রামসুন্দর বাবু বনেদি ঘর পেয়ে মেয়ে বিয়ে দিতে উদ্যত
হন। এক্ষেত্রে তিনি বরপক্ষ থেকে দাবিকৃত দেনাপাওনা
চুকিয়ে দিয়ে মহাসাড়ম্বরে মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করেন।
উদ্দীপকের রামসুন্দর বাবুর সাথে 'অপরিচিতা'
গল্পের কোন চরিত্রের বৈসাদৃশ্য রয়েছে?
A.
হরিশ
B.
শম্ভুনাথ
C.
বিনু
D.
মামা
সঠিক উত্তরঃ
B.
শম্ভুনাথ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণের হিসাবে’
- একজন মানুষ তখনই চমৎকার ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে পারে যখন সে অনর্থক কথা ও অপকর্মকে পরিত্যাগ করতে পারে। [এডিসন]নিজের সন্তানের ভালোমন্দ সম্বন্ধে যে পিতা সচেতন সে-ই যথার্থ পিতা। [টেগনার]অর্থের বিনিময়ে যারা একটি নারীকে বিবাহ করিতে সম্মত হয় সেই পুরুষ কোনোদিন তার স্ত্রীকে ভালোবাসিবে না- পাত্রীর অভিভাবকদের এ কথাটা বোঝা উচিত। [শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।"উদ্দীপকের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় উক্তিটির মধ্য দিয়ে যেন 'অপরিচিতা' গল্পের শম্ভুনাথ সেনের দৃঢ় ব্যক্তিত্ব প্রকাশিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'দিবারাত্রির কাব্য' কী জাতীয় রচনা?
- অসহায় বিধবা শুভারাণী, তার মেয়ে তমালিকার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাকে পাত্রস্থ করতে পারেনি। কারণ, পাত্রপক্ষের দাবি মেটাতে সে অক্ষম। অবশেষে নিজের সামান্য জমিটুকু ব???ক্রি করে মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে সে। কিন্তু বরের বাবা নলীন বাবুর আকাশ ছোঁয়া চাওয়ার কাছে পরাজিত হতে হয় তাকে। মায়ের এহেন অবস্থা দেখে তমালিকা নিজেই বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে আসে এবং সবাইকে সাফ জানিয়ে দেয়, এ বিয়ে সে করতে পারবে না। অতঃপর স্বাবলম্বী হয়ে একাকী পথ চলার দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যায় সে।"উদ্দীপকের ঘটনাটি 'অপরিচিতা' গল্পে বর্ণিত তৎকালীন সামাজিক সমস্যার দিকটি তুলে ধরতে সমর্থ হয়েছে।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- "You can fool all the peoole some of the time and some of the people all the time, but you can not fool all the people all the time. " উক্তিটি কার?
- "ধলেশ্বরী নদীর তীরে পিসিদের গ্রামতাঁর দেওরের মেয়ে অভাগার সাথে তার বিবাহ ছিল ঠিকঠাকলগ্ন শুভ, নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেল-সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে।মেয়েটা তো রক্ষা পেলআমি তথৈবচঘরেতে এলো না সে তো, মনে তার নিত্য আসা যাওয়াপরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'সেই লগ্নে এসেছি পালিয়ে'- এ চরণের আলোকে বুঝিয়ে লেখো যে, উদ্দীপকের নায়কের মতো অনুপমের বিরহের জন্য নিজের অক্ষমতাই দায়ী।
- 'লাখেরাজ সম্পত্তি ' এখানে লাখেরাজ ব্যবহত হয়েছে -
- 'মধু সাধু খাঁ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- গী দ্য মোপাসা কোন দেশের লেখক?
- আলেকজান্দ্রিয়া জাদুঘর মুখ্যত কি চর্চার কেন্দ্র ছিল?
- 'সিলেটে বহু চা-বাগান আছে।' এ বাক্যের নেতিবাচক রূপ কোনটি?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।"মাতৃস্নেহের আধিক্যে পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।" উদ্দীপকের এই মন্তব্যের সাদৃশ্যমূলক প্রভাব রয়েছে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রে- বুঝিয়ে লেখো।
- বাবার মোটা টাকার যৌতুকের দাবির কারণে সবুজের বিয়েভেঙে যেতে বসল। পিতার অনুগত সন্তান হওয়া সত্ত্বেওসবুজ শেষ পর্যন্ত বিনা যৌতুকে রথীকে বিয়ে করে আনল।উদ্দীপকের সবুজের কোন বৈশিষ্ট্য 'অপরিচিতা' গল্পেরঅনুপমের চরিত্রে থাকলে তার বিয়ে ভাঙত না?
- "বাঁশি" অর্থানুসারে কোন শ্রেনীর শব্দ?
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শ্রী গীতা রাণী সরকার। লেখাপড়া শেষ করতেই ২৭ বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার সম্বন্ধ আসে এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে হয়নি। গীতা রাণী লেখাপড়া শেষে একটি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। সমাজের অবহেলিত, পশ্চাৎপদ নারীদের গভীর মনোযোগ সহকারে শিক্ষাদান করেন। হঠাৎ প্রতিবেশী কালীচরণ রায় একটি সম্বন্ধ নিয়ে আসে। গীতা তাকে বিনয়ের সঙ্গে জানান- তিনি এখন আর বিয়ে করতে পারবেন না। কারণ, সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষার গুরুদায়িত্ব তিনি নিয়েছেন।উদ্দীপকের গীতা রাণীর বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের জাগরণ 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর ব??দ্ধিদীপ্ততার আত্মপ্রকাশ- তুমি কি এ মত সমর্থন করো? যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
- কারো ঘর ভাঙে ঝড়েকারো সংসার পুড়ে যায় যৌতুকের আগুনে।কেউ করে হায় হায়, বাপ-মা কাঁদেমেয়েকে বিয়ে দিতে হয়-পড়ে যৌতুকের ফাঁদে।করবে না বিয়ে সোনালি নিজেকে করে পণ্যএটা তার পণ সোনালি জীবনের জন্য।"উদ্দীপকে নিহিত সামাজিক কাঠামো এবং 'অপরিচিতা' গল্পের সামাজিক পটভূমি সাদৃশ্যযুক্ত"- তোমার যুক্তিসহ মন্তব্যটি যাচাই করো।
- অসহায় বিধবা শুভারাণী, তার মেয়ে তমালিকার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাকে পাত্রস্থ করতে পারেনি। কারণ, পাত্রপক্ষের দাবি মেটাতে সে অক্ষম। অবশেষে নিজের সামান্য জমিটুকু বিক্রি করে মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে সে। কিন্তু বরের বাবা নলীন বাবুর আকাশ ছোঁয়া চাওয়ার কাছে পরাজিত হতে হয় তাকে। মায়ের এহেন অবস্থা দেখে তমালিকা নিজেই বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে আসে এবং সবাইকে সাফ জানিয়ে দেয়, এ বিয়ে সে করতে পারবে না। অতঃপর স্বাবলম্বী হয়ে একাকী পথ চলার দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যায় সে।উদ্দীপকের তমালিকা চরিত্রটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? আলোচনা করো।
- অপরিচিতা গল্পের রচয়িতা কে?
- 'আমার পথ দেখাবে আমার সত্য'— এই বাক্যে ফুটেউঠেছে—