সংস্কৃতির কথা গ্রন্থটির রচয়িতা কে
A. আবুল হাসান
B. কাজী আবদুল ওদুদ
C. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
D. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তরঃ
C.
মোতাহের হোসেন চৌধুরী
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘শেষের কবিতা’ একটি-
- পরাবলম্বন-ই প্রকৃত-
- কোন শব্দটি ইতিবাচক?
- 'সেজন্য কিছু ভাবিবেন না- এখন উঠুন।'- উক্তিটিতে বস্তার মনোভাব ব্যাখ্যা করো।
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ। সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে-পায়ে ধরিয়া বলিলেন, 'শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক। আমি নিশ্চয় টাকাটা শোধ করিয়া দেবো।' রায় বাহাদুর বলিলেন, 'টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।'"উদ্দীপকের রায় বাহাদুর আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামা একই মানসিকতা লালন করে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন স্থানে বসবাসের সময়টিকে 'ছোটগল্প রচনার স্বর্ণযুগ' হিসেবে বিবেচিত হয়?
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষ তুলে ধরেছেন সুচারুভাবে। এ নাটকেই তিনি দেখিয়েছেন। ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়, অন্তত তার নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজ জীবনের মধ্যে বিকাশও আত্মপ্রতিষ্ঠা।উল্লিখিত সাদৃশ্য বিবেচনার ভিত্তি হলো-নারী ব্যক্তিত্বের উন্মেষনারীর আত্মোপলব্ধি ও আত্ম প্রতিষ্ঠানারীর প্রতি পুরুষশাসিত সমাজের বৈষম্যনিচের কোনটি সঠিক?
- অনুপমের বন্ধু হরিশ কোথায় কাজ করে?
- বিভার বাবা আলম সাহেব অল্প বেতনে চাকরি করলেও মেয়েকে তিনি শিক্ষিত করেছেন। বিয়ের কথা পাকা হওয়ার দিন পাত্রপক্ষ বিপুল অঙ্কের যৌতুক দাবি করায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। সেইসাথে অবাক হন পাত্র কৌশিকের মৌনরূপ দেখে। বিভা তাই তার বাবাকে জানিয়ে দেয়, যে ছেলে মেয়ের বাবার কাছে হাত পেতে অর্থ নেয়, সে ছেলের কাছে আমি কখনোই সম্মান পাব না।"উদ্দীপকের বিভার বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের জাগরণ 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর বুদ্ধিদীপ্ত আত্মপ্রকাশ।"- মন্তব্যটির পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- 'আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব এ কথা যারা মনে করে, তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারি না।' উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে শম্ভুনাথ বাবুর-
- "বাঁশি" অর্থানুসারে কোন শ্রেনীর শব্দ?
- ‘এ জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণেরহিসাবে।'— কথাটি দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে?
- রামসুন্দর বাবু বনেদি ঘর পেয়ে মেয়ে বিয়ে দিতে উদ্যতহন। এক্ষেত্রে তিনি বরপক্ষ থেকে দাবিকৃত দেনাপাওনাচুকিয়ে দিয়ে মহাসাড়ম্বরে মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করেন।উদ্দীপকে ও ‘অপরিচিতা' গল্পে ফুটে উঠেছে— কুসংস্কারযৌতুকপ্রথা প্রতিবাদী চেতনানিচের কোনটি সঠিক?
- কার রুচির উপর অনুপম ষোলোআনা নির্ভর করতে পারে?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন কবির কাব্যবৈশিষ্ট্যকে ‘চিত্ররূপময়' বলে অ্যাখ্যায়িত করেছেন?
- কোন কবি এক সময় রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন?
- ‘এ জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণের হিসাবে।' উক্তিটি যে গদ্যের-
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এশীয়দের মধ্যে কততম নোবেল বিজয়ী?
- মানিক বন্দোপাধ্যায় কোন কলেজের ছাত্র ছিলেন?
- অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণী বিয়েতে কোন রঙের শাড়ি পরেছে বলে অনুপম কল্পনা করে?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয় গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ ওপরে আছে, সেইজন্য তাড়া।উদ্দীপকের বরের বাপের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নিরূপণ কর।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন?
