বিরাম চিহ্ন ব্যবহৃত হয় না-
সঠিক উত্তরঃ
D.
বক্তার মেজাজকে স্পষ্ট করতে
Explanation: বিরাম চিহ্ন:
মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরাম-চিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরাম-চিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।
যতি বা বিরাম-চিহ্নের কাজ:
১. বাক্যে ব্যবহৃত পদগুচ্ছকে অর্থবহ করার জন্য বিরাম-চিহ্নের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট পদক্রম অনুসরণ করা হয়।
২. বাক্যের পদগুলোকে নির্দিষ্ট ছক বা রীতি অনুযায়ী সাজিয়ে তোলাই তার কাজ।
৩. বাক্যের পদগুলোর মধ্যে ভাবের পারম্পর্য বা সঙ্গতি রক্ষা করাই যতি বা বিরাম-চিহ্নের কাজ।
৪. তাদের লক্ষ্য বাক্যকে অর্থবহ করা।
৫. যতি চিহ্নের লক্ষ্য বাক্যের বক্তা বা লেখকের নির্দিষ্ট অর্থলক্ষ্যকে সোজাসুজি শ্রোতা বা পাঠকের কাছে পৌছে দেয়া।
সুতরাং, বিরাম-চিহ্ন ব্যবহৃত হয় না- বক্তার মেজাজকে স্পষ্ট করতে।
মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরাম-চিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরাম-চিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।
যতি বা বিরাম-চিহ্নের কাজ:
১. বাক্যে ব্যবহৃত পদগুচ্ছকে অর্থবহ করার জন্য বিরাম-চিহ্নের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট পদক্রম অনুসরণ করা হয়।
২. বাক্যের পদগুলোকে নির্দিষ্ট ছক বা রীতি অনুযায়ী সাজিয়ে তোলাই তার কাজ।
৩. বাক্যের পদগুলোর মধ্যে ভাবের পারম্পর্য বা সঙ্গতি রক্ষা করাই যতি বা বিরাম-চিহ্নের কাজ।
৪. তাদের লক্ষ্য বাক্যকে অর্থবহ করা।
৫. যতি চিহ্নের লক্ষ্য বাক্যের বক্তা বা লেখকের নির্দিষ্ট অর্থলক্ষ্যকে সোজাসুজি শ্রোতা বা পাঠকের কাছে পৌছে দেয়া।
সুতরাং, বিরাম-চিহ্ন ব্যবহৃত হয় না- বক্তার মেজাজকে স্পষ্ট করতে।