রিকম্বিনেন্ট DNA এর ব্যবহার দ্বারা কোন উদ্দেশ্য সাধিত হয়?
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ ও এর গঠনরাইবোসোম (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
একই প্রজাতির উন্নতিকরণ ও হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ উভয়ই
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি জেনেটিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টি করে। অপশন বিশ্লেষণ: A. নতুন প্রজাতি গঠন: ভুল, এটি প্রজাতি পরিবর্তন করে না। B. একই প্রজাতির নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত উন্নতকরণ: আংশিক সঠিক, তবে আরও কিছু করা যায়। C. হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ: আংশিক সঠিক, তবে শুধুমাত্র ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে। D. উভয়ই: সঠিক, কারণ এটি উন্নতিকরণ এবং ক্লোনিং দুই ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। নোট: এই প্রযুক্তি ওষুধ, কৃষি ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে।
Another Explanation (5):
রিকম্বিনেন্ট DNA এর ব্যবহার
রিকম্বিনেন্ট DNA এর ব্যবহার দ্বারা উদ্দেশ্য
রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির মাধ্যমে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যসমূহ সাধিত হয়ঃ
- 🥇 একই প্রজাতির উন্নতিকরণ – অর্থাৎ, নির্দিষ্ট গুণাগুণ বা বৈশিষ্ট্য আরও উন্নত বা পরিবর্তিত করার জন্য।
- 🎯 হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ – অর্থাৎ, জেনেটিকালি একই জীব বা ক্লোন তৈরি করা।
বিস্তারিত ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি ব্যবহারে বিজ্ঞানীরা নির্দিষ্ট জেন বা জিনকে অন্য জীবের মধ্যে যোগ করে বা পরিবর্তন করে থাকেন। এর মাধ্যমে:
| উদ্দেশ্য | বর্ণনা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| একই প্রজাতির উন্নতিকরণ | উন্নত বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী যোগ করে প্রজাতির উন্নতি সাধন। | জৈবিক রোগ নিরাময়ে উন্নত জাতের ধান বা গমের উদ্ভাবন। |
| হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ (ক্লোনিং) | একই জেনেটিক স্ট্রাকচার সম্পন্ন জীব তৈরি। | ডেইজি গরুর ক্লোনিং। |
অতএব, রিকম্বিনেন্ট DNA এর মূল লক্ষ্য হলো একই প্রজাতির উন্নতি ও হুবহু একই জীবের সৃষ্টিকরণ। এই প্রযুক্তি বৈজ্ঞানিক গবেষণা, কৃষি উন্নয়ন, ও মেডিকেল ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 🚀🌱
Option A Explanation:
নতুন প্রজাতি গঠনের জন্য রিকম্বিনেন্ট DNA এর ব্যবহার:
- রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি বিভিন্ন জৈবিক উপাদান বা জেনেটিক উপাদান সংযোগ করে নতুন জেনেটিক ক্রোমোসোম তৈরি করে।
- এটি বিভিন্ন জীবের DNA এর অংশগুলোকে একত্রিত করে নতুন ধরনের জেনেটিক স্ট্রাকচার তৈরি করতে সহায়ক।
- নতুন প্রজাতির সৃষ্টি বা গঠন করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির বৈশিষ্ট্য সংমিশ্রিত হয়।
- এটি সাধারণত জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে উদ্ভাবিত হয়, যেখানে জীবের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন বা নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়।
- সাধারণত, এই পদ্ধতিতে তৈরি জীব বা প্রজাতি সম্পূর্ণ আলাদা বা নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হতে পারে।
Option B Explanation:
- উদ্দেশ্য: একই প্রজাতির মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করে তাদের উন্নত করা।
- প্রক্রিয়া: রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন জেনের অংশগুলো একত্রিত করে নতুন বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ ডিএনএ তৈরি করা হয়।
- ফলাফল: প্রজাতির বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায় এবং পরিবেশের চাহিদা অনুযায়ী জীবের কার্যক্ষমতা বা গুণাবলী উন্নত হয়।
- উপকারিতা: কৃষি, গবেষণা ও রোগ নিরাময়ে নতুন জাত বা স্ট্রেন তৈরি করে জীবের কার্যক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হয়।
Option C Explanation:
- এই অপশনটি নির্দেশ করে যে, রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি জীবের জেনেটিক উপাদান সম্পূর্ণরূপে আলাদা জীবের মধ্যে প্রতিস্থাপিত বা স্থানান্তর করা হয়।
- এটি মূলত জীবের জেনেটিক বৈশিষ্ট্যগুলোকে পরিবর্তন বা প্রতিলিপি করতে ব্যবহৃত হয় যাতে সেই জীবের মতো একই বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
- উদাহরণস্বরূপ, কোনও নির্দিষ্ট রোগবিরোধী বা উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত জীবের জেনেটিক উপাদান অন্য জীবের মধ্যে প্রতিস্থাপন করে সেই জীবের মূল বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা বা উন্নত করা হয়।
- এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূল জীবের বৈশিষ্ট্যগুলো অপরিবর্তিত রেখে একই ধরনের জীবের সৃষ্টির উদ্দেশ্য সাধিত হয়।
Option D Explanation:
- উন্নতিকরণ: রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ ব্যবহার করে একই প্রজাতির মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্য সংযোজন বা উন্নত করা সম্ভব। এটি প্রজনন বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে প্রজাতির উন্নয়ন ঘটায়।
- হুবহু একই জীবের সৃষ্টি: একই জেনেটিক কোডের মাধ্যমে সম্পূর্ণ একই জীব বা ক্লোন তৈরি করা যায়, যা সাধারণত ক্লোনিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- দুটি উদ্দেশ্যই সাধিত হয়: অর্থাৎ, একই প্রজাতির উন্নতি সাধন এবং একই জীবের ক্লোন তৈরি, উভয়ই এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্জিত হয়।