মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোষ বিভাজনে প্রয়োজনে যে রাসায়নিক উপাদান দ্বারা প্রাথমিক সেলপ্লেট তৈরি হয় তার নাম কী?

A. জিলাটিন
B. সেলুলোজ
C. পেকটিন
D. হেমিসেলুলোজ
Poster Download
BAUজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ ও এর গঠনকোষ প্রাচীর ও প্রোটোপ্লাস্ট (Topic Practice)BAU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. পেকটিন
Explanation:


Another Explanation (5): ```html

কোষ বিভাজনে প্রাথমিক সেলপ্লেট তৈরিতে পেকটিনের ভূমিকা

কোষ বিভাজনের সময় উদ্ভিদ কোষ সাইটোকিনেসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুটি নতুন কোষে বিভক্ত হয়। এই প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো সেল প্লেট তৈরি। সেল প্লেট হলো কোষ প্রাচীরের প্রাথমিক গঠন যা পরবর্তীতে দুটি নতুন কোষের মধ্যে বিভাজন প্রাচীর হিসেবে কাজ করে। আর এই সেল প্লেট তৈরিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে পেকটিন নামক একটি রাসায়নিক উপাদান। 🧪

পেকটিন কী?

পেকটিন হলো একটি জটিল পলিস্যাকারাইড যা উদ্ভিদ কোষ প্রাচীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি মূলত গ্যালাক্টুরোনিক অ্যাসিডের একটি পলিমার। পেকটিন সেল প্লেটের গাঠনিক কাঠামো তৈরি করে এবং অন্যান্য উপাদানকে একত্রিত করতে সাহায্য করে। 🧱

সেলপ্লেট তৈরিতে পেকটিনের ভূমিকা:

  1. ফ্র্যাগমোপ্লাস্ট গঠন: কোষ বিভাজনের শেষের দিকে, ফ্র্যাগমোপ্লাস্ট নামক একটি কাঠামো তৈরি হয়। এই ফ্র্যাগমোপ্লাস্ট মাইক্রোটিউবিউল এবং অন্যান্য প্রোটিন দ্বারা গঠিত।
  2. পেকটিন জমা: গলগি বডি থেকে আসা ভেসিকলগুলো পেকটিন বহন করে ফ্র্যাগমোপ্লাস্টের মধ্যে জমা হতে শুরু করে। এই ভেসিকলগুলো একত্রিত হয়ে সেল প্লেট গঠন করে। 🚚➡️🧱
  3. সেলপ্লেটের বৃদ্ধি: ধীরে ধীরে পেকটিন জমা হওয়ার সাথে সাথে সেল প্লেটটি কোষের পরিধি বরাবর বাড়তে থাকে। 📈
  4. কোষ প্রাচীর গঠন: অবশেষে, সেল প্লেটটি মাতৃকোষের প্রাচীরের সাথে মিশে যায় এবং দুটি নতুন কোষ সম্পূর্ণভাবে আলাদা হয়ে যায়। এরপর পেকটিনের সাথে অন্যান্য উপাদান যুক্ত হয়ে কোষ প্রাচীর গঠিত হয়। 🌳

পেকটিনের প্রকারভেদ:

  • হোমোগ্যালাক্টুরোনান (HG): এটি পেকটিনের প্রধান অংশ, যা সরাসরি গ্যালাক্টুরোনিক অ্যাসিড দিয়ে গঠিত।
  • রাম্নোগ্যালাক্টুরোনান-I (RG-I): এটি জটিল গঠনযুক্ত পেকটিন, যাতে রাম্নোজ এবং গ্যালাক্টোজ শৃঙ্খল থাকে।
  • রাম্নোগ্যালাক্টুরোনান-II (RG-II): এটি বিরল ধরণের পেকটিন, যা কোষ প্রাচীরের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।

পেকটিনের গুরুত্ব:

  • কোষ বিভাজনের সঠিক সমাপ্তি নিশ্চিত করে। ✅
  • নতুন কোষ প্রাচীরের প্রাথমিক কাঠামো তৈরি করে। 🏗️
  • কোষের আকার এবং আকৃতি বজায় রাখতে সাহায্য করে। 📐

বিভিন্ন উদ্ভিদে পেকটিনের পরিমাণ:

