৩-ফসফোগ্লিসারেল্ডিহাইড কোন এনজাইমের ক্রিয়ায় ডাইহাইড্রক্সি এসিটোন ফসফেট-এ পরিণত হয়?
JUUnit-DSet-4জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রউদ্ভিদ শারীরতত্ত্বসালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার কলাকৌশল (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
আইসোমারেজ
Explanation: ৩-ফসফোগ্লিসারেল্ডিহাইড আইসোমারেজ এনজাইমের ক্রিয়ায় ডাইহাইড্রক্সি এসিটোন ফসফেটে পরিণত হয় (Option A); Option B, C, D: ভুল কারণ এগুলো সংশ্লিষ্ট নয়। নোট: আইসোমারেজ এনজাইম রাসায়নিক রূপান্তর প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।
Another Explanation (5):
প্রশ্নের উত্তর ব্যাখ্যা
প্রশ্নঃ ৩-ফসফোগ্লিসারেল্ডিহাইড কোন এনজাইমের ক্রিয়ায় ডাইহাইড্রক্সি এসিটোন ফসফেট-এ পরিণত হয়?
উত্তরঃ আইসোমারেজ
বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা 🧪
৩-ফসফোগ্লিসারেল্ডিহাইড হল একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী যৌগ গ্লাইকোলিসিস প্রক্রিয়ায়। এটি মূলত গ্লিসারালডিহাইড-৩-ফসফেট-এর একটি সংশ্লিষ্ট যৌগ।
এই যৌগটি বিভিন্ন এনজাইমের দ্বারা বিভিন্ন রূপান্তরিত হয়। বিশেষ করে, আইসোমারেজ এনজাইমটি এই যৌগের এনঅ্যামিক রূপ থেকে অ্যামিক রূপে রূপান্তর করে।
বিশেষত, এই এনজাইমের ক্রিয়ায় ৩-ফসফোগ্লিসারেল্ডিহাইড থেকে ডাইহাইড্রক্সি এসিটোন ফসফেট-এ রূপান্তর ঘটে।
কীভাবে কাজ করে?
- আইসোমারেজ এনজাইমটি এনঅ্যামিক এবং অ্যামিক রূপের মধ্যে রূপান্তর ঘটায়।
- এটা একটি টাইপের ইন্টারমিডিয়েট এনজাইম ক্যাটালাইজড রিঅ্যাকশন, যেখানে যৌগের স্ট্রাকচারাল পরিবর্তন হয়।
- ফলস্বরূপ, ডাইহাইড্রক্সি এসিটোন ফসফেট তৈরি হয়, যা গ্লাইকোলিসিসের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
সারাংশ
| জৈব যৌগ | ক্রিয়ায় এনজাইম | ফলাফল |
|---|---|---|
| ৩-ফসফোগ্লিসারেল্ডিহাইড | আইসোমারেজ | ডাইহাইড্রক্সি এসিটোন ফসফেট |
অতএব, ৩-ফসফোগ্লিসারেল্ডিহাইড এর এই রূপান্তরে আইসোমারেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 🧬
Option A Explanation:
আইসোমারেজ (Isomerase)
- সংজ্ঞা: আইসোমারেজ এমন একটি এনজাইম যা অণুর গঠন বা বিন্যাসের পরিবর্তন ঘটায়, অর্থাৎ এক ধরনের আর্দ্রবিশ্লেষণ বা অর্ধবিশ্লেষণ না করে অণুর আকার বা বিন্যাস পরিবর্তন করে।
- মূল কাজ: এটি অণুর অভ্যন্তরীণ গঠন বা স্ট্রাকচারে পরিবর্তন আনে, যেমন ডায়ালডিহাইড থেকে গ্লুকোজের পরিবর্তন বা অন্যান্য আইসোমার তৈরি।
- ক্রিয়াকলাপের উদাহরণ:
- ডায়ালডিহাইড থেকে গ্লুকোজ বা ফ্রুকটোজে রূপান্তর
- অক্সো-সাধারণের আকার বা বিন্যাস পরিবর্তন
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই এনজাইমের মাধ্যমে অণুর আকার বা বিন্যাস পরিবর্তিত হলেও তার মৌলিক সংযোজক বা মৌলিক গঠন অপরিবর্তিত থাকে।
Option B Explanation:
- ডিহাইড্রোজিনেজ (Dehydrogenase): এটি একটি এঞ্জাইম যা অক্সিডেশন-প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী। এটি সাধারণত substrates থেকে হাইড্রোজেন বা ইলেকট্রন সরিয়ে নিতে সাহায্য করে।
- অপারেশন: ডিহাইড্রোজিনেজ এনজাইমগুলো প্রোটিনের মধ্যে এনজাইম-সহযোগী কোফ্যাক্টর যেমন নাইকোটিনামাইড অ্যাডিনাইন ডাইনুক্লিয়োটাইড (NAD+) বা ফ্লাভিন অ্যাডিনাইন ডাইনুক্লিয়োটাইড (FAD) ব্যবহার করে, যা হাইড্রোজেনের স্থানান্তর সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: ল্যাকটেট ডিহাইড্রোজিনেজ, সুক্রোজ ডিহাইড্রোজিনেজ, গ্লুকোজ-6-ফসফেট ডিহাইড্রোজিনেজ ইত্যাদি।
- প্রধান কাজ: এটি মেটাবলিজমের নির্দিষ্ট ধাপগুলোতে হাইড্রোজেন বা ইলেকট্রন সরানোর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করে।
Option C Explanation:
ইনলেজ (Enolase)
- ইনলেজ একটি গুরুত্বপূর্ণ এজাইম যা গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় কাজ করে।
- এটি ৩-ফসফোগ্লিসারেল্ডিহাইড থেকে ডাইহাইড্রক্সি এসিটোন ফসফেট (DHAP) উৎপাদনে সহায়ক।
- প্রক্রিয়াটিতে, ইনলেজ ৩-ফসফোগ্লিসারেল্ডিহাইডের একটি হাইড্রাক্সিল গ্রুপকে অ্যালডোহাইডে থেকে কেটোন এ রূপান্তর করে।
- এভাবে, ইনলেজ গ্লাইকোলাইসিসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেখানে এটি ফসফোএনোলপিরুভেট (PEP) উৎপাদনে সহায়তা করে।
- সাধারণত, ইনলেজ এনজাইমটি সক্রিয় থাকলে এই রূপান্তরটি দ্রুত হয়।
Option D Explanation:
- কাইনেজ (Kinase): এটি একটি এনজাইম যা পোষ্টফসফোরিলেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রোটিন বা মলিকিউলকে সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় করে।
- প্রধানত, কাইনেজ এনজাইমগুলি ATP থেকে ফসফেট গ্রুপ ট্রান্সফার করে তাদের লক্ষ্যপ্রোটিন বা মলিকিউলের উপর ফসফোরিলেশন ঘটায়।
- উদাহরণস্বরূপ, কাইনেজগুলি কোষের বৃদ্ধি, বিভাজন, ডাইভারজেন্স, এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কোষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্রকা??ভেদে বিভিন্ন কাইনেজ বিভিন্ন সাবস্ট্রেটের উপর কাজ করে, যেমন প্রোটিন কাইনেজ, লিপিড কাইনেজ ইত্যাদি।
- ফ্রুক্টোজ ৬-ফসফেটের জাইলুলোজ ৫-ফসফেটে রূপান্তর প্রক্রিয়ায়, এই এনজাইমটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে কাইনেজ শ্রেণীর হতে পারে।