মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

যে সব নিউক্লাইডের নিউট্রন সংখ্যা সমান তাদেরকে নিচের কোনটি বলে?

A. আইসোটোন
B. আইসোবার
C. আইসোটোপ
D. আইসোমার
Poster Download
JUUnit-HSet-2পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরমাণুর মডেল ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানপরমাণুর মডেল (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. আইসোটোন
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে নিউক্লাইডগুলোর মধ্যে নিউট্রন সংখ্যা সমান হওয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যখন দুটি নিউক্লাইডের নিউট্রন সংখ্যা সমান হয়, তাদেরকে আইসোটোন বল??? হয়। অপশন বিশ্লেষণ: A. আইসোটোন: সঠিক, কারণ এখানে নিউট্রন সংখ্যা সমান, তাই আইসোটোন বলা হয়। B. আইসোবার: ভুল, এটি তখন হয় যখন দুটি নিউক্লাইডের ভর সংখ্যা সমান হয়, নিউট্রন সংখ্যা নয়। C. আইসোটোপ: ভুল, এটি তখন হয় যখন দুটি নিউক্লাইডের আধান সংখ্যা সমান হয়, নিউট্রন সংখ্যা নয়। D. আইসোমার: ভুল, এটি তখন হয় যখন দুটি নিউক্লাইডের কনফিগারেশন বা স্টেট ভিন্ন হয়। নোট: নিউট্রন সংখ্যা সমান হলে আইসোটোন বলা হয়, এটি ভিন্ন ধরণের নিউক্লাইড হতে পারে, তবে নিউট্রন সংখ্যার সমানতা প্রধান বিষয়।
Another Explanation (5):

আইসোটোন: নিউট্রন সংখ্যার সমাহার ⚛️

যে সকল নিউক্লাইডের নিউট্রন সংখ্যা সমান, তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়। এদের পারমাণবিক সংখ্যা (প্রোটন সংখ্যা) ভিন্ন হওয়ার কারণে এরা ভিন্ন মৌলের পরমাণু।

আইসোটোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝

  • সমান নিউট্রন সংখ্যা: আইসোটোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের নিউট্রন সংখ্যা একই।
  • ভিন্ন পারমাণবিক সংখ্যা: এদের প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এরা আলাদা মৌল।
  • ভিন্ন ভর সংখ্যা: যেহেতু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাই এদের ভর সংখ্যাও ভিন্ন হয়।
  • ভিন্ন রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য: ভিন্ন মৌল হওয়ার কারণে এদের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যগুলোও ভিন্ন হয়ে থাকে।

উদাহরণ 📊

নিচে কয়েকটি আইসোটোনের উদাহরণ দেওয়া হলো, যেখানে নিউট্রন সংখ্যা সমান:

নিউক্লাইড প্রোটন সংখ্যা নিউট্রন সংখ্যা ভর সংখ্যা
3H 1 2 3
4He 2 2 4
14C 6 8 14
16O 8 8 16

আইসোটোন, আইসোবার ও আইসোটোপের মধ্যে পার্থক্য 🤔

নিউক্লাইডগুলোর মধ্যে প্রায়ই আইসোটোন, আইসোবার ও আইসোটোপ নিয়ে confusion তৈরি হয়। এদের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • আইসোটোপ (Isotope): 🧪 এদের প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা) একই, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন।
  • আইসোবার (Isobar): ⚖️ এদের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন।
  • আইসোটোন (Isotone): 🧱 এদের নিউট্রন সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন।

এগুলোকে মনে রাখার জন্য "টোন" মানে নিউট্রন, "বার" মানে ভার(ভর), এবং "টোপ" মানে প্রোটোন এভাবে মনে রাখা যেতে পারে।

ব্যবহারিক প্রয়োগ 🚀

আইসোটোনের ব্যবহারিক প্রয়োগ তেমন একটা নেই। তবে নিউক্লিয়ার রসায়ন এবং নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের বিভিন্ন গবেষণায় এদের প্রয়োজন পড়ে।

আশা করি, আইসোটোন সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 💡