উদ্ভিদ পেকটিনের পরিমাণ (শুকনো ওজনের ভিত্তিতে)
আপেল 🍎 ১-১.৫%
কমলা 🍊 ০.৫-৩.৫%
লেবু 🍋 ১-৪%
বিটরুট ১০-২০%

পরিশেষে, বলা যায় যে পেকটিন কোষ বিভাজনের একটি অপরিহার্য উপাদান, যা উদ্ভিদ কোষের জীবনচক্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 🌱 এটি শুধু সেল প্লেট তৈরি করে না, কোষের গঠন এবং কার্যকারিতা বজায় রাখতেও সহায়ক। 👍

আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া। 📚

```
Option A Explanation:
  • জিলাটিন: জিলাটিন হলো একটি প্রোটিন সংশ্লেষ যা সাধারণত পশুর হাড়, ত্বক, এবং সংযোগকারী টিস্যু থেকে প্রস্তুত করা হয়।
  • হাইড্রোফিলিক বৈশিষ্ট্য: এটি জলপ্রীতি বা জলআবদ্ধতা সম্পন্ন, অর্থাৎ জলকে আকর্ষণ করে ও জল দ্রবণে সহজে পরিণত হয়।
  • ব্যবহার: খাদ্যপণ্য, ক্যাপসুল, এবং ফার্মাসিউটিক্যাল প্রোডাক্টে জল সম্পর্কিত গুণাবলী উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • সেলুলোজ: এক ধরণের জটিল কার্বোহাইড্রেট যা উদ্ভিদকোষের মূল স্তরকোষের মধ্যে পাওয়া যায়।
  • প্রধানত উদ্ভিদের কাঠামোগত উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং প্রাণীর শরীরে সহজে পরিপাক হয় না।
  • অতিরিক্ত ফাইবার হিসেবে খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকলে পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।
  • সেলুলোজের পচন বা হজমের জন্য বিশেষ এনজাইমের প্রয়োজন, যা মানবদেহে সাধারণত উৎপন্ন হয় না।
Option C Explanation:
  • পেকটিন: পেকটিন হলো এক ধরনের জলীয় অণু যা মূলত ফলমূল এবং সবজিতে পাওয়া যায়। এটি একটি অণু যা গ্যাঁট বা জেলির গঠন করতে সাহায্য করে।
  • প্রাকৃতিক সোর্স: আপেল, কমলা, লেবু, আঙুর এবং অন্যান্য ফলমূলের ছাল ও গাছে পেকটিনের উপস্থিতি বেশি।
  • ব্যবহার: পেকটিন মূলত জেলি, জাম, মোরব্বা এবং অন্যান্য খাদ্যজাত পণ্যে প্রাকৃতিক গাঁট বা জেলির জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • অণু গঠন: এটি একটি জলীয় অণু যা কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: পেকটিন জলীয় দ্রবণে জেলি তৈরি করে, যা খাদ্য প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং স্বাদ ও টেক্সচারে সহায়ক।
Option D Explanation:

হেমিসেলুলোজের ব্যাখ্যা

  • প্রাকৃতিক উপাদান: হেমিসেলুলোজ একটি জৈব পলিমার যা প্রধানত উদ্ভিদ শরীরে পাওয়া যায়। এটি গাছপালা ও বিভিন্ন উদ্ভিদজাত পদার্থের মূল অংশ।
  • সংযোজক উপাদান: এটি সেলুলোজের সাথে যুক্ত হয়ে উদ্ভিদের কোষের গঠনে সহায়তা করে এবং কোষের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।
  • গঠন: হেমিসেলুলোজ একটি জটিল কার্বোহাইড্রেট, যা বিভিন্ন ধরনের মনোস্যাকারাইডের সমন্বয়ে গঠিত। এটি নমনীয় ও দ্রবণীয় হয়ে উঠতে পারে।
  • উৎপত্তি ও ব্যবহার: এটি উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরের অংশ হয়ে থাকে এবং বিভিন্ন শিল্পে ব্যাবহৃত হয়, যেমন খাদ্যশস্যের গঠন শক্তিশালীকরণ, ফাইবার প্রস্তুতিতে ও রাসায়নিক শিল্পে।
  • প্রাকৃতিক অবস্থা: হেমিসেলুলোজ সাধারণত জলীয় দ্রবণে অল্প দ্রবণীয়, তবে উচ্চ তাপমাত্রা ও অ্যাসিডের উপস্থিতিতে দ্রবীভূত হতে পারে।