'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি নাটকীয় গুণসম্পন্ন।"- ব্যাখ্যা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'মায়া কাজল' কোন জাতীয় রচনা?
- বর্ষায় বাংলার প্রকৃতি যেন ভিন্ন এক রূপের পসরা সাজায়। বিলের বুকে কলমিলতা, শাপলার অনাবিল সৌন্দর্য, পানকৌড়ির লুকোচুরি- কার না ভালো লাগে। কিন্তু শিল্পী নাজমা বিলের ধারে বেড়াতে এসেও যেন কেন আনমনা হয়ে আছেন। এমনি এক বর্ষায় নৌকাডুবিতে চিরতরে হারিয়ে যায় তার স্নেহের দুটি ভাই-বোন। শাপলা-শালুকভরা শাশ্বত বাংলার বর্ষা প্রকৃতি দেখেও আজ তাই কণ্ঠশিল্পী নাজমার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় না কোনো গান। তার হৃদয় জুড়ে শুধুই বিষণ্ণতা।"তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে উদ্দীপকটির বিষয়গত প্রচুর বৈসাদৃশ্য রয়েছে"- বিশ্লেষণ কর।
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় দু'ধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা- তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই বন্ধু। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'উদ্দীপকের বাতেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? উভয়ের ভূমিকার তুলনা করো।
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।উদ্দীপকের সুচিত্রা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- কবিতার কবির ব্যক্তি জীবন কীভাবে ধরা পড়েছে?
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও গালিব ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো
- 'বসন্ত বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি, এ মোর মিনতি।' কোন কবিতা থেকে নেয়া?
- কোনটি সুফিয়া কামাল এর কাব্য গ্রন্থ নয়?
- সাঁঝের মায়া' কার লেখা?
- আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে আছে তাহার জন্য। উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের মিল পাওয়া যায়?রিক্ততার হাহাকারদুঃসহ বিষণ্ণতাউদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'বসন্ত-বন্দনা তব কণ্ঠে শুনি-এ মোর মিনতি।'_____ চরণটি ব্যাখ্যা করো।
- সে বসন্ত একদিন করেছিল শত কোলাহল- সে আজ নিঃশব্দে আসে আমার নির্জনে' - এই সাদৃশ্যের কারণ-
- 'সে ভুলেনিতো, এসেছে তা ফাগুনে স্মরিয়া'- উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো-ঐতিহ্যসচেতনতানাটকীয়তাশোকগাথানিচের কোনটি সঠিক?
- ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই রাখিনি সন্ধান।' এখানে 'সে 'কে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাকে কোন সুর আচ্ছন্ন করে আছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- 'কহিল সে সুদূরে চাহিয়া' পরের চরণ কোনটি?
- 'দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'- উক্তিটি কার?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন ঋতুর উল্লেখ আছে?
- 'কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী।'- পঙক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।"উদ্দীপকের দুঃখবোধ আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার অনুভূতি একইসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- সৈয়দ নেহাল হোসেন কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
- ভিতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা জাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাক'ভিতরে আমার ভেঙে পড়ে শুধু পাড়।উদ্দীপকটি কোন দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- "বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি পল্লিমায়ের কোল,ঝাউশাখে সেথা বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল,কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া কাঁচাপাকা কুল খেয়ে,অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছি গাঁয়ের দুলালি মেয়ে।"উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' 'কবিতার মূলসূর প্রতিফলিত হয়েছে কি? তোমার মতামত দাও।
- 'আজি এ অবলোয় মনে পড়ে তোমায়হারানো দিনগুলি বারেবারে কাঁদায়।তুমি ছাড়া এজীবন শূন্য মনে হয়ভালোলাগা অনুভূতি আঁধারে ডুবে রয়।'উদ্দীপকের সঙ্গে কবি সুফিয়া কামালের ব্যক্তি জীবনের মিল রয়েছে কীভাবে? উপস্থাপন করো।
- "কলি সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- হে কবি, নীরব কেন? ফাগুন যে এসেছে ধরায়।চরণটিতে নীরব কেন বলতে কবির কোন মানসিকতাকে বোঝায়?
- সগির বৈরাগীর কন্ঠ আর তার হাতের দোতারা যেন অবিচ্ছেদ্য। প্রায় একযুগ ধরে ভাওয়াইয়া গান গেয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের মনে তার নাম গেঁথে গেছে। এবার তিস্তা চরে নদীভাঙা মানুষদের নবান্নের উৎসবে গান গাইছেন তিনি। হঠাৎ খবর পান তার গুরু জয়ন্ত বৈরাগী মরণাপন্ন। স্তব্ধ হয়ে গেলেন সগির বৈরাগী। তারপর কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে গুরুর নামে দ্বিগুণ আবেগে আবার গাইতে শুরু করেন- কেননা 'The show must go on.'উদ্দীপক ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিতে কোনটির উল্লেখ নেই?
- 'তাহারেই মনে পড়ে' কবিতায় কবিকে আচ্ছন্ন করে-
- 'মাঘের সন্ন্যাসী' কোথায় চলে গিয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটিতে নাটকীয় গুণসম্পন্ন কবিতা বলা হয়ে কেন?
- "তাহারেই মনে পড়ে' কবিতায় ফাগুনে কোন দুয়ার খুলে যায়?
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান-আমার আপনহারা প্রাণ আমার বাঁধন-ছেড়া প্রাণ।তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রং লাগল আমার অকারণের সুখে,তোমার ঝাউয়ের দোলেমর্মরিয়া ওঠে আমার দুঃখরাতের গান।উদ্দীপকে বর্ণিত বসন্তের রূপচিত্রের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- চারদিকে ভীষণ কুয়াশা। অমিতের 'আজ লেখার ইচ্ছে নেই।উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার' কোন দিকটি তুলে ধরা হয়েছে?
- ’কাঁটাতারে প্রজাপতি’ কে লিখেছেন-
- আজ কবিতা উৎসব। দেশের প্রধান কবি হাসান বশির অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। চারিদিকে হৈ হৈ রব। এর মধ্যে খবর এলো হাসান বশিরের অতি আদরের এক নাতনি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। আয়োজকগণ অনুষ্ঠান স্থগিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে হাসান বশির অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, আমার নাতনি দুর্ঘটনাকবলিত হওয়ায় আমি গভীরভাবে শোকাহত । কিন্তু আমি চাই অনুষ্ঠানটি চলুক। উদ্দীপকের কবি হাসান বশির এবং 'তাহারেই পড়ে মনে'কবিতার কবির চিন্তা-চেতনায় প্রকাশ পেয়েছে— স্মৃতিকাতরতা মানবমনের রহস্যময়তাবৈপরীত্যনিচের কোনটি সঠিক?
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- ভিতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা জাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাক'ভিতরে আমার ভেঙে পড়ে শুধু পাড়।