হুমরাবেদের মেয়ে মহুয়ার প্রেমে পড়ে জমিদারপুত্র নদের চাঁদ। জমিদার বিষয়টি জানতে পেরে রাতের আঁধারে হুমরাবেদের দলকে গ্রামছাড়া করে। নীচু জাত বেদের মেয়ের সাথে তাঁর পুত্র নদের চাঁদের প্রেম তিনি মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু নদের চাঁদ মহুয়াকে পাওয়ার আশায় বাবা-মাকে ছেড়ে যায়। হুমরাবেদে নদের চাঁদকে হত্যার জন্য মহুয়ার হাতে বিষলক্ষার ছুরি তুলে দেয়।
উদ্দীপকের নদের চাঁদ চরিত্রের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্র তুলনীয়? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘পথের দাবি’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে ?
- 'যে বস্তুটি এই অসাধ্য সাধন করিয়া তুলিয়াছিল তাহারপরিচয় যদিও সেদিন পাই নাই, কিন্তু আর একদিন-পাইয়াছিলাম।'— এখানে 'বস্তুটি' বলতে 'বিলাসী'গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?
- বিলাসীর আত্মহত্যা পরিহাসের বিষয় হলো কেন?
- 'বিলাসী' গল্পে বর্ণিত মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ির পরিবেশ কেমন ছিল?
- 'ঘন জঙ্গলের পথ। একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো' উক্তিটি কার?
- 'লালসালু' উপন্যাসে চেঙা বুড়ো কার কথায় বিভ্রান্ত হয়?
- শরৎ সাহিত্যে সমাজের নিচু তলার মানুষ কীভাবে চিত্রিত হয়েছে?
- 'তাহার ফোর্থক্লাসে পড়ার ইতিহাস কখনো শুনি নাই” -বিলাসী গল্পে উল্লেখিত 'ফোর্থক্লাস' বর্তমানে কোন ক্লাস?
- মরিয়ম শহরের একটি হাসপাতালে চাকরি করেন। হাসপাতালের দায়িত্ব শেষ করে গ্রামে ফিরতে প্রায়ই তার রাত হয়, এমনকি রোগীর দেখাশোনার জন্য মাঝে মাঝে। তাকে রাতে হাসপাতালে থাকতে হয়। গ্রামের কিছু মানুষ রাত করে বাড়ি ফেরা এবং বাড়ির বাইরে রাতে থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারে না'। তারা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মরিয়মকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু মরিয়ম তার প্রতিবাদ করেন, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই গ্রাম ছেড়ে যাবেন না। এই অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বলা যায় যে মরিয়ম ও বিলাসী উভয়েই- প্রতিবাদী নারী সভা কুসংস্কারের শিকারকরুণ পরিণতির শিকার নিচের কোনটি সঠিক?
- ‘ঘন জঙ্গলের পথ, একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো।' কে কাকে বলেছে?
- কোন গল্প রচনার মাধ্যমে ছোটোগল্প লেখক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মপ্রকাশ ঘটে?
- ‘মনসা দেবী আমার মা' কোন গল্পে বলা হয়েছে?
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কে নবাব হলে সকলের উদ্দেশ্যই হাসিল হবে?
- নূরলদিন যে পূর্ণিমায় মায় ডাক দিবে সে পূর্ণিমা কেমন?
- উপরের আদালতের হুকুমে' বোঝানো হয়েছে? বলতে কোনটিকে
- শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- ‘চার ক্রোশ পথ ভেঙে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়।’-- এক ক্রোশে কত মাইল?
- ব্রাহ্মণের শিক্ষিত ছেলে সমীর ভালোবেসে বিয়ে করে গ্রামেরজেলে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত মেয়ে নীলিমাকে। রাশভারী বাবাউপেন্দ্রনাথ তাতে রাজি না হয়ে সমীরকে সম্পত্তি থেকেবঞ্চিত করে। সমীর ও নীলিমা আত্মনির্ভরশীল হয়ে এখনসুখে আছে।উদ্দীপকের উপেন্দ্রনাথ চরিত্রের মধ্যে 'বিলাসী'গল্পের যে সামাজিক সমস্যাটি নিহিত তা হলো-
- 'বাবুরা, আমাকে একটিবার ছেড়ে দাও আমি রুটিগুলোঘরে দিয়ে আসি।'- বিলাসী এ কথা কেন বলেছিল? শিয়াল কুকুরে খেয়ে যাবেরোগা মানুষ সমস্ত রাত খেতে পাবে না মৃত্যুঞ্জয় মরে যাবেনিচের কোনটি সঠিক?
