২০১২ সালে কার্বন কর চালু করে-
DUUnit-Bসাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকসমসাময়িক সমস্যাসমসাময়িক সমস্যা (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
অস্ট্রেলিয়া
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
২০১২ সালে কার্বন কর প্রবর্তন: অস্ট্রেলিয়ার প্রেক্ষাপট 🇦🇺
অস্ট্রেলিয়া ২০১২ সালে কার্বন নিঃসরণ কমাতে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেয়। এটি ছিল কার্বন ট্যাক্স প্রবর্তন। এর লক্ষ্য ছিল দূষণকারী শিল্পগুলোকে তাদের কার্বন নিঃসরণের জন্য অর্থনৈতিকভাবে দায়বদ্ধ করা।
কার্বন করের মূল বৈশিষ্ট্য 📜
- লক্ষ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো 📉
- কার্যকর সময়কাল: জুলাই ২০১২ থেকে জুলাই ২০১৪ 🗓️
- কার্বন মূল্য: প্রতি টন কার্বন নিঃসরণের জন্য ২৩ AUD ধার্য করা হয়েছিল 💰
- আচ্ছাদিত খাত: প্রধানত বিদ্যুৎ উৎপাদন, খনি এবং শিল্প খাত 🏭
উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশা 🤔
কার্বন করের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল:
- পরিবেশ সুরক্ষার জন্য কার্বন নিঃসরণ কমানো 🌳
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসের ব্যবহার বৃদ্ধি করা 🔆
- পরিবেশ-বান্ধব প্রযুক্তির উদ্ভাবনে উৎসাহ দেওয়া 💡
ফলাফল (পর্যালোচনা) 📊
কার্বন কর প্রবর্তনের পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়:
| ক্ষেত্র | পর্যবেক্ষণ |
|---|---|
| কার্বন নিঃসরণ | কিছুটা হ্রাস পায় বলে ধারণা করা হয় 👇 |
| বিদ্যুৎ বিল | বাড়তি খরচ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয় ⚡ |
| অর্থনীতি | সীমাবদ্ধ প্রভাব 💸 |
কার্বন কর বাতিল ❌
জুলাই ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ান সরকার কার্বন কর বাতিল করে। এর পরিবর্তে "ডাইরেক্ট অ্যাকশন প্ল্যান" নামে একটি নতুন নীতি গ্রহণ করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 📌
- কার্বন কর একটি জটিল অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক বিষয় 🗳️
- বিভিন্ন দেশে কার্বন নিঃসরণ কমানোর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় 🌍
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্বন নিঃসরণ কমানো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ⚠️
অস্ট্রেলিয়ার কার্বন কর একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ ছিল। যদিও এটি স্বল্পস্থায়ী ছিল, তবুও এটি কার্বন নিঃসরণ নীতি নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। 💬
তথ্যসূত্র: বিভিন্ন গবেষণা প্রবন্ধ ও সরকারি প্রতিবেদন 📚
```