয়া যায় 🤔?

অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড বিভিন্ন শিল্প এবং গৃহস্থালী কাজে ব্যবহৃত হয়। এর কয়েকটি সাধারণ উৎস নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • পরিষ্কারক দ্রব্য: অনেক ক্লিনিং এজেন্ট, বিশেষ করে মেঝে এবং টয়লেট ক্লিনারগুলিতে এটি থাকতে পারে। 🧽
  • সার: কিছু কৃষি সার উৎপাদনে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ব্যবহৃত হয়। 🌾
  • শিল্প কারখানা: বিভিন্ন শিল্প কারখানায় এর ব্যবহার রয়েছে। 🏭
  • রেফ্রিজারেশন: রেফ্রিজারেশন সিস্টেমে অ্যামোনিয়া ব্যবহার করা হয়, যা পানিতে মিশে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড তৈরি করতে পারে। 🧊

হাঁপানি রোগীদের জন্য সতর্কতা ⚠️

হাঁপানি রোগীরা অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইডযুক্ত পদার্থ ব্যবহার করার সময় নিম্নলিখিত সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন:

  • ব্যবহার এড়িয়ে চলুন: সম্ভব হলে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইডযুক্ত পণ্য ব্যবহার করা এড়িয়ে যাওয়া উচিত।
  • মাস্ক ব্যবহার: ব্যবহার করতে হলে, মাস্ক এবং গ্লাভস ব্যবহার করুন।😷
  • ventilation নিশ্চিত করুন: পর্যাপ্ত ventilation আছে এমন স্থানে ব্যবহার করুন। 🌬️
  • ত্বকের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন: ত্বক এবং চোখের সংস্পর্শ থেকে বাঁচাতে হবে।
  • জরুরী চিকিৎসা: শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 🧑‍⚕️

অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর বিপদ ☠️

অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড একটি ক্ষতিকর রাসায়নিক। নিচে এর কিছু ঝুঁকির বিষয় তুলে ধরা হলো:

ঝুঁকি প্রভাব
শ্বাস গ্রহণ কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের ক্ষতি
ত্বকের সংস্পর্শ লাল ভাব, ফোস্কা, ব্যথা
চোখের সংস্পর্শ গুরুতর জ্বালা, দৃষ্টি ঝাপসা, অন্ধত্ব

অতএব, হাঁপানি রোগীরা অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে সতর্ক থাকতে হবে।