কোন তাপমাত্রায় কোন ধরনের পদার্থের পরিবহন ব্যান্ড সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকে না?
JUUnit-HSet-1পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসেমিকন্ডাক্টর ও ইলেক্ট্রনিক্সপরিবাহী, অপরিবাহী ও অর্ধপরিবাহী (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
অর্ধপরিবাহক পদার্থ
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: তাপমাত্রার সাথে পরিবহন ব্যান্ডের সম্পর্ক। এই প্রশ্নে বলা হয়েছে, পরিবহন ব্যান্ড সম্পূর্ণ ফাঁকা কখনই থাকে না কোন ধরনের পদার্থে। এটি সাধারণত অর্ধপরিবাহক পদার্থের ক্ষেত্রে ঘটে। অপশন বিশ্লেষণ: A. পরিবাহক পদার্থ: ভুল, পরিবাহক পদার্থের পরিবহন ব্যান্ড কখনো ফাঁকা থাকে না। B. অপরিবাহক পদার্থ: ভুল, অপরিবাহক পদার্থে পরিবহন ব্যান্ডে সাধারণত গ্যাপ থাকে। C. অর্ধপরিবাহক পদার্থ: সঠিক, এর পরিবহন ব্যান্ড কখনও সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকে না। D. কোনটিই নয়: ভুল, সঠিক উত্তর C। E. ভুল: সঠিক উত্তর C। নোট: অর্ধপরিবাহক পদার্থে পরিবহন ব্যান্ড কখনও সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকে না এবং সঠিক উত্তর C হয়েছে।
Another Explanation (5):
অর্ধপরিবাহী: পরিবহন ব্যান্ডের বিশেষ আচরণ 🧐
অর্ধপরিবাহী এমন এক ধরনের পদার্থ 🧪, যাদের পরিবাহী (Conductor) এবং অন্তরকের (Insulator) মাঝামাঝি তড়িৎ পরিবাহিতা থাকে। এদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এদের পরিবহন ব্যান্ড (Conduction Band) কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সম্পূর্ণরূপে ফাঁকা থাকে না। নিচে এর কারণ এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় আলোচনা করা হলো:
কেন অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকে না? 🤔
- তাপমাত্রা: পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0K বা -273.15°C) একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড সাধারণত ফাঁকা থাকে। কিন্তু তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে যোজ্যতা ব্যান্ড (Valence Band) থেকে কিছু ইলেকট্রন শক্তি গ্রহণ করে পরিবহন ব্যান্ডে প্রবেশ করে। 🌡️
- শক্তিস্তর (Energy Gap): অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে যোজ্যতা ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে একটি শক্তিস্তর (Energy Gap) থাকে। এই শক্তিস্তরের মান কম হওয়ার কারণে ইলেকট্রন সহজেই শক্তি গ্রহণ করে ডিঙিয়ে যেতে পারে। ⚡
- অশুദ്ധി মেশানো (Doping): অর্ধপরিবাহীতে ইচ্ছাকৃতভাবে ভেজাল মেশানো হলে (ডোপিং), এর পরিবাহিতা অনেক বেড়ে যায়। ডোপিং এর মাধ্যমে হয় অতিরিক্ত ইলেকট্রন অথবা হোলের সৃষ্টি করা হয়, যা পরিবহন ব্যান্ডে চার্জ বাহকের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। ➕/➖
অর্ধপরিবাহীর প্রকারভেদ 📊
ডোপিংয়ের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে অর্ধপরিবাহী দুই প্রকার:
- N-টাইপ অর্ধপরিবাহী: এই ক্ষেত্রে, পঞ্চযোজী (Pentavalent) পরমাণু (যেমন ফসফরাস, আর্সেনিক) মেশানো হয়, যা অতিরিক্ত ইলেকট্রন সরবরাহ করে। ➡️
- P-টাইপ অর্ধপরিবাহী: এই ক্ষেত্রে, ত্রিযোজী (Trivalent) পরমাণু (যেমন বোরন, অ্যালুমিনিয়াম) মেশানো হয়, যা হোলের (Hole) সৃষ্টি করে। ⬅️
পরিবহন ব্যান্ডের অবস্থা: টেবিল 📝
| তাপমাত্রা 🌡️ | বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী 💧 | N-টাইপ অর্ধপরিবাহী ➕ | P-টাইপ অর্ধপরিবাহী ➖ |
|---|---|---|---|
| পরম শূন্য তাপমাত্রা (0K) | পরিবহন ব্যান্ড ফাঁকা | পরিবহন ব্যান্ডে সামান্য ইলেকট্রন | পরিবহন ব্যান্ড ফাঁকা, যোজ্যতা ব্যান্ডে হোল |
| комнатной температуре (25°C) | কিছু ইলেকট্রন যোজ্যতা ব্যান্ড থেকে পরিবহন ব্যান্ডে যায় | পরিবহন ব্যান্ডে অনেক বেশি ইলেকট্রন | যোজ্যতা ব্যান্ডে অনেক বেশি হোল |
ব্যবহার 💡
অর্ধপরিবাহী আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি। এর বহুল ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো:
- ট্রানজিস্টর 📱
- ডায়োড 💡
- সোলার সেল ☀️
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) 💾
সুতরাং, অর্ধপরিবাহী পদার্থের পরিবহন ব্যান্ড কোনো না কোনো তাপমাত্রায় ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে, যা এদেরকে ইলেকট্রনিক্স শিল্পে অপরিহার্য করে তুলেছে। ✅