ভাইরাসমুক্ত কলার চারা তৈরি করবে কীভাবে?
সঠিক উত্তরঃ
D.
শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু কালচারের মাধ্যমে
Another Explanation (5): ভাইরাসমুক্ত কলার চারা তৈরির জন্য আপনি শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু কালচারের পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে, কলার গাছের সূচনালগ্নের শীর্ষ অংশ বা শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু সংগ্রহ করে তা পৃথক করে কোষে বিভাজন করানো হয়। এই কোষগুলোকে নির্দিষ্ট পরিবেশে উন্নত করে ভাইরাসমুক্ত চারা উৎপন্ন করা হয়।
প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ:
এই পদ্ধতিটি ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত এবং রোগমুক্ত কলার চারা উৎপাদনে অত্যন্ত কার্যকর।
প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপ:
- শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু নির্বাচন: কলার গাছের শীর্ষ অংশ থেকে সুস্থ ও ভাইরাসমুক্ত টিস্যু সংগ্রহ করা হয়।
- টিস্যু কালচার প্রস্তুতকরণ: সংগ্রহ করা টিস্যুকে জীবাণুমুক্ত পরিবেশে ছোট ছোট অংশে কাটা হয় এবং বিশেষ কালচার মিডিয়াতে রাখা হয়।
- অভ্যন্তরীণ বৃদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টি: এই মিডিয়াতে উপযুক্ত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও আলো নিশ্চিত করে টিস্যুর বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা হয়।
- ভাইরাসমুক্ত চারা বিকাশ: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভাইরাসমুক্ত কোষগুলি বিকশিত হয় এবং পরবর্তীতে এগুলো থেকে নতুন কলার গাছের চারা তৈরি করা হয়।
এই পদ্ধতিটি ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্ত এবং রোগমুক্ত কলার চারা উৎপাদনে অত্যন্ত কার্যকর।
Option A Explanation:
- কোষ কালচারের মাধ্যমে ভাইরাসমুক্ত কলার চারা তৈরির প্রক্রিয়া:
- প্রথমে, কলার গাছের সুস্থ, ভাইরাসমুক্ত টিস্যু নির্বাচন করা হয়।
- উপযুক্ত পরিবেশে এই টিস্যু থেকে ক্ষুদ্র কোষ বা কলোনি তৈরি করা হয়, যেখানে ভাইরাসের উপস্থিতি নেই বা কম।
- এই কোষ বা কলোনি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তীতে সম্পূর্ণ নতুন গাছের রূপে পরিণত হয়।
- প্রতি ধাপে, ভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয় যে চারা ভাইরাসমুক্ত।
- অতঃপর, এই ভাইরাসমুক্ত কোষ বা কলোনি থেকে বড় করে গাছের চারা তৈরি করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে তৈরি কলার চারা ভাইরাসমুক্ত ও সুস্থ হয়, যা ফলন ও গুণগত মান বৃদ্ধি করে।
Option B Explanation:
- পরাগধানী কালচারের মাধ্যমে: এই পদ্ধতিতে পরাগধানী থেকে কলার চারা তৈরি করা হয়।
- প্রথমে, সুস্থ ও রোগমুক্ত পরাগধানী সংগ্রহ করা হয়।
- তারপর, নির্দিষ্ট পরিবেশে তা প্রজনন বা কালচারে রাখা হয় যাতে নতুন চারা গজায়।
- এটি ভাইরাস মুক্ত চারা উৎপাদনের জন্য কার্যকরী কারণ পরাগধানীর মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণ কম হয়।
- অতএব, এই পদ্ধতিতে ভাইরাস মুক্ত কলার চারা তৈরি সম্ভব হয়।
Option C Explanation:
সোমোক্লোনাল প্রকরণ ব্যাখ্যা
সোমোক্লোনাল প্রকরণ তৈরির মাধ্যমে
সোমোক্লোনাল প্রকরণ হলো এক ধরণের প্রক্রিয়া, যেখানে একটি নির্দিষ্ট ক্লোন বা জেনেটিকালি সমান কপি তৈরি করা হয়। এটি মূলত ব্যবহৃত হয় বিভিন্ন ধরণের জীববৈচিত্র্য বা জৈবপ্রক্রিয়া নির্দিষ্ট করার জন্য।
- উপাদান: এটি একটি একক কোষ বা টিস্যু থেকে শুরু হয়।
- প্রক্রিয়া: নির্দিষ্ট কোষ বা টিস্যু থেকে ক্লোন বা পুণরুত্পাদন করা হয়, যেখানে জৈবপ্রক্রিয়া বা গুণাবলী অপরিবর্তিত থাকে।
- উপকারিতা: এটি একই জেনেটিক বৈশিষ্ট্য সংবলিত বেশি সংখ্যক উদ্ভিদ বা জীব তৈরি করতে সক্ষম করে।
- ব্যবহার: উদ্ভিদ প্রজননে, বিশেষ করে ভাইরাসমুক্ত বা রোগমুক্ত চারা তৈরিতে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
সোমোক্লোনাল প্রকরণ দ্বারা উৎপন্ন উদ্ভিদ বা জীবের জেনেটিক স্ট্রাকচার একরকম হয়, যা নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে।
Option D Explanation:
- শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু কালচারের মাধ্যমে: এই পদ্ধতিতে, প্ল্যান্টের শীর্ষস্থ বা টপ ভাজক টিস্যু (উদাহরণস্বরূপ, শাখার মূল শীর্ষ অংশ বা মূল টিস্যু) সংগ্রহ করা হয়।
- উপযুক্ত পরিবেশে সংবেদনশীল ভাজক টিস্যু সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করে ভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়।
- একই সঙ্গে, ভাইরাস মুক্ত টিস্যু নির্বাচন করে নতুন কলার গাছের জন্য চারা তৈরি করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে, অপ্রয়োজনীয় ভাইরাস সংক্রমণ কমে যায় বা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল হয়, ফলে ভাইরাসমুক্ত কলার চারা পাওয়া যায়।
- উপযুক্ত পরিবেশে উন্নত মানের ও রোগমুক্ত কলার উৎপাদনের জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।