- অতুলনীয় মাতৃস্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃস্নেহের প্রাবাল্যে মানুষ আপনাকে হারাইয়া আসল শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না- দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত সন্তানের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- জটিল কিংবা যৌগিক বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়-
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমকালীন ভারতবর্ষে পুরুষশাসিত সমাজজীবনের সবক্ষেত্রে তৎকালীন নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন এবং অধিকারহীনভাবে দেখেছেন পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। তাঁর বিভিন্ন রচনায় তিনি নারী সমাজকে জ্ঞানচর্চা ও কর্মব্রতী, অধিকার সচেতন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় প্রলুব্ধ করতে চেয়েছেন। পরিবার ও সমাজের অপরিহার্য অর্ধেক শক্তি নারীসমাজের দুর্বল ও অবনত অবস্থার জন্য পুরুষ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আশা করেছেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রী গীতা রাণী সরকার। লেখাপড়া শেষ করতেই ২৭ বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসে এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। গীতা রাণী লেখাপড়া শেষে একটি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সমাজের অবহেলিত, পশ্চাৎপদ নারীদের গভীর মনোযোগ সহকারে শিক্ষাদান করেন। হঠাৎ প্রতিবেশী কালীচরণ রায় একটি সম্বন্ধ নিয়ে আসে। গীতা তাকে বিনয়ের সঙ্গে জানান- তিনি এখন আর বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ, সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষার গুরুদায়িত্ব তিনি নিয়েছেন।উদ্দীপকের গীতা রাণীর বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের জাগরণ 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর ব??দ্ধিদীপ্ততার আত্মপ্রকাশ- তুমি কি এ মত সমর্থন করো? যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
- দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্বঅবয়বেপ্রতিফলিত হয়ে কী সৃষ্টি করে?
- উচ্চশিক্ষিত ও আধুনিক জীবনবোধসম্পন্ন মেয়ে অরুনিমা। সে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তার কয়েকবার বিয়ের সম্বন্ধ এলেও পাত্রপক্ষের বিভিন্ন শর্ত শুনে বিয়েতে রাজি হয়নি অরুনিমা। একদিন অরুনিমার বাবা তাকে বিয়ের জন্য একজন ভালো পাত্রের কথা জানালেন। তখন অরুনিমা বলল, 'আমি সমাজের নারীদের জন্য কিছু করতে চাই, এখন বিয়ে নিয়ে ভাবছি না।উদ্দীপকের অরুনিমার সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- বাংলাদেশের অনেক পরিবার যৌতুকের জন্য পুত্রবধূকেনির্যাতন করে। এম??ই নির্যাতনের শিকার মমতা। মমতাতার স্বামী ও স্বামীর পরিবারের সকলকে বোঝানোর চেষ্টাকরে কিন্তু স্বামীর পরিবারের লোকজন তো দূরের কথাতার স্বামীই কিছু বুঝতে চায় না। তাই মমতা বাধ্য হয়েস্বামী-সংসার ত্যাগ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েশিক্ষক হিসেবে চাকুরি গ্রহণ করে। উদ্দীপকের মমতা তোমার পঠিত কোন চরিত্রেরপ্রতিনিধিত্ব করে?
- কহিল সে কাছে সরে আসি' পরের পঙ্ক্তি কোনটি?
- বাবা না থাকায় চাচাই মূলত, বিয়ের সময় সবুজের অভিভাবক হয়ে ওঠেন। বিয়ের কথাবার্তা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে তখন চাচার অস্বাভাবিক যৌতুক দাবির কারণে মেয়ের বাবা নারাজ হন। এমন লোভী পরিবারে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন।'এমন লোভী পরিবারে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন'- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- নিচের কোন চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসের?
- 'অপরিচিতা' গল্পে কন্যাকে কী দিয়ে আশীর্বাদ করা হয়েছিল?
- ‘আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব এ কথা যারা মনে করে তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারিনা।’ উক্তিটি কে করেছিলেন?
- Write a paragraph within 200 words on "City Life and Country Life".
- জ্বালিয়ে রেখেছি মনের প্রদীপআমার ডুলেডরা বাগানেতোমার ছোঁয়ায় ফুটুক ফুল,সান্ত্বনার আঙুলে দেখো পরগাছা আমারে ।উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের ন্যায় প্রকাশিত হয়েছে— অনুশোচনাঅহমিকাঅনুনয়নিচের কোনটি সঠিক?
- মামার একমাত্র লক্ষ্য কী ছিল?
- অতুলনীয় মাতৃস্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃস্নেহের প্রাবাল্যে মানুষ আপনাকে হারাইয়া আসল শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না- দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।"উদ্দীপকের ইতিবাচক মর্মার্থ উপলব্ধির মানসিকতাই 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের পরিবর্তিত জীবনভাবনার উপায় হিসেবে কাজ করেছে।"- মন্তব্যটির সার্থকতা বিচার করো।
- আমাদের সমাজে ছেলে সন্তানের জন্ম হলে সবাই খুশি হয়। এর নেপথ্যে কারণ কন্যাসন্তানের বিয়ে দিতে দতে অনেক অনেক অর্থ সংকুলন করতে হয়। সামাজিক, ধর্মীয় এবং আইনগত কুপ্রথার কারণে প্রতিনিয়ত অনেক নারী স্ত্রী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মানুষ যত দিন ভোগবাদী চিন্তার চূড়ান্ত স্তর থেকে বেরিয়ে আসতে না পারবে, ততদিন এ ব্যাধি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। মানুষের চিন্তার চিকিৎসা করাতে পারলে মানবতার জয়গান প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।উদ্দীপকের ভোগবাদী চিন্তার দিকটি 'অপরিচিতা' গল্পের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কেন তা ব্যাখ্যা করো