মূল দ্বারা জনন কাজ সম্পন্ন করে- নিচের কোনটি সঠিক?
ii ও iii

মূল দ্বারা জনন: একটি পর্যালোচনা 🌱
মূল দ্বারা জনন একটি বিশেষ ধরনের অযৌন প্রজনন প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের মূল অথবা মূলের অংশ থেকে নতুন উদ্ভিদের জন্ম হয়। নিচে কয়েকটি উদ্ভিদের তালিকা দেওয়া হলো যাদের মূল দ্বারা জনন হয়ে থাকে:
মূল দ্বারা জনন সম্পন্নকারী উদ্ভিদ 🌿
- ডালিয়া 🌸
- পাথরকুচি 🌵
- পটোল 🥒
উপরের তালিকাভুক্ত উদ্ভিদগুলোর মধ্যে, ডালিয়া ও পটোলের মূল থেকে নতুন চারা তৈরি হতে দেখা যায়। পাথরকুচি সাধারণত পাতার মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।
তুলনামূলক আলোচনা 📊
| উদ্ভিদের নাম | মূল দ্বারা জনন | অন্যান্য বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| ডালিয়া 🌸 | ✅ হ্যাঁ | আলংকারিক ফুল, কন্দযুক্ত মূল |
| পাথরকুচি 🌵 | ❌ সাধারণত নয় (পাতার মাধ্যমে) | ঔষধিগুণ সম্পন্ন, রসালো পাতা |
| পটোল 🥒 | ✅ হ্যাঁ | সবজি, লতানো গাছ |
জনন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত 🔬
মূল দ্বারা জনন প্রক্রিয়াটি সাধারণত নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করে:
- প্রথমে, মাতৃ উদ্ভিদের মূল থেকে একটি অংশ আলাদা করা হয়।
- এরপর, ওই অংশটিকে উপযুক্ত মাটি অথবা মাধ্যমে রোপণ করা হয়।
- কিছুদিনের মধ্যে, ওই মূলের অংশ থেকে নতুন চারা জন্ম নেয়।
- নতুন চারা ধীরে ধীরে বড় হয়ে নতুন একটি উদ্ভিদে পরিণত হয়। 🌳
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🤔
মনে রাখতে হবে, সকল উদ্ভিদের মূল থেকে জনন হয় না। এটি উদ্ভিদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য এবং পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল। 🌱🌞
অতিরিক্ত তথ্য 📚
কিছু উদ্ভিদের মূল খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত হয়, যা নতুন উদ্ভিদ উৎপাদনে সাহায্য করে। এই ধরনের মূলকে কন্দাল মূল বলা হয়।
আরও জানতে বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন। happy learning! 😊
```- গোলাকার ও ডিম্বাকার: এই বৈশিষ্ট্যটি পরাগরেণুর আকার ও আকারের বৈচিত্র্য নির্দেশ করে। গোলাকার বা ডিম্বাকার আকার সাধারণত পরাগরেণুর মধ্যে দেখা যায়, যা পুরুত্ব বা আকারে বিভিন্ন হতে পারে।
- হ্যাপ্লয়েড: এটি পরাগরেণুর জেনেটিক অবস্থা নির্দেশ করে, যেখানে মাত্র একক সেট ক্রোমোজোম থাকে। হ্যাপ্লয়েড পরাগরেণু সাধারণত জীববিজ্ঞানে দেখা যায় এবং প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রীয় অংশে কেন্দ্রস্থলটি অবস্থিত থাকে, যেখানে ক্রোমাটিনের শাখাগুলি সমানভাবে বিস্তৃত হয়। এর ফলে, ক্রোমোসোমের দুই প্রান্ত সমান আকারের হয়।
- টেলোসেন্ট্রিক: এই প্রকারের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রীয় অংশটি অনেক দূরে অবস্থিত থাকে, ফল?? এর একটি প্রান্তের আকার বড় এবং অন্যটি ছোট হয়। এই ধরণের ক্রোমোসোম সাধারণত টেলোোমের দিকে ঝুঁকে থাকে।
- সাব-মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমে কেন্দ্রস্থল থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করে ক্রোমাটিডের সংযোগস্থল। এর কেন্দ্রীয় অংশটি মাঝামাঝি হলেও কিছুটা পাশের দিকে থাকে।
- টেলোসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রস্থল বা কেন্দ্রীয় অংশটি একেবারে শেষের দিকে থাকে, অর্থাৎ ক্রোমোসোমের প্রান্তে অবস্থিত। এর ফলে এর কেন্দ্রীয় অংশটি সম্পূর্ণরূপে প্রান্তে থেকে যায়।
- ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক থাকে: এটি দেহের স্বতঃস্ফূর্ত সংযোগের জন্য বিশেষ করে কার্ডিয়াক মায়োফাইব্রিলের মধ্যে পাওয়া যায়। এই ডিস্কগুলো ফাংশন হিসেবে এক কোষ থেকে অন্য কোষে জরুরি সংকেত বা সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- নিউক্লিয়াসটি কোষের কেন্দ্রের দিকে থাকে: এই বৈশিষ্ট্য সাধারণভাবে মায়োফাইব্রিলের জন্য প্রযোজ্য নয়; সাধারণ কোষে নিউক্লিয়াস কেন্দ্রে থাকে, কিন্তু মায়োফাইব্রিলের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের অবস্থান ভিন্ন হতে পারে।
- মায়োফাইব্রিল পরস্পরের সাথে মিলে নেট তৈরি করে: হ্যাঁ, মায়োফাইব্রিলের মাধ্যমে একসাথে কাজ করে একটি শক্তিশালী সংকেত ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা তৈরি হয়, যা পেশির সংকোচন ও রিল্যাক্সেশনের জন্য অপরিহার্য।