পাশ্চাত্য সভ্যতার ইতিহাসে মহান দার্শনিক সক্রেটিস এর নাম উজ্জ্বল ও ভাম্বর হয়ে আছে। তিনি এমন এক দার্শনিক আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রবর্তক যা কিনা পাশ্চাত্য সভ্যতা, সংস্কৃতি ও দর্শনকে দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে প্রভাবিত করেছে। তিনি বলতেন "আমি জ্ঞানী নই, জ্ঞানানুরাগী মাত্র। একটি জিনিসই আমি জানি; আর সেটি হলো এই যে, আমি কিছুই জানি না।" না।” শাসকদের শা কোপনলে পড়ে জেলবন্দি হন। পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও যাননি। । এই মহান জ্ঞানীকে হেমলক পানে হত্যা করা হয়।
আদর্শগত বিবেচনায় সক্রেটিস ও শেখ মুজিবুর রহমানের ভিন্নতা থাকলেও দৃঢ়তা ও মনোবলে উভয়ের দারুন মিল। উদ্দীপক ও 'বায়ান্নর দিনগুলো' অবলম্বনে বিচার কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে'। বাণীটি কার?
- "ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না।"- কেন, ব্যাখ্যা কর।
- 'মানুষের যখন পতন আসে তখন পদে পদে ভুল হতে থাকে।'- ব্যাখ্যা করো।
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উক্ত জনমত গঠনে ব্যর্থতার মূল কারণ কোনটি ছিল?
- চট্টগ্রামের জেলের ভিতর থেকেই সজল খবর পেলেন ঢাকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রাম শহরেও ছাত্রছাত্রীরা মিছিল করছে। 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতন এবার হবেই ভেবে সজল মনে মনে বলে, এ ভুলের কারণেই শাসকচক্র ক্ষমতাচ্যুত হবে।উদ্দীপকে গুলি খেয়ে মরার ঘটনাটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মুজিবনগর সরকারের শপথবাক্য পাঠ করান-
- মুহিউদ্দিন আহমদ কী রোগে ভুগছিলেন?
- 'গুরুজনে ভক্তি করো,' এখানে গুরুজনে কোন কারক?
- ‘শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়’ - এখানে ‘গোঁফে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- 'বায়ান্নোর দিনগুলো' রচনায় ১৯৫২ সনে বঙ্গবন্ধুর কোন জীবনের কথা বিবৃত হয়েছে?
- জাহাজ ঘাটে শেখ মুজিবুর রহমান সহকর্মীদেরকাছে কী চাইলেন?
- ‘মন দিয়া কর সবে বিদ্যা উপার্জন’ বাক্যে নিম্নরেখাঙ্কিত শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কত তারিখে ঢাকাসেন্ট্রাল জেলের গেটে নিয়ে যাওয়া হয়?
- ৭ মার্চ, দিনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করেছে এক রক্তস্নাত দিন হিসেবে। ১৯৬৫ সালের ৭ মার্চ ছিল রবিবার। বর্ণবাদের বিষবাষ্পে উত্তাল সারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর অহিংস আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ জনতা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে সেলমা থেকে এগিয়ে চলেছে প্রাদেশিক রাজধানী মন্টোগোমারির দিকে। এমনই সময় প্রতিপক্ষ শ্বেতাঙ্গ আর পুলিশ বর্বরোচিত হামলা চালায় ওই মিছিলের উপর। রক্তে রঞ্জিত হয় রাজপথ। আর ৭ মার্চ ১৯৬৫ দিনটি পরিচিতি পায় 'ব্ল্যাডি সানডে' বা রক্তস্নাত রবিবার হিসেবে। তিনি শ্বেতাজাদের বৈষম্যমূলক আচরণ আর কৃষ্ণাজাদের উপর নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা বলতেন। তিনি বলতেন 'আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এই জাতি' জাগ্রত হবে এবং মানুষের এই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে, সকল মানুষ জন্মসূত্রে সমান।' উদ্দীপকের মাটিন লুথার কিং-এর সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ তা আলোচনা করো।
- 'তোমার তরে এনেছি মালা গাঁথিয়া ।' এখানে 'তরে' কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'বায়ান্নার দিনগুলো' রচনায় ডেপুটি জেনারেল নাম কী?
- শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়?
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান বিরচিত 'একুশের গল্প' রচনায় গল্প কথক, তপু ও রাহাত ছিল তিন বন্ধু। তারুণ্যের উদ্দামতা ও এক স্বপ্নিল আশা নিয়ে ভালোভাবেই কেটে যাচ্ছিল। তাদের ছাত্রজীবনের দিনগুলো। কিন্তু বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে তাদের ছন্দময় জীবনে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে তপু ও তার বন্ধুবান্ধব যোগ দেয় ভাষা আন্দোলনের মিছিলে। মিছিল এগিয়ে চলল মেডিকেল কলেজের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের দিকে। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌছাতেই মিলিটারিরা অতর্কিতে গুলি চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্ধুরা দেখতে পেল হাতে প্ল্যাকার্ডসহ গুলিবিদ্ধ তপু মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।উদ্দীপকে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার লেখকের ব্যক্তিজীবনের ঘটনাগুলোর প্রতিচ্ছবি নেই"- মন্তব্যটি যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় কথকের সত্তায় কী লক্ষ করা যায়?
- ঢাকায় ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে অর্ধমাইল দীর্ঘ শোভাযাত্রা বাহির হয়। শোভাযাত্রীগণ 'নূরুল আমিনের রক্ত চাই,' 'নাজিমুদ্দিন গদি ছাড়' প্রভৃতি ধ্বনি করিতে থাকে। শোভাযাত্রীগণ লালদীঘি ময়দানে জমায়েত হইয়া সভা করে।"উদ্দীপকের সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' শীর্ষক রচনার পটভূমিগত অভিন্নতা রয়েছে- মন্তব্যটি যাচাই করো।