নিম্নের কোনটি ভাইরাসজনিত অসুখ নয়?
Dentalজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
যক্ষ্মা
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
ভাইরাসজনিত রোগ নয়: যক্ষ্মা
প্রশ্নটি ছিল: "নিম্নের কোনটি ভাইরাসজনিত অসুখ নয়?" এবং উত্তর ছিল "যক্ষ্মা"। নিচে এর একটি একাডেমিক মানসম্পন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
ভাইরাসজনিত রোগ এবং যক্ষ্মা: একটি তুলনা 🦠
ভাইরাসজনিত রোগ এবং যক্ষ্মা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের রোগ। এদের কারণ, সংক্রমণ প্রক্রিয়া এবং চিকিৎসাপদ্ধতিতেও ভিন্নতা রয়েছে।
ভাইরাসজনিত রোগ:
- কারণ: ভাইরাস নামক অতি-ক্ষুদ্র জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট।
- সংক্রমণ: হাঁচি, কাশি, স্পর্শ, দূষিত খাদ্য বা পানীয় অথবা কীটপতঙ্গের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
- উদাহরণ:
- সাধারণ ঠান্ডা লাগা 🤧
- ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু) 🤒
- হাম 🤕
- জলবসন্ত 🥶
- পোলিও ♿
- কোভিড-১৯ 🦠
- চিকিৎসা: ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ঔষধ (যেমন: অ্যান্টিভাইরাল) অথবা উপসর্গ উপশমের জন্য চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে ভ্যাকসিন (টিকা) রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। 💉
যক্ষ্মা (Tuberculosis):
- কারণ: মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস (Mycobacterium tuberculosis) নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট।
- সংক্রমণ: সাধারণত যক্ষ্মা রোগীর হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময় নির্গত হওয়া ক্ষুদ্র জলীয় কণার মাধ্যমে ছড়ায়। 🗣️
- प्रभाव: সাধারণত ফুসফুসকে আক্রান্ত করে, তবে শরীরের অন্য অংশেও (যেমন: কিডনি, মেরুদণ্ড, মস্তিষ্ক) ছড়াতে পারে। 🧠
- লক্ষণ:
- দীর্ঘস্থায়ী কাশি (তিন সপ্তাহের বেশি) 🫁
- কাফির সাথে রক্ত যাওয়া 🩸
- বুক ব্যথা 🤕
- ক্লান্তি 😫
- ওজন হ্রাস 📉
- জ্বর 🤒
- রাতে ঘাম হওয়া 😥
- চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধের মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা করা হয়। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রক্রিয়া (সাধারণত ৬-৯ মাস)।💊
ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্য 🔬
ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া দুটি ভিন্ন ধরনের জীবাণু। তাদের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
| বৈশিষ্ট্য | ভাইরাস | ব্যাকটেরিয়া |
|---|---|---|
| গঠন | কোষবিহীন, নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত। 🧬 | কোষীয় গঠন বিদ্যমান (কোষ প্রাচীর, সাইটোপ্লাজম, রাইবোসোম ইত্যাদি)। 🦠 |
| প্রজনন | জীবন্ত কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বংশবৃদ্ধি করে (অবশ্যই পোষক লাগে)। 繁殖 | দ্বিবিভাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেরাই বংশবৃদ্ধি করতে পারে। 🌱 |
| আকার | ব্যাকটেরিয়ার চেয়ে অনেক ছোট। 🤏 | ভাইরাসের চেয়ে বড়। 👍 |
| চিকিৎসা | অ্যান্টিভাইরাল ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করা হয়। 💊 | অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করা হয়। 🧪 |
সিদ্ধান্ত:
সুতরাং, সুস্পষ্টভাবে বলা যায় যে যক্ষ্মা ভাইরাসজনিত রোগ নয়। এটি মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রমণ। ✅
আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি প্রশ্নের উত্তর ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে। 😊
```Option A Explanation:
- প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
- কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
- প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
- প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
- চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
- উত্তেজনা বৃদ্ধি: বসন্তের সময় আবহাওয়া সুন্দর ও মনোরম হওয়ায় প্রাণীদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।
- পরিবেশগত উপাদান: এই ঋতুতে সূর্যের আলোকপ্রাপ্তি ও তাপমাত্রা উপযুক্ত থাকে, যা হাইড্রার যৌন প্রজননের জন্য সহায়ক।
- প্রজনন সময়সূচী: বসন্তে অনেক প্রাণী তাদের প্রজননের জন্য উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচনা করে, কারণ এই সময়ে পরিবেশগত উপাদান ও খাদ্য সরবরাহ বেশি থাকে।
- সংবেদনশীলতা: এই ঋতুতে হাইড্রার সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়, যা যৌন প্রজননের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করে।
Option C Explanation:
- প্রকার: ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ
- প্রধান কারণ: Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়া
- প্রভাবিত অঙ্গ: ফুসফুস প্রধানত, তবে অন্য অঙ্গগুলোও হতে পারে
- লক্ষণ: দীর্ঘস্থায়ী কাশি, কাশির রক্ত, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, জ্বর ও রাতের ঘাম
- চিকিৎসা: এন্টিবায়োটিকের মাধ্যমে পুরো কোর্স সম্পন্ন করা জরুরি
- প্রতিরোধ: টিকা (BCG) ব্যবস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধি
Option D Explanation:
- হার্পিস: হার্পিস হলো একটি ভ???ইরাসজনিত সংক্রমণ যা সাধারণত ঠোঁট বা জিহ্বায় ফোড়া বা ওয়ার্টের মতো ক্ষত সৃষ্টি করে।
- এটি হেরপেস ভাইরাসের (Herpes simplex virus) দ্বারা হয়।
- এই ভাইরাসটি সাধারণত শরীরে লুকানো থাকে এবং একবার সংক্রমিত হলে দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যায়।
- প্রচুর ক্ষেত্রে, এটি ঠাণ্ডা ঘা বা লেব্রোডার মতো লক্ষণ দেখায়।
- অন্য ভাইরাসের তুলনায়, হার্পিস ভাইরাসের সংক্রমণ সাধারণত বাহ্যিক ক্ষত বা ফোড়ার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।