সবচেয়ে বড় পর্ব কোনটি?
CVASUজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসননকর্ডাটা প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)CVASU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
Arthropoda
Explanation:

Another Explanation (5):
আর্থ্রোপোডা: বৃহত্তম পর্বের বিস্তারিত আলোচনা 🐛🐜🕷️
আর্থ্রোপোডা (Arthropoda) প্রাণীজগতের বৃহত্তম পর্ব। এই পর্বে প্রায় দশ লক্ষেরও বেশি প্রজাতি অন্তর্ভুক্ত, যা সমগ্র প্রাণীজগতের প্রায় ৮০%। এদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য, বাসস্থান এবং জীবনযাত্রা এদেরকে এত সফলভাবে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে।
আর্থ্রোপোডার প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- বহিঃকঙ্কাল (Exoskeleton): কাইটিন নামক শক্ত উপাদান দিয়ে তৈরি বহিঃকঙ্কাল এদের শরীরকে রক্ষা করে এবং চলন??? সাহায্য করে। 🛡️
- খণ্ডযুক্ত শরীর (Segmented Body): এদের শরীর মাথা, বুক ও উদর - এই তিনটি অংশে বিভক্ত। প্রতিটি খণ্ড কিছু বিশেষ কাজের জন্য তৈরি।
- যুগ্ম উপাঙ্গ (Jointed Appendages): এদের পায়ে এবং অন্যান্য অংশে জোড়া থাকে, যা এদের চলাচলকে আরও সহজ করে। 🦵
- পুঞ্জাক্ষী (Compound Eyes): অনেক ছোট ছোট লেন্স দিয়ে তৈরি চোখ, যা এদের চারপাশের পরিবেশ দেখতে সাহায্য করে। 👁️
- উন্নত সংবেদী অঙ্গ (Advanced Sensory Organs): এদের অ্যান্টেনা এবং অন্যান্য সংবেদী অঙ্গ চারপাশের পরিস্থিতি বুঝতে সাহায্য করে। 👂
- রূপান্তর (Metamorphosis): অনেক আর্থ্রোপোডার জীবনচক্রে রূপান্তর দেখা যায়, যেমন লার্ভা থেকে পূর্ণাঙ্গ insect-এ পরিণত হওয়া। 🦋
আর্থ্রোপোডার শ্রেণীবিভাগ:
আর্থ্রোপোডা পর্বকে প্রধানত পাঁচটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:
- ক্রাস্টাসিয়া (Crustacea): চিংড়ি, কাঁকড়া ইত্যাদি। 🦀
- ইনসেক্টা (Insecta): কীটপতঙ্গ, যেমন - মশা, মাছি, প্রজাপতি ইত্যাদি। 🦋
- অ্যারাকনিডা (Arachnida): মাকড়সা, বিছ্যা ইত্যাদি। 🕷️
- মিরিয়াপোডা (Myriapoda): কেন্নো, জোঁক ইত্যাদি। 🐛
- ট্রিলোবাইটোমর্ফা (Trilobitomorpha): এটি একটি বিলুপ্ত শ্রেণী। 💀
আর্থ্রোপোডার গুরুত্ব:
আর্থ্রোপোডার অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নিচে কয়েকটি উল্লেখ করা হলো:
| ক্ষেত্র | গুরুত্ব | উদাহরণ |
|---|---|---|
| কৃষি 🌾 | পরাগায়ন, কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ | মৌমাছি, লেডিবার্ড বিটল |
| খাদ্য 🍔 | খাদ্য উৎস | চিংড়ি, কাঁকড়া |
| চিকিৎসা 🩺 | গবেষণা, ঔষধ তৈরি | হর্সশু ক্র্যাব (Limulus polyphemus) |
| পরিবেশ 🏞️ | মাটি তৈরি, খাদ্য জাল | কেঁচো, উইপোকা |
আর্থ্রোপোডার বাসস্থান:
আর্থ্রোপোডারা প্রায় সকল প্রকার পরিবেশে বসবাস করতে পারে, যেমন:
- জল (সমুদ্র, নদী, পুকুর) 🌊
- স্থল (বন, মরুভূমি, তৃণভূমি) 🌲
- বায়ু 🌬️
- অন্যান্য জীবের শরীর (পরজীবী হিসেবে) 🧛
উপসংহার:
আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীরা তাদের বৈচিত্র্যময় বৈশিষ্ট্য এবং পরিবেশের সাথে অভিযোজনের ক্ষমতার কারণে পৃথিবীতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে আছে। 🌍
Option A Explanation:
- Chordata: এই পর্বের প্রাণীগুলির মধ্যে পেরিহিমালতন্ত্র (peritoneum) পাওয়া যায়।
- উদাহরণস্বরূপ, মানুষের মতো স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, মাছ, সরীসৃপ, উভচর প্রভৃতি এই পর্বের অন্তর্ভুক্ত।
- চোর্ডেটারদের শরীরে মূলত তিনটি প্রধান অংশ থাকে: মাথা, কোর, ও শেষাংশ।
- এদের দেহের অভ্যন্তরে অনেক ধরনের সিস্টেম থাকে, যার মধ্যে পেরিহিমালতন্ত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option B Explanation:
Arthropoda মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ
- অঙ্গপ্রতিনিধি: শরীরের কাঠামো কঠিন কাঁটা বা শেল দিয়ে ঢাকা, যা সাধারণত বিভিন্ন ধাপে বিভক্ত (একাধিক অংশে বিভক্ত শরীর)।
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: বহু সংখ্যক জোড়া পা, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অবস্থিত।
- স্নায়ুব্যবস্থা: উন্নত স্নায়ুতন্ত্র, যা বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্রজনন: সাধারণত উভলিঙ্গ বা পৃথক লিঙ্গের মাধ্যমে প্রজনন করে।
- উৎপত্তি: প্রাথমিকভাবে স্থল, জলোচ্ছ্বাস, বা আড়াআড়ি পরিবেশে পাওয়া যায়।
- নখ ও কাটা: শরীরের বিভিন্ন অংশে শক্তিশালী নখ বা কাটা থাকে, যা খাদ্যগ্রহণ ও গঠন কাজে সাহায্য করে।
- উদাহরণ: মৌমাছি, মাছি, ঝিঁঝিঁ, চিংড়ি, পিঁপড়া ইত্যাদি।
Option C Explanation:
- মোল্লাস্কা (Mollusca): এই পর্বের প্রাণিরা সাধারণত শেল দ্বারা আচ্ছাদিত থাকে এবং জলজ পরিবেশে বেশি দেখা যায়।
- উদাহরণ: শামুক, অক্টোপাস, স্লুজ, ক্ল্যাম, চিংড়ি ইত্যাদি।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই পর্বের প্রাণিদের শরীর সাধারণত একটিমাত্র টিস্যু স্তর দিয়ে গঠিত, এবং শরীরের মধ্যে একটি পেটোড (visceral mass) থাকে যেখানে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকে।
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: বিভিন্ন প্রকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের উপস্থিতি দেখা যায়, যেমন হৃদয়, পেট, এবং শ্বাসতন্ত্র।
- উপকারিতা: মানব জীবন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ, যেমন খাদ্য, ওষুধ, এবং শেলপ্রাচীন শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
- প্রকার: এককোষী জীব
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: সাধারণত সুতার মতো ঝুলন্ত ঝিল্লি বা ঝিল্লির মতো অঙ্গ থাকেঃ Vorticella এর মূল বৈশিষ্ট্য
- আবাসস্থল: জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়, যেমন পুকুর, জলাশয়, নদী ইত্যাদি
- পুষ্টি প্রক্রিয়া: ফাগোসাইটোসিসের মাধ্যমে খাদ্য শোষণ করে থাকে
- প্রজনন: অণ্ডকোষ ও অন্ডাশয় দ্বারা বিভাজন বা অঙ্কুরের মাধ্যমে প্রজনন করে
- অন্য বৈশিষ্ট্য: চলাচলের জন্য সাইরিলিয়া (cilia) ব্যবহার করে, যা এর চলাচল ও খাদ্য শোষণে সাহায্য করে