কোনটির ইলেকট্রন আসক্তি সর্বনিম্ন?
p

কোনটির ইলেকট্রন আসক্তি সর্বনিম্ন? 🤔
উত্তর: "p"
ব্যাখ্যা:
ইলেকট্রন আসক্তি (Electron Affinity) হলো একটি গ্যাসীয় পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ স্তরে একটি ইলেকট্রন যুক্ত হয়ে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হওয়ার সময় যে শক্তি নির্গত হয় (অথবা শোষিত হয়)। পর্যায় সারণিতে কিছু সাধারণ প্রবণতা দেখা যায়:
- বাম থেকে ডানে সাধারণত বৃদ্ধি পায়: কারণ নিউক্লিয়াসের চার্জ বৃদ্ধি পাওয়ায় ইলেকট্রনকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা বাড়ে। ➡️
- উপর থেকে নিচে সাধারণত হ্রাস পায়: কারণ নতুন ইলেকট্রন নিউক্লিয়াস থেকে দূরে যুক্ত হয় এবং ভেতরের স্তরগুলোর ইলেকট্রন বিকর্ষণ করে। ⬇️
এখন, "p" বলতে পর্যায় সারণির কোন মৌলকে বোঝানো হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়। যদি "p" পর্যায় সারণির ৩য় পর্যায়ের ফসফরাস (Phosphorus) হয়, তাহলে এর ইলেকট্রন আসক্তি তুলনামূলকভাবে কম হবে। বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) অথবা নাইট্রোজেন (N)-এর ইলেকট্রন আসক্তি প্রায় শূন্য বা ধনাত্মক হতে পারে।
ফসফরাসের ইলেকট্রন আসক্তি কম হওয়ার কয়েকটি কারণ:
- ছোট আকার: ফসফরাসের আকার ছোট হওয়ায় নতুন ইলেকট্রন যুক্ত হতে বিকর্ষণের সম্মুখীন হয়।
- স্থিতিশীল ইলেকট্রন বিন্যাস: ফসফরাসের ইলেকট্রন বিন্যাস তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল হওয়ার কারণে এটি সহজে ইলেকট্রন গ্রহণ করতে চায় না।
বিভিন্ন মৌলের ইলেকট্রন আসক্তির তুলনা (কিলোজুল/মোল এককে):
| মৌল | ইলেকট্রন আসক্তি (kJ/mol) |
|---|---|
| বেরিলিয়াম (Be) | ≥ 0 |
| ম্যাগনেসিয়াম (Mg) | -40 |
| নাইট্রোজেন (N) | -7 |
| ফসফরাস (P) | -72 |
| ক্লোরিন (Cl) | -349 |
লক্ষ্য করুন: ক্লোরিনের ইলেকট্রন আসক্তি সবচেয়ে বেশি কারণ হ্যালোজেনগুলোর মধ্যে এর আকার তুলনামূলকভাবে ছোট এবং এটি একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে স্থিতিশীল অষ্টক (Octet) গঠন করতে পারে। 👍
যদি "p" অন্য কিছু নির্দেশ করে, তাহলে সেই অনুযায়ী ইলেকট্রন আসক্তির কারণ ভিন্ন হবে। 🧪
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার কাজে লাগবে! 😊