মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভেক্টর হিসেবে কি ব্যবহৃত হয়?

A. প্লাসমিড
B. নেমাটোড 
C. পেনিসিলিয়াম
D. মস
E. সবগুলো
Poster Download
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিজেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তি (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. প্লাসমিড
Explanation:

Another Explanation (5):

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভেক্টর: প্লাসমিড 🧬

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ, ভেক্টর হলো সেই বাহন 🚗 যা ব্যবহার করে কাঙ্খিত জিনকে একটি কোষ থেকে অন্য কোষে স্থানান্তর করা হয়। বিভিন্ন ধরনের ভেক্টর ব্যবহার করা হয়, তবে প্লাসমিড হলো এদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।

প্লাসমিড কি? 🤔

  • প্লাসমিড হলো ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান ছোট, বৃত্তাকার DNA অণু।
  • এগুলো ব্যাকটেরিয়ার ক্রোমোজোমাল DNA থেকে আলাদাভাবে প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে।
  • প্লাসমিডে সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের মতো বৈশিষ্ট্যগুলির জন্য জিন থাকে।
  • বৈজ্ঞানিকরা প্লাসমিডকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর কাজে লাগানোর জন্য এদের গঠন পরিবর্তন করে ব্যবহার করেন।

প্লাসমিড ভেক্টর হিসেবে ব্যবহারের সুবিধা ✅

  1. সহজে ব্যবহারযোগ্য: প্লাসমিডকে সহজেই ব্যাকটেরিয়া থেকে আলাদা করা যায় এবং পরিবর্তন করা যায়।
  2. ছোট আকার: এর ছোট আকারের জন্য এটিকে হ্যান্ডেল করা সহজ।
  3. বহুসংখ্যক প্রতিলিপি তৈরি: একটি ব্যাকটেরিয়া কোষে একটি প্লাসমিডের অনেকগুলো কপি থাকতে পারে, যা কাঙ্খিত জিনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।
  4. বিভিন্ন প্রকার প্লাসমিড: বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্লাসমিড ভেক্টর পাওয়া যায়।

প্লাসমিড ভেক্টরের গঠন 🧱

উপাদান কাজ
Origin of Replication (ori) 🔄 প্লাসমিডের প্রতিলিপি শুরু হওয়ার স্থান।
Multiple Cloning Site (MCS) বা Restriction Site ✂️ এখানে রেস্ট্রিকশন এনজাইম ব্যবহার করে DNA ঢোকানো হয়।
Antibiotic Resistance Gene 💊 যে ব্যাকটেরিয়া প্লাসমিড ধারণ করে, সেটিকে অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রদান করে।
Promoter 📣 কাঙ্খিত জিনের ট্রান্সক্রিপশন শুরু করার জন্য এটি RNA পলিমারেজকে আকর্ষণ করে।

প্লাসমিড ব্যবহারের প্রক্রিয়া ⚙️

  1. প্লাসমিড নির্বাচন: কাঙ্খিত জিনের আকার এবং বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে সঠিক প্লাসমিড নির্বাচন করা হয়।
  2. প্লাসমিড কাটা: রেস্ট্রিকশন এনজাইম ব্যবহার করে প্লাসমিডটিকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে কাটা হয়।
  3. জিন প্রবেশ করানো: কাঙ্খিত জিনটিকে প্লাসমিডের কাটা অংশে Ligase নামক এনজাইম ব্যবহার করে জোড়া লাগানো হয়।
  4. ব্যাকটেরিয়াতে রূপান্তর: প্লাসমিডযুক্ত ব্যাকটেরিয়া কোষকে নির্বাচন করা হয় (যেমন, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করে)।
  5. গুণন: রূপান্তরিত ব্যাকটেরিয়াগুলোকে কালচার করে প্লাসমিডের সংখ্যাবৃদ্ধি করা হয়।

প্লাসমিডের ব্যবহারিক প্রয়োগক্ষেত্র 🧪

  • ইনসুলিন উৎপাদন 💉
  • ভ্যাকসিন তৈরি 🛡️
  • জিন থেরাপি 🧬➡️⚕️
  • কৃষি ক্ষেত্রে উন্নত ফসল উৎপাদন 🌾

প্লাসমিড ভেক্টর জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এর সহজ ব্যবহারযোগ্যতা এবং বহুমুখীতার কারণে এটি বিজ্ঞানীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। 👍