মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

C4-উদ্ভিদ হলো- 


A.

Saccharum officinarum

B.

Mangifera indica

C.

Oryza sativa

D.

Triticum aestivum

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ শারীরতত্ত্বসালোকসংশ্লেষণ (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A.

Saccharum officinarum

Explanation:

Another Explanation (5):

C4 উদ্ভিদ: Saccharum officinarum এর ব্যাখ্যা

C4 উদ্ভিদ বলতে বোঝায় সেই সকল উদ্ভিদকে যারা কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) গ্রহণ এবং ফিক্সেশন করার জন্য বিশেষ শারীরবৃত্তীয় কৌশল অবলম্বন করে। এই কৌশল C3 উদ্ভিদের তুলনায় বেশি কার্যকর, বিশেষ করে উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়ায়। Saccharum officinarum, যা আখ নামে পরিচিত, একটি গুরুত্বপূর্ণ C4 উদ্ভিদ।

C4 উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যসমূহ 🌿

  • আলোক শ্বসন হ্রাস: C4 চক্রের কারণে আলোক শ্বসন (photorespiration) উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
  • উচ্চ CO2 গ্রহণ ক্ষমতা: C4 উদ্ভিদ কম CO2 ঘনত্বেও সালোকসংশ্লেষণ করতে পারে।
  • শুষ্ক পরিবেশে অভিযোজন: এই উদ্ভিদগুলো জলের স্বল্পতা সহ্য করতে পারে। 🌵
  • উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীলতা: C4 উদ্ভিদ বেশি তাপমাত্রায় ভালো ফলন দেয়। 🔥

Saccharum officinarum (আখ) এর C4 চক্র 🔄

আখের C4 চক্র Mesophyll এবং Bundle Sheath নামক দুটি ভিন্ন কোষে সম্পন্ন হয়:

  1. মেসোফিল কোষ (Mesophyll cell): CO2 প্রথমে ফসফোইনোলপাইরুভেট (PEP) এর সাথে মিলিত হয়ে অক্সালোঅ্যাসিটেট (OAA) তৈরি করে। এই প্রক্রিয়া PEP কার্বক্সিলেজ (PEP carboxylase) নামক এনজাইম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
  2. বান্ডেল শিথ কোষ (Bundle Sheath cell): OAA পরে ম্যালিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয় এবং মেসোফিল কোষ থেকে বান্ডেল শিথ কোষে স্থানান্তরিত হয়। এখানে ম্যালিক অ্যাসিড CO2 তে বিশ্লিষ্ট হয়। এই CO2 রুবিস্কো (RuBisCO) এনজাইমের মাধ্যমে কেলভিন চক্রে (Calvin cycle) প্রবেশ করে শর্করা তৈরি করে।

C4 চক্রের ধাপসমূহ 📊

ধাপ স্থান বিক্রিয়া এনজাইম
CO2 গ্রহণ মেসোফিল কোষ PEP + CO2 → OAA PEP কার্বক্সিলেজ
OAA রূপান্তর মেসোফিল কোষ OAA → ম্যালিক অ্যাসিড ম্যালেট ডিহাইড্রোজিনেজ
CO2 মুক্তি বান্ডেল শিথ কোষ ম্যালিক অ্যাসিড → CO2 + পাইরুভেট ম্যালিক এনজাইম
কেলভিন চক্র বান্ডেল শিথ কোষ CO2 → শর্করা রুবিস্কো

C4 উদ্ভিদের গুরুত্ব 🌟

C4 উদ্ভিদ খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদের কিছু উল্লেখযোগ্য ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • খাদ্য উৎস: ভুট্টা, আখ এবং জোয়ারের মতো C4 উদ্ভিদ মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 🌽
  • জ্বালানি উৎপাদন: আখ থেকে ইথানল তৈরি করা হয়, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প জ্বালানি। ⛽
  • পশুখাদ্য: C4 ঘাস গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 🐄
  • কার্বন ফিক্সেশন: C4 উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে CO2 শোষণ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে। 🌍

আশা করি এই ব্যাখ্যা Saccharum officinarum এবং C4 উদ্ভিদ সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে। 🙏

Option A Explanation: ```html
  • নাম: Saccharum officinarum
  • সাধারণ নাম: সুগার ক্যান (Sugarcane)
  • পরিবার: Poaceae (ঘাস পরিবারের)
  • প্রকার: দবীজপত্রী উদ্ভিদ (Perennial grass)
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি দীর্ঘ, মোটা এবং গুচ্ছাকারে বৃদ্ধি পায়, এবং মূলত চিনি উৎপাদনের জন্য cultivation করা হয়।
  • উদ্ভিদ গঠন: এটি মূলত দো-ফসলি গাছের মতো, যার শিকড় গভীর, এবং শাখা-প্রশাখা থাকে।
```
Option B Explanation:
  • Mangifera indica (আবোকাডো): এটি ফলের গাছে মজ্জা বা মূলের অংশে বিভিন্ন রোগের কারণে গহ্বর সৃষ্টি হতে পারে।
  • মূল রোগের কারণ: কিছু প্যাথোজেন বা ভাইরাসের সংক্রমণে গাছের মূল বা ???জ্জা দুর্বল হয়ে যায়।
  • গহ্বরের সৃষ্টি: এই রোগের ফলে মূলের মধ্যে ক্ষয় বা ক্ষত সৃষ্টি হয়, যা গহ্বর বা খাঁজের রূপ নিতে পারে।
  • প্রভাব: এই গহ্বরের কারণে গাছের পুষ্টি পরিবহন ব্যাহত হয়, ফলের বৃদ্ধি ও মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  • প্রতিরোধ: নিয়মিত পরিচর্যা, সুস্থ চারা ব্যবহার ও রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
  • অন্য নাম: চাল
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ধানজাতীয় শস্য, যা মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এবং উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে উৎপন্ন হয়।
  • ব্যবহার: খাদ্য হিসেবে প্রধানত ভাত হিসেবে খাওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার হয়।
  • উৎপত্তি: এশিয়া মহাদেশে এর উৎপত্তি।
  • উৎপাদনকারী দেশসমূহ: চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশসহ অন্যান্য দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো।
Option D Explanation:
  • Triticum aestivum হলো শস্যের একটি প্রকার, যা সাধারণত গম নামে পরিচিত।
  • এটি প্রধানত খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মধ্যে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ রয়েছে।
  • গমের আটা থেকে রুটি, বিরিয়ানি, পাস্তা ইত্যাদি তৈরি হয়।
  • প্রাকৃতিক ঔষধ হিসেবে এর সরাসরি ব্যবহার সাধারণত দেখা যায় না।
  • তবে, প্রাচীনকাল থেকে এর গুঁড়ো বা আটা ক্ষতস্থান নিরাময়ে সহায়ক বলে বিশ্বাস করা হয়।