'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয়
দৃশ্যের ঘটনাগুলো সংঘটনের স্থান কোনটি?
A.
ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ
B.
ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজ
C.
ঘসেটি বেগমের বাড়ি
D.
নবাবের দরবার
সঠিক উত্তরঃ
B.
ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘ব্রিটিশ সিংহ ভয়ে লেজ গুটিয়ে নিলেন, এ বড়লজ্জার কথা।'— উমিচাঁদের উক্তিটিতে প্ৰকাশপেয়েছে—
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশি-বিদেশি চক্রান্তে একদলবিপথগামী সেনাসদস্যের সহায়তায় জাতির জনকবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে ক্ষমতা দখলকরে খন্দকার মোশতাক। উদ্দীপকের খন্দকার মোশতাক এবং 'সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের মিরজাফরের উদ্দেশ্য কোন অর্থে অভিন্ন?
- পাকিস্তানি শাসকবর্গ দীর্ঘ চব্বিশ বছর বাঙালিদের উপর শাসন, শোষণ, অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে ও দেশ স্বাধীন করেছে। দেশের মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধু বহুবার জেল খেটেছেন। ১৯৭৫ সালে দেশি ও বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্র করে দেশপ্রেমিক এ মহান নেতাকে হত্যা করে।উদ্দীপকের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর দেশপ্রেমের বিষয়টি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সঙ্গে অধিকতর সঙ্গতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
- আওয়ালপুরের পীরের প্রধান মুরিদ কে?
- শেক্সপিয়রের নাটক 'ম্যাকবেথে' রাজা ডানকানকে সেনাপতি ম্যাকবেথ নিমন্ত্রণ করেন। ভোজশেষে রাজা ঘুমাতে গেলে লেডি ম্যাকবেথের প্ররোচনায় নিজে রাজা হওয়ার আশায় ডানকানকে হত্যা করেন ম্যাকবেথ।"অর্থ, ক্ষমতা ও স্বার্থ'-এ তিনই 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ষড়যন্ত্র, হত্যা ও হঠকারিতার জনক।"- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক অবলম্বনে এই উক্তির যথার্থতা বিচার করো।
- " সিরাজউদ্দৌলা'' নাটকটি কয় অঙ্কে বিভক্ত ?
- সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত সাহিত্য-পত্রিকার নাম কী?
- ১২০৪ সালে তুর্কি বীর ইখতিয়ার উদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৭/১৮ জন সৈন্য নিয়ে নদীয়ার শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজ্য আক্রমণ করেন। বখতিয়ার খিলজির শৃঙ্খলিত ও বিশ্বস্ত সেনবাহিনীর কাছে অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্মণ সেনের সেনাবাহিনী যুদ্ধ না করে জীবন বাঁচাতে পলায়ন করে। সেই সাথে লক্ষ্মণ সেনও সেদিন পলায়ন করেন। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই বখতিয়ার খিলজি বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন। আসলে সেদিন সেখানে যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে যুদ্ধের অভিনয়।উদ্দীপকের প্রতিফলিত দিকটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যাখ্যা কর।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কেন মিরজাফর চক্রকে বন্দি করেননি?
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান'। পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা, সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট সাজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটির শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট সাজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'সাজাহান'।উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।
- 'যত বড় মুখ নয় তত বড়ো কথা'- উক্তিটি কার?
- জোহরা: আর একদিন কি দু'দিন। তার পরই ঘোর সময় শুরু হবে। তুমি ফিরে এসো। আমার সঙ্গে ফিরে চলো।কার্দিঃ যে ফিরে যাবে সে আমি হব না সে হবে বিশ্বাসঘাতক। আমাদের সংকটের দিনে যারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে, কর্মে নিযুক্ত করেছে, ঐশ্বর্য দান করেছে সে মারাঠাদের বিপদের দিনে আমি চুপ করে বসে থাকব? পদত্যাগ করব? সে হয় না, জোহরা।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির প্রতি উদ্দীপকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? আলোচনা করো।
- রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া মিঠুকে এনে নিজের সন্তানের মতোলেখাপড়া শেখান নিয়াজের মা। বিয়ে দিয়ে সংসারও সাজিয়েদেন তিনি। অথচ ব্যাবসা-সংক্রান্ত বিষয়ে সামান্য কথাকাটাকাটির জের ধরে নিয়াজকে নিমর্মভাবে হত্যা করে মিঠু। উদ্দীপকে মিঠু চরিত্রটি নিচের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্বকরে?
- "ওর কাছে সব কিছুই যেন বড় রকেরম জুয়ো খেলা'- কার কাছে, কেন?
- "শুভ কাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়" কে কী প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিলেন?
- 'আমরা সাদা নিশান উড়িয়ে দিয়েছি'— বাক্যটির মধ্যদিয়ে কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?
