মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিয়েহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে মেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহূদয়ের মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন যেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ, মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।
উদ্দীপকের আলোকে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের পরিণতি বর্ণনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আর্থিকভাবে সচ্ছল পরিবারের শিক্ষিত ছেলে কৌশিকের মা-বাবা তার মতামত না নিয়েই সুরবালার সঙ্গে বিয়ে ঠিক করে। সুরবালার বাবার অঢেল সম্পদ। গোপনে ঘটকের মধ্যস্থতায় এ বিয়েতে বরপক্ষকে নগদ টাকা, গাড়ি এবং ঢাকার অভিজাত এলাকায় একটি ফ্ল্যাট দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যৌতুকের বিষয়টি জানতে পেরে কৌশিক ও সুরবালা বেঁকে বসে এবং সম্পূর্ণ যৌতুকবিহীনভাবে পরস্পর বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়।উদ্দীপকের কৌশিকের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের তুলনা করো।
- 'আমার কন্যার গহনা আমি চুরি করিব এ কথা যারা মনে করে, তাদের হাতে আমি কন্যা দিতে পারি না।' উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে শম্ভুনাথ বাবুর-
- 'পদ্মরাগ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সিদ্দিকা। ব্যারিস্টার লতিফ আলমাসের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকা হয়। লফিতের চাচার ছিল সম্পদের লোভ কিন্তু সিদ্দিকার বড় ভাই সোলেমান তার বোনকে সম্পত্তি লিখে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তাই চাচা লতিফ আলমাসকে অন্য এক বিত্তশালী বিধবার কন্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার পর সিদ্দিকার সঙ্গে লতিফের যখন দেখা হয় তখন বিপত্নীক লতিফ সিদ্দিকাকে পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সিদ্দিকা সবকিছু জানার পর লতিফকে ক্ষমা করে কিন্তু সংসার করার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ ততদিনে সে নারী মুক্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত হয়ে জীবনের উদ্দেশ্যকে বদলে ফেলেছে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'অপরিচিতা' গল্পের মূল লক্ষ্য একই।"-বিশ্লেষণ কর।
- রবীন্দ্রনাথ কোন সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
- কোন শব্দগুচ্ছের বানান অশুদ্ধ?
- কার ছোটগল্পে হাতি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র?
- কোন ঘটনায় অনুপমের মন ‘পুলকের আবেশে' ভরেগিয়েছিল?
- 'ধনীর কন্যা তাঁর পছন্দ নয়।'- কার এবং কেন? ব্যাখ্যা করো।
- কল্যাণীর 'মাতৃআজ্ঞা'র ধরন আলোচনা কর।
- 'বিলাসী' গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'বাহিরে তো সে ধরা দিলই না, তাহাকে মনেও আনিতে পারিলাম না।'- ব্যাখ্যা করো।
- পণপ্রথা বলতে কী বোঝো?
- "বাঁশি" অর্থানুসারে কোন শ্রেনীর শব্দ?
- জটিল কিংবা যৌগিক বাক্যের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়-
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে না করার সিদ্ধান্তের কারণ কী ছিল?
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষতুলে ধরেছেন সুচারুরূপে। এ নাটকে তিনি দেখিয়েছেন ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার | করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়। অন্তত তাঁর' নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজজীবনের মধ্যে বিকাশ ও প্রতিষ্ঠা।উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে-নারী ব্যক্তিত্বের উন্মেষনারীরা আত্মোপলব্ধি ও আত্মপ্রতিষ্ঠানারীর প্রতি পুরুষশাসিত সমাজের বৈষম্য নিচের কোনটি সঠিক?
- কোনটি বাংলা ধাতু ?
- আমাদের সমাজে ছেলে সন্তানের জন্ম হলে সবাই খুশি হয়। এর নেপথ্যে কারণ কন্যাসন্তানের বিয়ে দিতে দতে অনেক অনেক অর্থ সংকুলন করতে হয়। সামাজিক, ধর্মীয় এবং আইনগত কুপ্রথার কারণে প্রতিনিয়ত অনেক নারী স্ত্রী নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মানুষ যত দিন ভোগবাদী চিন্তার চূড়ান্ত স্তর থেকে বেরিয়ে আসতে না পারবে, ততদিন এ ব্যাধি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। মানুষের চিন্তার চিকিৎসা করাতে পারলে মানবতার জয়গান প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে।উদ্দীপকের মানবতার জয়গানের বিষয়টি 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায়বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয় টাকা শোধ করিয়া দিব। রায়বাহাদুর বলিলেন, টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।উদ্দীপকের রামসুন্দর 'অপরিচিতা' গল্পে কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? ব্যাখ্যা কর।
- বিভুতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গদ্যের ধরণ কেমন?