মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

সর্বমুখ পরাগধানী কোন উদ্ভিদে পাওয়া যায়?                                  


A.

জবা 

B.

ধানে 

C.

কার্পাস 

D.

ঢেঁড়স 

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রনগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদএকবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্র Poaceae (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B.

ধানে 

Explanation:

Another Explanation (5):

সর্বমুখ পরাগধানী (Versatile Anther): ধানের একটি বৈশিষ্ট্য 🌾

পরাগধানীর (Anther) বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এর প্রকারভেদ হয়ে থাকে। সর্বমুখ পরাগধানী (Versatile Anther) হলো তেমন একটি প্রকার। নিচে এর বৈশিষ্ট্য এবং ধান উদ্ভিদে এর উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হলো:

সর্বমুখ পরাগধানী কী? 🤔

  • সংজ্ঞা: যখন পরাগধানীটি সরু ফিলামেন্টের (Filament) সঙ্গে শুধুমাত্র একটি বিন্দুতে সংযুক্ত থাকে এবং মুক্তভাবে দোল খেতে পারে, তখন তাকে সর্বমুখ পরাগধানী বলে।
  • বৈশিষ্ট্য:
    • পরাগধানী ফিলামেন্টের উপর সহজে নড়াচড়া করতে পারে। 🤸
    • বাতাসের মাধ্যমে পরাগায়ণ (Pollination) হওয়ার ক্ষেত্রে এটি সহায়ক। 🌬️

ধান উদ্ভিদে সর্বমুখ পরাগধানী 🍚

ধান (Rice) হলো পোয়েসি (Poaceae) পরিবারের একটি উদ্ভিদ। এর পরাগধানী সর্বমুখ প্রকৃতির। এর কারণ:

  1. গঠন: ধানের পরাগধানী লম্বা এবং সরু ফিলামেন্টের সাথে একটি ছোট সংযোগস্থলে যুক্ত থাকে।
  2. কার্যকারিতা: এই ধরনের গঠন পরাগরেণু (Pollen) সহজে বাতাসে ছড়াতে সাহায্য করে, যা ধানের পরাগনের জন্য অপরিহার্য।

অন্যান্য উদ্ভিদে সর্বমুখ পরাগধানী 🌿

ধান ছাড়াও আরও কিছু উদ্ভিদে এই ধরনের পরাগধানী দেখা যায়। নিচে কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হলো:

  • ঘাস (Grasses) 🌾
  • ভূট্টা (Maize) 🌽
  • গম (Wheat) 🌾

পরাগধানীর প্রকারভেদ 📊

পরাগধানীর প্রকারভেদ এবং তাদের বৈশিষ্ট্য নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে দেখানো হলো:

প্রকারভেদ বৈশিষ্ট্য উদাহরণ
আসক্ত (Adnate) পরাগধানী সম্পূর্ণভাবে ফিলামেন্টের সাথে সংযুক্ত। পদ্ম (Lotus) 🌸
ভিত্তিবন্ধ (Basifixed) পরাগধানী তার ভিত্তির সাথে ফিলামেন্টের মাধ্যমে সংযুক্ত। সর্ষে (Mustard) 🌼
পৃষ্ঠলগ্ন (Dorsifixed) পরাগধানী তার পৃষ্ঠের সাথে ফিলামেন্টের মাধ্যমে সংযুক্ত। শিম (Bean) 🌱
সর্বমুখ (Versatile) পরাগধানী ফিলামেন্টের সাথে একটি বিন্দুতে সংযুক্ত এবং মুক্তভাবে নড়াচড়া করতে পারে। ধান (Rice) 🍚

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ ✅

  • সর্বমুখ পরাগধানী বায়ু পরাগী উদ্ভিদের জন্য খুবই উপযোগী।
  • ধানে এই বিশেষ ধরনের পরাগধানী থাকার কারণে পরাগরেণু সহজেই বাতাসে ছড়াতে পারে।
  • পরাগধানীর গঠন উদ্ভিদের প্রজনন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আশা করি, এই আলোচনা থেকে সর্বমুখ পরাগধানী এবং ধান উদ্ভিদে এর উপস্থিতি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধ??রণা পাওয়া গেছে। 😊

Option A Explanation:
  • জবা ফুলের পাপড়ি: জবা বা জবা ফুলের পাপড়িগুলাে মূলতঃ twisted বা মোড়ানো আকারে থাকে।
  • অ্যাস্টিভেশন ধরণ: এর পাপড়িগুলাে মূলতঃ twisted aestivation বা মোড়ানো অ্যাস্টিভেশনের মধ্যে পড়ে।
  • বিশেষত্ব: এই ধরনের অ্যাস্টিভেশনের কারণে ফুল দ্রুত ফুল ফোটা ও পরিপক্বতা অর্জন করে।
  • উপকারিতা: এই ধরণের অ্যাস্টিভেশন ফুলের সেন্ট্রাল অংশে উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং পরাগায়ন প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
Option B Explanation:
  1. ধানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধানজাতীয় উদ্ভিদ যা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  2. এটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে বিশেষ করে পরাগধানী (অর্থাৎ পরাগের উৎপাদনকারী অংশ) দ্বারা উল্লেখযোগ্য।
  3. সর্বমুখ পরাগধানী বলতে বোঝায় যে, উদ্ভিদের পরাগধানী প্রতিটি ফুলের মুখে বিভিন্ন দিক থেকে উৎপন্ন হয়, যা পরাগের বিস্তার ও সংরক্ষণে সহায়তা করে।
  4. ধানে উদ্ভিদে এই ধরনের সর্বমুখ পরাগধানী বিদ্যমান, যা পরাগের প্রজনন ও সংবহন প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
Option C Explanation:
  • কার্পাস (Cotton):
  • কার্পাস উদ্ভিদে সর্বমুখ পরাগধানী পাওয়া যায়।
  • এটি এক প্রকার উভলিঙ্গী ফুল, যেখানে ফুলের সব অংশ একই পুষ্পে থাকে।
  • ফুলের মধ্যে পরাগদান প্রক্রিয়া সাধারণত দ্রুত সম্পন্ন হয়।
  • উপযুক্ত পরিবেশে এর পরাগসংযোগ উচ্চ মাত্রায় হয়।
Option D Explanation:
  • প্রাকৃতিক উপাদান: ঢেঁড়স হলো একটি প্রকৃতিক সবজি যা বিভিন্ন পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ।
  • পুষ্টিগুণ: এতে ভিটামিন C, ভিটামিন K, ফাইবার, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
  • অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য: ঢেঁড়সের ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে সহায়ক এবং অন্ত্রের কার্যক্ষমতা উন্নত করে।
  • শর্করা ও গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ: এটি গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে, যা ডায়াবেটিস রোগে উপকারী।
  • প্রতিষেধক বৈশিষ্ট্য: ঢেঁড়সের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।