মস এর পুং জননাঙ্গ হলো -
CUUnit-ASet-1জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটাব্রায়োফাইটার বা মসবর্গীয় উদ্ভিদ (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
অ্যান্থোরিডিয়াম
Explanation:

Another Explanation (5):
মস এর পুং জননাঙ্গ: অ্যান্থেরিডিয়াম 🌿♂️
মস (Moss) হলো ব্রায়োফাইটা (Bryophyta) বিভাগের অন্তর্গত ছোট আকারের সবুজ উদ্ভিদ। এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা স্যাঁতসেঁতে ও ছায়াযুক্ত স্থানে জন্মায়। মসের জনন প্রক্রিয়া বেশ জটিল এবং এটি দুটি প্রধান পর্যায়ে বিভক্ত: অযৌন জনন ও যৌন জনন। এখানে আমরা মসের পুং জননাঙ্গ অ্যান্থেরিডিয়াম নিয়ে আলোচনা করব।
অ্যান্থেরিডিয়াম: গঠন ও কাজ 🔬
অ্যান্থেরিডিয়াম হলো মসের পুং জননাঙ্গ। এটি দেখতে ছোট থলের মতো এবং এর মধ্যে অসংখ্য পুংজননকোষ বা শুক্রাণু (spermatozoids) তৈরি হয়।
অ্যান্থেরিডিয়ামের গঠন:
- আকার: ছোট থলের মতো 💼
- অবস্থান: অ্যান্থেরিডিয়ামগুলি সাধারণত মসের পুরুষ গাছের ডালের অগ্রভাগে বা পাতার কক্ষে গুচ্ছাকারে থাকে। 📍
- গঠন উপাদান:
- বন্ধ্যা কোষের স্তর: এটি অ্যান্থেরিডিয়ামের বাইরের প্রাচীর তৈরি করে এবং জননকোষকে রক্ষা করে।🛡️
- অ্যান্ড্রোগোনিয়াল কোষ: এই কোষগুলি বিভাজিত হয়ে শুক্রাণু তৈরি করে। 🧬
অ্যান্থেরিডিয়ামের কাজ:
- শুক্রাণু উৎপাদন: অ্যান্থেরিডিয়ামের প্রধান কাজ হলো শুক্রাণু উৎপাদন করা। 👨🔬
- শুক্রাণু নিঃসরণ: পরিপক্ক হওয়ার পর অ্যান্থেরিডিয়াম ফেটে যায় এবং শুক্রাণু নির্গত হয়। 💦
- নিষেকে সাহায্য: নির্গত শুক্রাণু স্ত্রী জননাঙ্গ আর্কিগোনিয়ামের দিকে যায় এবং ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে নিষেক সম্পন্ন করে। 🎯
অ্যান্থেরিডিয়ামের বৈশিষ্ট্য ছকের মাধ্যমে: 📊
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| নাম | অ্যান্থেরিডিয়াম (Antheridium) |
| প্রকার | পুং জননাঙ্গ ♂️ |
| কাজ | শুক্রাণু উৎপাদন ও নিঃসরণ 🚀 |
| অবস্থান | পুরুষ গাছের ডগা বা পাতার কক্ষে 🌿 |
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🤔
- অ্যান্থেরিডিয়াম মসের যৌন জননের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।✅
- এটি শুক্রাণু তৈরি করে যা ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে নতুন স্পোরোফাইট (sporophyte) উৎপাদনে সাহায্য করে।🌱
- অ্যান্থেরিডিয়ামের গঠন এবং কার্যকারিতা মসের প্রজাতিভেদে ভিন্ন হতে পারে। 📚
আশা করি, মসের পুং জননাঙ্গ অ্যান্থেরিডিয়াম সম্পর্কে এই আলোচনাটি আপনার বোধগম্য হয়েছে। 😊
Option A Explanation:
- অ্যান্থোরিডিয়াম (Antheridium):
- এটি এক ধরনের শুকনো বা জলজ অঙ্গ, যা মূলত বিভিন্ন শ্যাওলা, মরিচা, ও কিছু উদ্ভিদের পুংজননাঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
- অ্যান্থোরিডিয়াম সাধারণত আকারে ছোট, গোলাকার বা অর্ধগোলাকার হয় এবং এর ভিতরে শুক্রাণু উৎপন্ন হয়।
- এটি মূলত অণ্ডকোষের মতো কাজ করে, যেখানে শুক্রাণুর সংরক্ষণ ও মুক্তি ঘটে।
- অ্যান্থোরিডিয়ামের গঠন ও গঠনপ্রণালী প্রজাতির উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।
Option B Explanation:
- আর্কিগোনিয়াম হল একটি নারীকোষের গঠন যা অ্যান্থেরিডিয়াম থেকে মুক্ত হয়ে ডিম্বানুর মধ্যে প্রবেশ করে।
- এটি মূলত গাঢ় ও পাতলা ঝিল্লি দ্বারা ঘেরা, যা শুক্রাণুর সাথে মিলিত হয়ে গর্ভাশয়ে ডিমের বিকাশের জন্য স্থান তৈরি করে।
- অন্যদিকে, এটি মূলত গাছের প্রজনন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করে, যেখানে এটি যৌনসংঘার মাধ্যমে নতুন জীবের জন্মের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে।
Option C Explanation:
- ডিম্বক (Ovary):
- প্রজনন অঙ্গের অংশ যা ডিম্বাণু উৎপন্ন করে।
- স্তন্যপায়ী, উভচর, ও অন্যান্য স্তন্যপায়ী ঊষর প্রাণীর মধ্যে এই অঙ্গটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ডিম্বক থেকে ডিম্বাণু মুক্তি পায়, যা পুরুষের শুক্রাণুর সাথে মিলিত হয়ে নিষিক্ত হয়।
- এটি সাধারণত স্তনের ভিতরে, অন্ডকের পাশে বা অন্যান্য প্রজনন অঙ্গের মধ্যে অবস্থিত।
Option D Explanation:
- স্পোর হলো এক ধরনের জীবনচক্রের অংশ, যা বিশেষ করে প্যাথোজেনিক বা পুনরুৎপাদনশীল জীবের মধ্যে দেখা যায়।
- এটি একটি ক্ষুদ্র, শক্তিপূর্ণ কোষ বা পরিপাক্য অংশ, যা পরিবেশের অস্থিতিশীলতা সহ্য করে এবং নতুন জীবের উৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- স্পোর সাধারণত একক বা একাধিক কোষের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং এটি বিকাশের মাধ্যমে নতুন জীবের রূপ নেয়।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে স্পোর দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে এবং উত্তাপে বা আর্দ্রতায় সক্রিয় হয়ে নতুন জীবের জন্ম দেয়।