হার্ডেরিয়ান গ্রন্থির অবস্থান
HSTUUnit-Aজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণমানব সংবেদী অঙ্গ - চোখ (Topic Practice)HSTU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
চোখে
Explanation:
Another Explanation (5): ```html
হার্ডেরিয়ান গ্রন্থি: অবস্থান ও কার্যাবলী 👁️🗨️
হার্ডেরিয়ান গ্রন্থি একটি বিশেষ ধরনের গ্রন্থি যা কিছু মেরুদণ্ডী প্রাণীর চোখে পাওয়া যায়। এটি স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, সরীসৃপ এবং উভচর প্রাণীদের মধ্যে বিদ্যমান। মানুষের মধ্যে এটি একটি vestigial অঙ্গ হিসেবে ধরা হয়।
অবস্থান 📍
- প্রধান অবস্থান: চোখের কোণের দিকে, সাধারণত তৃতীয় চোখের পাতার (nictitating membrane) কাছাকাছি অবস্থিত।
- নির্দিষ্ট স্থান: চোখের অক্ষিকোটরের (orbit) অভ্যন্তরে, অশ্রু গ্রন্থির (lacrimal gland) কাছাকাছি এর অবস্থান।
- বিভিন্ন প্রজাতিতে ভিন্নতা: প্রজাতিভেদে এর আকার ও সঠিক অবস্থানে ভিন্নতা দেখা যায়।
গঠন এবং বৈশিষ্ট্য 🧬
হার্ডেরিয়ান গ্রন্থি একটি লোবড (lobed) গঠনযুক্ত, যা বিভিন্ন কোষ দ্বারা গঠিত। এর প্রধান উপাদানগুলো হলো:
- সেরাস কোষ (Serous cells): জলীয় উপাদান নিঃসরণ করে।
- মিউকাস কোষ (Mucous cells): পিচ্ছিল উপাদান নিঃসরণ করে।
- লিপিড নিঃসরণকারী কোষ (Lipid secreting cells): তৈলাক্ত উপাদান নিঃসরণ করে।
কাজ এবং প্রয়োজনীয়তা 🤔
হার্ডেরিয়ান গ্রন্থির প্রধান কাজগুলো হলো:
- অশ্রু উৎপাদন: চোখের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।💧
- লুব্রিকেশন: চোখের নড়াচড়া সহজ করে এবং ঘর্ষণ কমায়।
- রোগ প্রতিরোধ: কিছু ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধে সহায়ক অ্যান্টিবডি তৈরি করে।🛡️
- ফেরোমন নিঃসরণ: কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে যোগাযোগে সাহায্য করে (গন্ধ নিঃসরণের মাধ্যমে)।👃
বিভিন্ন প্রাণীতে হার্ডেরিয়ান গ্রন্থি 🐾
বিভিন্ন প্রাণীতে এই গ্রন্থির কার্যাবলী ভিন্ন হতে পারে। নিচে কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হলো:
| প্রাণী | কাজ |
|---|---|
| ইঁদুর 🐀 | ফেরোমন নিঃসরণ এবং সামাজিক সংকেত প্রদান। |
| পাখি 🐦 | অশ্রু উৎপাদন এবং কর্নিয়ার সুরক্ষা। |
| সরীসৃপ 🦎 | অতিরিক্ত লুব্রিকেশন এবং তৃতীয় চোখের পাতার পরিষ্কার রাখা। |
মানুষের মধ্যে হার্ডেরিয়ান গ্রন্থি 👤
মানুষের মধ্যে হার্ডেরিয়ান গ্রন্থি একটি ছোট এবং সম্ভবত vestigial অঙ্গ। এর কাজ এখনও সম্পূর্ণরূপে বোধগম্য নয়, তবে এটি চোখের স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধে সামান্য ভূমিকা রাখতে পারে।
আরো জানতে বিভিন্ন জার্নাল এবং ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন। 📚
আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে! 😊
```Option A Explanation:
জিহবায় মেবোমিয়ান গ্রন্থি সম্পর্কিত তথ্য
- অবস্থান: জিহবায় মেবোমিয়ান গ্রন্থি পাওয়া যায়, বিশেষ করে ভাষার উপরের অংশে, যেখানে এটি স্বাভাবিকভাবে অবস্থিত।
- অভ্যন্তরীণ গঠন: এই গ্রন্থি ছোট ছোট গ্রন্থি বা শ্লেষ্মা উৎপাদক অঙ্গ, যা শ্লেষ্মা বা লুব্রিকেন্ট তৈরি করে।
- কাজ: এটি মুখের মধ্যে শ্লেষ্মা উৎপাদন করে, যা জিহবাকে আর্দ্রতা ও লুব্রিকেশন দেয়, এবং খাদ্য ও ভাষণ প্রক্রিয়ায় সহায়ক।
- সাধারণ সমস্যা: এই গ্রন্থির সংক্রমণ বা প্রদাহের কারণে জিহবায় অস্বস্তি বা ব্যথা হতে পারে।
Option B Explanation:
- হার্ডেরিয়ান গ্রন্থি: এই গ্রন্থি ত্বকে অবস্থিত। এটি একটি ক্ষুদ্র গ্রন্থি যা ত্বকের মধ্যে বা তার আশেপাশে পায়, বিশেষ করে মুখের আশেপাশে।
- অবস্থান: সাধারণত ত্বকের নিচে বা ত্বকের মধ্যবর্তী স্তরে পাওয়া যায়।
- কার্যক্রম: এই গ্রন্থির মূল কাজ হলো ক্ষুদ্র ক্ষত বা চুলকানি সৃষ্টি হলে তা থেকে নিঃসৃত তরল বা স্রাবের মাধ্যমে ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়াকে সহায়তা করা।
Option C Explanation:
- অবস্থান: চোখের ভিতরে বা পাশে অবস্থিত
- গঠন: ছোট গ্রন্থি যা চোখের সুক্ষ্ম পাপড়ির ওপর বা চোখের পৃষ্ঠের নীচে অবস্থিত
- কার্য: চোখের লুব্রিকেশন বা জলীয় অংশ উৎপাদন করে, চোখকে আর্দ্র ও সুস্থ রাখে
- উপকারিতা: চোখের শুষ্কতা বা জ্বালা এড়াতে সহায়ক, চোখের স্বাভাবিক কার্যক্রমে অবদান রাখে
Option D Explanation:
- অবস্থান: হার্ডেরিয়ান গ্রন্থি কানের মধ্যে অবস্থিত।
- অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য: এটি কানের ভেতরে অবস্থিত যা সাধারণত কানের অশ্রু গ্রন্থি হিসেবে পরিচিত।
- গুরুত্ব: এই গ্রন্থি তেল এবং স্রাব নিঃসরণ করে যা কানের স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।