- এতিম ফারুককে রাস্তা থেকে শিশু অবস্থায় কুড়িয়ে এনেবড় করেছে গণেশের বাবা। অথচ ফুটবল খেলতে গিয়েসামান্য কথা কাটাকাটির জের ধরে গণেশকে কুপিয়েহত্যা করে ফারুক । 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি উদ্দীপকেউপস্থিত?
- 'শুভকাজে অযথা বিলম্ব করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।' ব্যাখ্যা কর।
- ইংরেজরা পরাজিত হয়ে কোন জাহাজে আশ্রয় নেয়?
- ওয়ার্ল্ড গার্ডেন নেটওয়ার্ক নামে একটি বেসরকারি কোম্পানি রাতারাতি সারা দেশ ব্যাপী প্রসার লাভ করে। স্বল্প বিনিয়োগে মোটা অংকের মুনাফা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা দেশের সাধারণ মানুষের নিকট হতে টাকা তোলা শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যে কোম্পানিটির জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নিয়ে কোম্পানিটি এক রাতের মধ্যে সারা দেশ হতে গায়েব হয়ে যায়। এই ভুয়া কোম্পানির নিকট দেশের সাধারণ মানুষগুলো তাদের সর্বস্ব খুইয়ে দারুণভাবে প্রতারিত হয়।উদ্দীপকের কোম্পানির উদ্দেশ্যে এবং 'সিরাজউদ্দৌলা ' নাটকে বর্ণিত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্য একই সূত্রে গাঁথা'- তোমার মতামত দাও।
- রাইসুল জুহালা চরিত্রের মাধ্যমে নাট্যকার নাটকেযে বিষয়ের অবতারণা করেছেন—
- "নিজগৃহপথ, তাত দেখাও তস্করে? চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?"'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কী ছিল?
- মীর মর্দান ছিলেন -
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশি-বিদেশি চক্রান্তে একদলবিপথগামী সেনাসদস্যের সহায়তায় জাতির জনকবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে ক্ষমতা দখলকরে খন্দকার মোশতাক।উদ্দীপকের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুররহমান-এর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোনচরিত্রের মিল রয়েছে?
- 'আপনারা সব পারেন'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- তোমার অপরাধের জন্য নবাবের দন্ডাজ্ঞা শোনাতে এসেছি।'- কোন নবাবের?
- ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন কেন?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- 'মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছেন সেনাপতি'- এখানে সেনাপতির নাম কী?
- উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?
- ইংল্যান্ডের বীর সন্তান বলে কে নিজের পরিচয় দেয়?
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করলে অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তখন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খাঁ। বাঙালি হয়েও তিনি স্বদেশ ও স্বজাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন। তার সাথে নানা অপতৎপরতায় যুক্ত হয় এ দেশের কিছু দালাল-দোসর। মোনায়েম খাঁ ও তার সহযোগী কুলাঙ্গারদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় হানাদার বাহিনী লাখ লাখ দেশপ্রেমিক বাঙালিকে হত্যা করে।উদ্দীপকের মোনায়েম খাঁ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়। চরিত্রটি কার এবং কেন? ব্যাখ্যা কর।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িঘাট' যুদ্ধের শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।উদ্দীপকের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যুদ্ধক্ষেত্রে মোহনলালের ভূমিকার তুলনা করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- 'নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?' উদ্দীপকের 'তস্কর' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোনটিপ্রতিনিধিত্ব করে?
- মধুমতি নদীতে জেগে উঠেছে চান্দের চর। পলিময় উর্বর সে ভূমি। দেখলে যে কারোরই চোখ টাটায়। মন্তু মিয়াও এর বাইরে নয়। কিন্তু এলাকার প্রবল প্রতাপশালী জমিদারের সঙ্গে লড়বে কে? মঞ্জু মিয়া তাই গোপনে হাত মেলায় জমিদারের জ্ঞাতি ভাই গজনবী চৌধুরীর সঙ্গে। তার সহায়তায় মঞ্জু মিয়া এবং তার লাঠিয়াল বাহিনী চরটি দখল করে নেয়। এবার মঞ্জু মিয়ার নতুন চরের দায়িত্ব নেওয়ার পালা। সে গজনবী চৌধুরীর উপস্থিতি ও দোয়া ছাড়া চান্দের চরের দায়িত্ব গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করে। এভাবেই নদীর বুকে জেগে ওঠা নতুন চর চিরকালের জন্য জমিদারের হাতছাড়া হয়ে যায়।উদ্দীপকের মঞ্জু মিয়ার সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মিরজাফর চরিত্রের তুলনা কর।
- ক্লাইভের মতে নবাবের ক্ষমতা নেই কেন?
- কেউতো জানে না প্রাণের আকুতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।উদ্দীপকের আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করো।