"মানুষ মাত্রই ভুল করে। জীবনের চলার পথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে
তাকে স্বীকার করে নেওয়ার মধ্যে কোনো লজ্জা নেই।' ভুল থেকেই মানুষ সঠিক শিক্ষা পেতে পারে।
উদ্দীপকের বক্তব্য অনুযায়ী লেখকের যে মতামত ব্যক্ত হয়েছে?
- মানুষ সব সময় নিখুঁত কাজ করতে পারে না
- ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত
- ভুলটাকে স্বীকারে আত্মশক্তি লোপ পায়
নিচের কোনটি সঠিক?
A.
i ও ii
B.
i ও iii
C.
ii ও iii
D.
i,ii ও iii
সঠিক উত্তরঃ
A.
i ও ii
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আমার পথ' প্রবন্ধ অনুযায়ী অতি বিনয় প্রকাশে কী হয়?
- সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান।সঙ্কটের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো,নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বাননীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ।মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরে দিয়ো কঠিন পরিচয়। উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে শিখনফল হিসেবে দেশের প্রতি তোমার একক দায়িত্ব কী তা বিশ্লেষণ করো।
- মৃত্যু-ক্ষুধা' কোন ধরনের রচনা?
- বর্তমান কালের যুবক-যুবতিদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের শক্তি সম্পর্কেও পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। তারা অবগত নয়। নিজের অপরিসীম শক্তি সম্পর্কে জানলে তারা অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পেত। পরের দিকে চেয়ে থাকার জন্য তাদের মন আজ মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি।"যুবক-যুবতিদের মানসিক দাসত্ব থেকে মুক্তির জন্য প্রয়োজন আত্মনির্ভরতা।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে মন্তব্যটি যাচাই করো।
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।"উদ্দীপকের যে মূলভাব, তারই বিস্তৃত পরিণতি 'আমার পথ'-এ পরিলক্ষিত।"- মন্তব্যের সত্যাসত্য বিচার করো।
- ‘আমার পথ' প্রবন্ধে কোন ধর্ম পালনের প্রতি গুরুত্বদেওয়া হয়েছে?
- আলম একজন সংগঠক। এলাকার ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি 'কবি সুকান্ত পাঠাগার ও সংগীত বিদ্যালয়' নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। তিনি মিথ্যাকে উড়িয়ে দিয়ে, সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সংগঠনের রজতজয়ন্তী আয়োজন করেছেন। তিনি দমে যাওয়া মানুষ নন। তার সংগঠনের ছেলেমেয়েরা আজ গুণী শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসাবিদ আরও কত সফল মানুষ। তিনি আলোকিত মানুষ হিসেবে সকলের মন আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছেন।'মনুষ্যত্ব মানুষকে আলোর পথ দেখাতে পারে।'- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তির যথার্থতা বিচার করো।
- লর্ড কারমাইকেলের নাম কোন রচনায় উল্লেখ রয়েছে?
- ভারতবাসীকে নিজের উপর অটুট বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিলেন কে?
- আগুনের ঝান্ডা দুলিয়ে লেখক কেন পথে বের হলেন?
- যৌবনের পুজারি কে?
- ‘একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব।'- উক্তিটিদ্বারা ‘আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি নির্দেশকরে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যমান ?
- কাজী নজরুল ইসলাম ভারত সরকার কর্তৃক ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন-
- কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতাটি চট্টগ্রামে রচিত হয়েছিল?
- 'বিষের বাঁশি' উপন্যাসটি লিখেছেন কে?
- লেখক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান,সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।মুক্ত করো ভয়, আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়।দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো;মুক্ত করো ভয়, নিজের পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।"নিজের, 'পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়"এ উদ্দীপকের এ কথাই 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূলভাব"-বক্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম' ব্যাখ্যা করো।
- দীর্ঘদিন ভারতের পরাধীনতার কারণ ব্যাখ্যার নজরুলের মতামত লেখো।