- 'মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে'। এখানে মহত্ত্ব কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ‘মহত্ত্বের কাহিনি আমাদের অনেক আছে' উক্তিটি কোন গল্পের?
- বিশ্বনাথ একজন সাপুড়ে। তার স্ত্রী কল্পনাও সাপুড়ে। সাপ খেলা দেখিয়ে তাবিজ বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। কিন্তু কল্পনা এখন আর সাপুড়ে পেশা পছন্দ করে না। সে বিশ্বনাথকে সাপুড়ে পেশা ছেড়ে অন্য কিছু করতে বলে। কারণ, 'প্রথমত, সাপের কামড়ে স্বামীর মৃত্যুর আশঙ্কা, দ্বিতীয়ত, শিকড়-বাকড় বিক্রির মাধ্যমে টাকা অর্জন করা লোক ঠকানোর নামান্তর। কিন্তু বিশ্বনাথ তা আমলে নেয় না। সে বলে, আমরা লোক ঠকাই না; লোকদের খেলা দেখিয়ে আনন্দের বিনিময়ে উপার্জন করি।উদ্দীপকে কল্পনা 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে কতটুকু সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- শরৎচন্দ্রের প্রথম মুদ্রিত রচনা 'মন্দির' একটি -
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।সৌদামিনী চরিত্রের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পে বিলাসীর সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মৃত্যুঞ্জয়ের জাত-বিসর্জনের কারণ ব্যাখ্যা করো।
- 'বিলাসী' গল্পে কোন মোগল সম্রাটের নাম উল্লেখ আছে?
- মহুয়া শহরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তার শহরে কাজ করার বিষয়টি গ্রামের কিছু মানুষ পছন্দ করে না। উপরন্তু তার নামে দুর্নাম রটনা করে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি এলে গ্রামের মানুষগুলো মহুয়ার নামে বিচার বসায়। তারা মহুয়াকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু মহুয়া তাতে প্রতিবাদ করে। অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই কোথাও যাবে না।বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি মহুয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা বর্ণনা করো।
- ন্যাড়া সন্ন্যাসী অবস্থায় কোথায় গিয়ে সিদ্ধি লাভ করে এসেছে?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত সালে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানী জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ ক??েক একর সম্পত্তির মালিক ।এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্যাতি দেবর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একদিন এক শিশুকে দুর্ভিক্ষের কবল থেকে প্রাণে বাঁচিয়ে তুলে এনে লালনপালন করতে থাকে নিজ সন্তানের মতো। শিশুটি বড়ো হতে থাকে কিন্তু সম্পত্তির লোভে সৌদামিনীয় দেখর। দবর অভিযোগ তোলে রাস্তা। থেকে একটা অস্পৃশ্য সন্তানকে তুলে এনে নিজ ঘরে আশ্রয় নিয়েছে সৌদামিনী। সে জাতের দ্বিধান লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে। যে- সে যা করছে তা মহাপাপ, হিন্দু সমাজের জাত ধর্ম শেষ হলে গেল।(কাহিনি সূত্র: সৌদামিনী মালো- শওকত ওসমান)"মনোরঞ্জন যেন 'বিলাসী' গল্পের খুড়ারই প্রতিচ্ছবি।"- বিষয়টি মূল্যায়ন করো।
- 'ঘন জঙ্গলের পথ। একটু দেখে পা ফেলে যেয়ো।" - উক্তিটি কার?
- বিলাসী' গল্পে 'মহত্ত্বের কাহিনি' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?
- 'আমাদের তো খাবারের ভাবনা নাই আমরা কেন মিছামিছি লোক ঠকাতে যাই'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'স্বদেশের মঙ্গলের জন্য সমস্ত অকাতরে সহ্য করিয়া তাহাকে হিড়হিড় করিয়া টানিয়া লইয়া চলিলাম।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'ওরে বাপরে আমি আর একলা থাকতে পারব না'- উক্তিটির ভাবার্থ লেখো।
- শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- টিকিয়া থাকাই চরম সার্থকতা নয়।'- মন্তব্যটি কোন্ রচনা থেকে নেওয়া?
- মৃত্যুঞ্জয়' রান্না করে খেত কেন?
- কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি গল্প?