এক্টোথার্মিক প্রাণী কোনটি?
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসChordata পর্বের শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
B.
সোনা ব্যাঙ
Explanation:


Another Explanation (5):
এক্টোথার্মিক প্রাণী কি?
এক্টোথার্মিক প্রাণী হলো এমন প্রজাতি যার শরীরের তাপমাত্রা পরিবেশের উপর নির্ভর করে। এই ধরনের প্রাণীর শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হয় পরিবেশের তাপমাত্রার সঙ্গে। এগুলোর জন্য শক্তির অভাব কম হয় কারণ তারা বাহ্যিক তাপমাত্রা থেকে নিজেদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
উদাহরণ: 🐸 সোনা ব্যাঙ
সোনা ব্যাঙ (Gold Frog) একটি এক্টোথার্মি প্রাণী। এটি পরিবেশের তাপমাত্রা অনুযায়ী নিজেদের শরীরের তাপমাত্রা সামঞ্জস্য করে। 🐸
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- পরিবেশের তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল 🏞️
- শারীরিক তাপমাত্রা পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ 🌡️
- অন্তঃপ্রজনন বা অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ কম করে 💧
সাধারণত এক্টোথার্মিক প্রাণীদের তালিকা:
| প্রাণীর নাম | বিশেষ বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| সোনা ব্যাঙ 🐸 | পরিবেশের উপর নির্ভরশীল তাপমাত্রা |
| সাপ 🐍 | শরীরের তাপমাত্রা পরিবেশের সঙ্গে পরিবর্তিত হয় |
| মাছ 🐟 | অন্তঃপ্রবেশ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে না |
সারসংক্ষেপ:
সোনা ব্যাঙ একটি এক্টোথার্মি প্রাণী। এর শরীরের তাপমাত্রা পরিবেশের উপর নির্ভরশীল হওয়ার কারণে এটা অন্যান্য endothermic (অন্তঃপ্রজনন) প্রাণীর থেকে আলাদা। 🧪
Option A Explanation:
- প্রজাতি: দোয়েল (Starling)
- বৈশিষ্ট্য: দোয়েল হলো একটি এক্টোথার্মিক (উষ্ণরক্ত) পাখি, যার শরীরের তাপমাত্রা স্থির থাকে।
- আবাসস্থল: এটি সাধারণত উত্তর আফ্রিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায়।
- খাদ্যাভ্যাস: দোয়েল প্রধানত গাছের ফল, শস্য এবং ছোট কীটপতঙ্গ খায়।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এর পালকের রঙ সাধারণত কালো বা বাদামী হয়, তবে কিছু প্রজাতির পালকে ঝলমলে রঙে দেখা যায়।
Option B Explanation:
- প্রজাতির নাম: সোনা ব্যাঙ (Golden Poison Frog)
- অর্থ: এটি একটি এক্টোথার্মিক (উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ) প্রাণী, অর্থাৎ এর শরীরের তাপমাত্রা পরিবেশের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।
- অবস্থান: সাধারণত দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে দেখা যায়।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এর শরীরের রং খুবই উজ্জ্বল এবং মনোযোগ আকর্ষণ করে, যা শিকারীদের থেকে সতর্ক করে।
- অন্য তথ্য: এই প্রাণীটি খুবই বিষধর, এবং এর বিষের কারণে এটি খুবই বিপজ্জনক।
Option C Explanation:
- প্রজাতি: রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris tigris)
- প্রকার: ক্রিয়াশীল প্রাণী (সাধারণতঃ শীতলস্থলে বাস করে)
- অ্যাক্টিভিটি: দিন এবং রাতে সক্রিয় হতে পারে, তবে সাধারণত রাতে বেশি সক্রিয় থাকে
- শরীরের তাপমাত্রা: স্বতন্ত্রভাবে বজায় রাখতে সক্ষম, তবে সাধারণভাবে পরিবেশ??র উপর নির্ভরশীল
- বৈশিষ্ট্য: বৃহৎ শিকারী, শক্তিশালী দেহ, সুন্দর দাগবিশিষ্ট
- অন্য নাম: বাঘ বা টাইগার
Option D Explanation:
- গিনিপিগের লিঙ্গ নির্ধারণের পদ্ধতি: গিনিপিগে, লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য XX-XO পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- XX-XO পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে, মহিলাদের জন্য দুটি X ক্রোমোজোম (XX) এবং পুরুষদের জন্য একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম (XO বা XY) থাকে।
- প্রজনন প্রক্রিয়া: পুরুষের Y ক্রোমোজোমের উপস্থিতি নির্ভর করে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। যদি Y ক্রোমোজোম থাকে, তবে ছেলে (পুরুষ) হয়; যদি Y না থাকে, তবে মেয়ে (মহিলা) হয়।
- উপকারিতা: এই পদ্ধতি দ্বারা লিঙ্গ নির্ধারণ সহজে বোঝা যায় এবং ব্যবস্থাপনা করা যায়।